ad

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর নীতিমালা প্রকাশ, পাঁচ ধাপে জাতীয় প্রতিযোগিতা

Views


প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর নীতিমালা প্রকাশ, পাঁচ ধাপে জাতীয় প্রতিযোগিতা

ঢাকা, ৩১ মার্চ:
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশের লক্ষ্যে “প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) ২০২৬” এর নীতিমালা প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। মিরপুর সেকশন-২, ঢাকায় অবস্থিত অধিদপ্তর থেকে জারি করা এ নীতিমালায় দেশের তৃণমূল পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার মাধ্যমে সহিষ্ণুতা, মনোবল ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতেই এই আয়োজন। প্রতিবছরের মতো এবারও ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে শুরু করে উপজেলা/থানা, জেলা, বিভাগ হয়ে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত মোট পাঁচ ধাপে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

পাঁচ স্তরের প্রতিযোগিতা কাঠামো
প্রথমে ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে বিদ্যালয়ভিত্তিক খেলা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানকার চ্যাম্পিয়ন দল পর্যায়ক্রমে উপজেলা/থানা, জেলা, বিভাগ এবং শেষে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে। ইউনিয়ন পর্যায়ে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

দল গঠন ও যোগ্যতা
প্রতিটি দল গঠিত হবে ১৭ জন খেলোয়াড় ও ২ জন কর্মকর্তা (ম্যানেজার ও কোচ) নিয়ে। খেলোয়াড়দের বয়স ৩১ ডিসেম্বর অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২ বছর হতে হবে। ছেলেদের উচ্চতা সর্বোচ্চ ৫ ফুট এবং মেয়েদের ৪ ফুট ৯ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে।
গোলরক্ষকসহ মাঠে একসঙ্গে ১১ জন খেলবে।

খেলার নিয়ম ও সময়সীমা
খেলা নক-আউট পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ম্যাচের সময় ৫০ মিনিট (প্রথমার্ধ ২৫ মিনিট, বিরতি ১০ মিনিট)। নির্ধারিত সময়ে ফলাফল না হলে অতিরিক্ত ২০ মিনিট খেলা হবে এবং এরপরও নিষ্পত্তি না হলে টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।

মাঠ ও সরঞ্জাম
মাঠের নির্ধারিত মাপ ৬০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৪৫ মিটার প্রস্থ। শিশুদের উপযোগী সাইজ-৪ বল ব্যবহার বাধ্যতামূলক। খেলোয়াড়দের বুট ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

প্রশাসনিক কাঠামো
টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্য জাতীয় থেকে ইউনিয়ন পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে কমিটি গঠন করা হবে। জাতীয় কমিটি নীতিমালা প্রণয়ন, সময়সূচি নির্ধারণ ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। স্থানীয় পর্যায়ের কমিটিগুলো খেলার আয়োজন ও শৃঙ্খলা রক্ষা নিশ্চিত করবে।

শৃঙ্খলা ও অভিযোগ ব্যবস্থা
প্রতিটি পর্যায়ে ৩ সদস্যের শৃঙ্খলা উপ-কমিটি থাকবে, যারা খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করবে। কোনো অভিযোগ থাকলে খেলা শেষে ১ ঘণ্টার মধ্যে লিখিতভাবে দাখিল করতে হবে এবং আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় ১২ ঘণ্টা।

পুরস্কার ব্যবস্থা
জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে গোল্ডকাপ, রানারআপ সিলভার কাপ এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল ব্রোঞ্জ কাপ। এছাড়া মেডেল, ক্রেস্ট ও ব্যক্তিগত পুরস্কারও প্রদান করা হবে। টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন হলে দলকে স্থায়ীভাবে কাপ প্রদানের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অন্যান্য নির্দেশনা

  • কোনো দল নির্ধারিত সময়ে মাঠে উপস্থিত না হলে ১৫ মিনিট অপেক্ষার পর প্রতিপক্ষকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

  • ম্যাচ চলাকালীন রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

  • পাতানো খেলায় জড়িত দলকে ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হতে পারে।

কার্যকারিতা
নীতিমালাটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে এবং পূর্ববর্তী সংশ্লিষ্ট সকল নীতিমালা রহিত বলে গণ্য হবে। কোনো বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তা ব্যাখ্যা করবে।

এই নীতিমালার মাধ্যমে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রসার এবং প্রতিভা বিকাশে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর 

মিরপুর, সেকশন-২, ঢাকা-১২১৬

www.dpe.gov.bd

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা) নীতিমালা ২০২৬

১. ভূমিকা:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে তাদের শারীরিক, মানসিক ও নান্দনিক বিকাশ, প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সহিষ্ণুতা ও মনোবল বৃদ্ধিসহ প্রতিযোগী মনোভাব গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতিবছর ইউনিয়ন ও পৌরসভা, উপজেলা/সিটি কর্পোরেশন এলাকাধীন থানা, বিভাগ এবং জাতীয় পর্যায়ে "প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা)" আয়োজন ও পরিচালনার জন্য নীতিমালা ২০২৬ এ প্রণয়ন করা হলো।

২. শিরোনাম:

এ নীতিমালা "প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা)" ২০২৬ নামে অভিহিত হবে। এ নীতিমালার আলোকে "প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) এর সকল পর্যায়ের খেলা আয়োজন ও পরিচালিত

হবে।

২.২ সংজ্ঞা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পরীক্ষণ বিদ্যালয় এবং শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বুঝাবে।

৩. প্রতিযোগিতার ধরন ও পর্যায়: এ প্রতিযোগিতা ৫টি পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। যথা:

৩.১ (ক) ইউনিয়ন ও পৌরসভা (খ) উপজেলা/সিটি কর্পোরেশন এলাকাধীন থানা (গ) জেলা (ঘ) বিভাগ এবং (৬) জাতীয় পর্যায়ে;

৩.২ ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। বিদ্যালয়ভিত্তিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দল উপজেলা/থানা (সিটি কর্পোরেশনের এলাকাধীন) পর্যায়ে উপজেলা/থানা (সিটি কর্পোরেশনের এলাকাধীন) পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দল জেলা পর্যায়ে, জেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দল বিভাগীয় পর্যায়ে এবং বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দল জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।

৪. খেলার মাঠ:

৪.১ খেলার মাঠের আয়তন: দৈর্ঘ্য ৬০ মিটার এবং গ্রন্থ ৪৫ মিটার হবে;

৪.২ ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ও প্রন্থের অনুপাত ঠিক রেখে টুর্নামেন্ট কমিটি কর্তৃক নিজ এলাকার খেলার মাঠ নির্ধারণ করা যাবে;

৪.৩ মাঠের আয়তন অনুযায়ী গোল বার, গোল পোস্ট এবং পেনাল্টি এলাকা নির্ধারিত হবে।

৫. অংশগ্রহণকারী দল:

৫.১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ভিত্তিক প্রতিটি দল গঠিত হবে। নিম্নবর্ণিত বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্রদের দ্বারা গঠিত দল এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে:

ক) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়;

খ) পরীক্ষণ বিদ্যালয়;

গ) শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়।

৫.২ এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো এন্ট্রি/রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদান করতে হবে না।

৬. টুর্নামেন্ট কমিটিসমূহ:

"প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) এর খেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও পরিচালনার জন্য ইউনিয়ন ও পৌরসভা, উপজেলা/ থানা (সিটি কর্পোরেশন এলাকাধীন), জেলা, বিভাগ এবং জাতীয় পর্যায়ে নিম্নরূপ টুর্নামেন্ট কমিটিসমূহ গঠিত হবে।

৬.২ জাতীয় কমিটির কার্যপরিধি:

৬.২.১ খেলা পরিচালনার নিয়মাবলি প্রণয়ন ও যাবতীয় দিক নির্দেশনা প্রদান এবং প্রতিযোগিতার তারিখ ও সময় নির্ধারণ;

৬.২.২ গোল্ডকাপ এর ডিজাইন চূড়ন্তকরণ ও প্রস্তুতকরণ এবং অন্যান্য পুরস্কার নির্ধারণ;

৬.২.৩. টুর্নামেন্ট সংক্রান্ত বাজেট অনুমোদন:

৬.২.৪ বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন বিদ্যালয় দলসমূহের অংশগ্রহণে জাতীয় প্রতিযোগিতা পরিচালনা ও এতৎসংক্রান্ত যাবতীয় কার্য সম্পাদন;

৬.২.৫ খেলা পরিচালনার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ;

৬.২.৬ কমিটি প্রয়োজনবোধে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

৬.৪ বিভাগীয় কমিটির কার্যপরিধি:

৬.৪.১ বিভাগীয় পর্যায়ে সকল খেলার সুষ্ঠু আয়োজন ও পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এতৎসংক্রান্ত যাবতীয় কার্য সম্পাদন;

৬.৪.২ কমিটি প্রয়োজনবোধে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

৬.৬ জেলা কমিটির কার্যপরিধি:

৬.৬.১ জেলা পর্যায়ের সকল খেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও পরিচালনা করা এবং এতৎসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যসম্পাদন;

৬.৬.২ কমিটি প্রয়োজনবোধে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

৬.৮ উপজেলা কমিটির কার্যপরিধি:

৬.৮.১ উপজেলা পর্যায়ের সকল খেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও পরিচালনা করা এবং এতদসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যসম্পাদন;

৬.৮.২ কমিটি প্রয়োজনবোধে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

৬.১০ কমিটির কার্যপরিধি:

৬.১০.১ সিটি করপোরেশন এলাকাধীন থানা পর্যায়ের সকল খেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও পরিচালনা করা এবং এতৎসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যসম্পাদন।

৬.১০.২ কমিটি প্রয়োজনবোধে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

৬.১২ পৌরসভা কমিটির কার্যপরিধি:

৬,১২.১ পৌরসভা পর্যায়ের সকল খেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও পরিচালনা করা এবং এতৎসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যসম্পাদন;

৬.১২.২ কমিটি প্রয়োজনবোধে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

৬.১৪ ইউনিয়ন কমিটির কার্যপরিধি:

৬.১৪.১ ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল খেলা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন ও পরিচালনা করা এবং এতৎসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যসম্পাদন;

৬.১৪.২ কমিটি প্রয়োজনবোধে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

৭. খেলার নিয়ম-কানুন: এ প্রতিযোগিতার সকল খেলা প্রণীত নীতিমালা ও টুর্নামেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নক্ আউট পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। খেলা পরিচালনায় এ নীতিমালার আওতায় সমাধানযোগ্য নয় এমন কোনো সমস্যা বা জটিলতা দেখা দিলে তা ফিফা ও বাফুফের বিধি ও উপবিধি অনুসারে নিষ্পত্তি করতে হবে।

৮. দল গঠন:

৮.১ প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীদের মধ্য থেকে ১৭ জন খেলোয়াড় ও ০২ (দুই) জন কর্মকর্তা (ম্যনেজার ও প্রশিক্ষক) নিয়ে দল গঠিত হবে;

৮.২ সংশিষ্ট কমিটি দলের ম্যানেজার ও প্রশিক্ষক-কে মনোনীত করবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদেরকে অগ্রাধিকার দেয়া যেতে পারে;

৮.৩ যে শিক্ষাবর্ষে খেলা শুরু হবে সেই শিক্ষাবর্ষে অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর খেলোয়াড়দের বয়স হবে সর্বোচ্চ ১২ (বারো) বছর;

৮.৪ উচ্চতা মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪ ফুট ৯ ইঞ্চি (চার ফুট, নয় ইঞ্চি) এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫ (পাঁচ ফুট)। টুর্নামেন্টের সকল পর্যায়ের খেলায় নির্ধারিত উচ্চতা অনুসরণ করতে হবে;

৮.৫ খেলোয়াড় নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো রকম অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের উপজেলা/থানা সহ: প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে;

৮.৬ উপজেলা পর্যায় থেকে যে দল জেলা পর্যায়ে যাবে সে দলের খেলোয়াড়দের ছবি ও জন্মসনদসহ বয়স সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রত্যয়ন করবেন;

৮.৭ জেলা পর্যায় থেকে যে দল বিভাগীয় পর্যায়ে যাবে সে দলের খেলোয়াড়দের ছবি ও জন্ম সনদসহ বয়স সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, জেলা সিভিল সার্জন এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রত্যয়ন করবেন;

৮.৮ গোলরক্ষকসহ মোট ১১ জন খেলবে।

৯. খেলার মাঠে প্রবেশ:

৯.১ ১৭ (সতের) জন খেলোয়াড়, ০২ (দুই) জন কর্মকর্তা এবং ০২ (দুই) জন সহকারী মাঠে প্রবেশ করতে পারবে;

৯.২ খেলার সময় অতিরিক্ত ৬ জন খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সহকারীগণ তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে অবস্থান করবেন;

৯.৩ খেলোয়াড় আহত হলে রেফারী'র অনুমতি সাপেক্ষে সর্বমোট ২ জন সাহায্যকারী মাঠে প্রবেশ করতে পারবে।

১০. খেলোয়াড়দের তালিকা:

১০.১ খেলার নির্ধারিত তারিখের ৭ (সাত) দিন পূর্বে প্রধান শিক্ষক টুর্নামেন্ট কমিটির নিকট খেলোয়াড়দের ০২ (দুই) কপি তালিকা প্রদান করবেন;

১০.২ খেলা শুরুর ১ (এক) ঘন্টা পূর্বেই টুর্নামেন্ট কমিটি রেফায়ীর নিকট খেলোয়াড়দের তালিকা (১ কপি) প্রদান করবে;

১০.৩ অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়গণ বুট ব্যবহার করতে পারবে না।

১১. জার্সির রং:

১১.১ যদি কোনো দলের জার্সির রং বিপক্ষ দলের জার্সির রঙের সংগে প্রায় মিলে যায় যা রেফারীর খেলা পরিচালনায় সমস্যা হতে পারে, সে ক্ষেত্রে টসের মাধ্যমে জার্সি পরিবর্তন করা যাবে;

১১.২ কোনো খেলোয়াড় খেলা চলাকালীন সময়ে তার দল কর্তৃক প্রদত্ত নির্ধারিত জার্সি (জার্সি নম্বর অপরিবর্তিত রেখে) পরিবর্তন করতে পারবে।

১২. খেলোয়াড় বদল:

প্রতিটি খেলায় তালিকাভুক্ত খেলোয়াড় হতে রেফারীর অনুমতি সাপেক্ষে যে কোনো ৪ (চার) জন খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে।

১০. খেলার সময় নির্ধারণ:

খেলা মোট ৫০ মিনিট পরিচালিত হবে। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট পর ১০ মিনিট বিরতি থাকবে। নির্ধারিত সময়ে যদি খেলা অমিমাংসীত থাকে তাহলে নির্ধারিত সময়ের পর a + q = 20 মিনিট অতিরিক্ত সময় খেলতে হবে। অতিরিক্ত সময়ে ফলাফল নির্ধারিত না হলে পেনাল্টি কিকের (টাই ব্রেকার) মাধ্যমে খেলার ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। অতিরিক্ত সময়ে খেলা চলাকালীন কোনো বিরতি থাকবে না।

১৪. খেলা পরিচালনার জন্য রেফারী নিয়োগ:

১৪.১ ইউনিয়ন ও উপজেলা/থানা পর্যায়ে টুর্নামেন্ট কমিটি খেলা পরিচালনার জন্য রেফারী নিয়োগ করবে;

১৪.২ জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ের খেলাসমূহ পরিচালনার জন্য টুর্নামেন্ট কমিটি বাফুফের তালিকাভুক্ত রেফায়ী নিয়োগ করবে;

১৪.৩ প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে মাঠে রেফারীর সিদ্ধান্তই চূড়ন্ত বলে বিবেচিত হবে;

১৪.৪ জেলা/বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে নিয়োজিত রেফারীদের যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য সম্মানী ভাতা নির্ধারিত হারে টুর্নামেন্ট কমিটি বহন করবে।

১৫. টুর্নামেন্ট ফিচার:

১৫.১ টুর্নামেন্ট কমিটি যুক্তিযুক্ত সময়ের মধ্যে প্রতিযোগিতার সময়সূচি/ফিচার প্রণয়ন করবে;

১৫.২ নির্ধারিত খেলার সময়সূচি/ ফিচার অনুযায়ী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তবে টুর্নামেন্ট কমিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বিশেষ কারণে খেলার তারিখ ও সময় পরিবর্তন করতে পারবে।

১২. খেলোয়াড় বদল:

প্রতিটি খেলায় তালিকাভুক্ত খেলোয়াড় হতে রেফারীর অনুমতি সাপেক্ষে যে কোনো ৪ (চার) জন খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে।

১০. খেলার সময় নির্ধারণ:

খেলা মোট ৫০ মিনিট পরিচালিত হবে। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট পর ১০ মিনিট বিরতি থাকবে। নির্ধারিত সময়ে যদি খেলা অমিমাংসীত থাকে তাহলে নির্ধারিত সময়ের পর a + q = 20 মিনিট অতিরিক্ত সময় খেলতে হবে। অতিরিক্ত সময়ে ফলাফল নির্ধারিত না হলে পেনাল্টি কিকের (টাই ব্রেকার) মাধ্যমে খেলার ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। অতিরিক্ত সময়ে খেলা চলাকালীন কোনো বিরতি থাকবে না।

১৪. খেলা পরিচালনার জন্য রেফারী নিয়োগ:

১৪.১ ইউনিয়ন ও উপজেলা/থানা পর্যায়ে টুর্নামেন্ট কমিটি খেলা পরিচালনার জন্য রেফারী নিয়োগ করবে;

১৪.২ জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ের খেলাসমূহ পরিচালনার জন্য টুর্নামেন্ট কমিটি বাফুফের তালিকাভুক্ত রেফায়ী নিয়োগ করবে;

১৪.৩ প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে মাঠে রেফারীর সিদ্ধান্তই চূড়ন্ত বলে বিবেচিত হবে;

১৪.৪ জেলা/বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে নিয়োজিত রেফারীদের যাতায়াত, খাবার ও অন্যান্য সম্মানী ভাতা নির্ধারিত হারে টুর্নামেন্ট কমিটি বহন করবে।

১৫. টুর্নামেন্ট ফিচার:

১৫.১ টুর্নামেন্ট কমিটি যুক্তিযুক্ত সময়ের মধ্যে প্রতিযোগিতার সময়সূচি/ফিচার প্রণয়ন করবে;

১৫.২ নির্ধারিত খেলার সময়সূচি/ ফিচার অনুযায়ী প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তবে টুর্নামেন্ট কমিটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা বিশেষ কারণে খেলার তারিখ ও সময় পরিবর্তন করতে পারবে।

১৬. খেলার স্থান, তারিখ ও সময়:

খেলার স্থান (মাঠ), তারিখ ও সময় টুর্নামেন্ট কমিটি নির্ধারণ করবে।

১৭. ভাতা:

জেলা, বিভাগ ও জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী দলসমূহকে টুর্নামেন্ট কমিটি কর্তৃক প্রতি খেলার জন্য দুরত্ব বিবেচনায় নির্ধারিত হারে এককালীন অনুদান প্রদান করা হবে। খেলা চলাকালীন কোনো দল খেলায় বিরত থাকলে উক্ত দল কোনো টিএ/ডিএ প্রাপ্য হবে না।

১৮. অংশগ্রহণের ব্যর্থতা:

১৮.১ কোনো দল খেলা শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাঠে উপস্থিত না থাকলে রেফারী ১৫মিনিট অপেক্ষা করে উপস্থিত দলকে বিজয়ী ঘোষণা করবেন।

১৮.২ কোনো দল নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে ইচ্ছাকৃতভাবে খেলায় অংশগ্রহণ না করলে উক্ত বিদ্যালয় দলের ক্ষেত্রে শিক্ষকগণ এবং ইউনিয়ন ও পৌরসভা এবং উপজেলা/থানা দলের ক্ষেত্রে সংশিষ্ট কমিটি দায়ী থাকবে।

১৯. চূড়ান্ত খেলায় স্থান নির্ধারণ:

প্রতিযোগিতার কোনো পর্যায়ে কোনো অবস্থাতেই চূড়ান্ত খেলায় যুগ্ম-চ্যাম্পিয়নশীপ থাকবে না। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা অমিমাংসিত থাকলে সেক্ষেত্রে টাইব্রেকার এর মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে।

২০. শৃঙ্খলা উপ-কমিটি: প্রত্যেক পর্যায়ে টুর্নামেন্ট কমিটি ৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট একটি শৃংখলা উপ-কমিটি গঠন করবে। শৃংখলা উপ-কমিটি খেলোয়াড়/কর্মকর্তা/দল ও রেফারীদের ভূমিকা/আচরণ পর্যবেক্ষণ করবে এবং নিম্নরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

২০.১ খেলা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সংগঠিত অপরাধের বিষয়ে নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ;

২০.২ খেলা শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনে ৬ ঘন্টার মধ্যে নিয়ম লংঘনকারীর বিরুদ্ধে গ্রহণ করবে;

২০.৩ খেলা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং সংগঠিত অপরাধের বিষয়ে নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযাযী ব্যবস্থা গ্রহণ;

২০.৪ খেলা শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনে ৬ ঘন্টার মধ্যে নিয়ম লংঘনকারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে;

২০.৫ উপ-কমিটি কোনো খেলোয়াড়কে টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময় পর্যন্ত খেলা থেকে বিরত রাখতে পারবে। যদি উপ-কমিটি এ ব্যাপারে অধিকতর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন মনে করে তাহলে টুর্নামেন্ট কমিটির নিকট সুপারিশ প্রেরণ করবে।

২১. অভিযোগ/আপত্তি:

খেলা প্রসঙ্গে অভিযোগ/ আপত্তি থাকলে খেলা শেষ হওয়ার ১ (এক) ঘন্টার মধ্যে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা অফেরতযোগ্য কিসহ প্রতিযোগিতার টুর্নামেন্ট শৃংখলা উপ-কমিটির সভাপতি অথবা সদস্য-সচিব বরাবরে লিখিত অভিযোগ/আপত্তি দাখিল করতে হবে। এক্ষেত্রে শৃংখলা উপকমিটি সিদ্ধান্ত নিবে।

২২. আপীল:

শৃংখলা উপ-কমিটির সিদ্ধান্তের বিষয়ে কোনো আপত্তি/আপীল থাকলে লিখিতভাবে সংশিষ্ট টুর্নামেন্ট কমিটির কাছে ১২ ঘন্টার মধ্যে দাখিল করতে হবে। টুনামেন্ট কমিটি ১২ ঘন্টার মধ্যে আপত্তি/আপীল বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবে। এ বিষয়ে টুর্নামেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ন্ত বলে গণ্য হবে।

২৩. ম্যাচ কমিশনার:

প্রত্যেক খেলায় একজন ম্যাচ কমিশনার নিয়োজিত থাকবেন। টুর্নামেন্ট কমিটি ফুটবল খেলায় অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে ম্যাচ কমিশনার নিয়োগ করবে। তিনি নিম্নলিখিত দায়িত্বসমূহ পালন করবেন:

২৩.১ খেলার সময় মাঠে খেলোয়াড়, কোচ, রেফারী, সমর্থক, কর্মকর্তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ;

২৩.২ বিভিন্ন তথ্য ও সমস্যা সুপারিশসহ নির্ধারিত ফরমে খেলা সংক্রান্ত প্রতিবেদন টুর্নামেন্ট-এর সদস্য সচিবের নিকট প্রেরণ করবেন।

২৪. পাতানো খেলা:

কোনো দল পাতানো খেলায় অংশগ্রহণ করলে এবং তা শৃংখলা উপ-কমিটি কর্তৃক সনাক্ত হলে টুর্নামেন্ট কমিটি ঐ দল/দলসমূহকে ০২ (দুই) বছরের জন্য এ টুর্নামেন্টের সকল খেলা থেকে বহিস্কার করতে পারবে।

২৫. টুর্নামেন্ট এর পুরস্কার:

২৫.১ জাতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত খেলার বিজয়ী (চ্যাম্পিয়ান), বিজিত (রানার আপ) ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে যথাক্রমে গোল্ডকাপ, সিলভার কাপ ও ব্রোঞ্জ কাপ প্রদান করা হবে;

২৫.২ টুর্নামেন্ট কমিটি প্রতিটি পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলকে স্থানীয়ভাবে ক্রেস্ট, মেডেল প্রদান করতে পারবে;

২৫.৩ চ্যাম্পিয়ন, রানার আপ দলকে ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলের সকল খেলোয়াড়কে মেডেল দেয়া হবে;

২৫.৪ শ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় এবং সর্বোচ্চ গোলদাতাকেও মেডেল দেয়া হবে।

২৬. টুর্নামেন্ট এর কাপ:

২৬.১ জাতীয়ভাবে চ্যাম্পিয়ন দলকে খেলার শেষে গোল্ডেন কাপ হাতে দেয়া হবে। অতঃপর গোল্ডেন কাপ ফেরত নিয়ে কাপ-এর রেপ্লিকা প্রদান করা হবে;

২৬.২ রানার আপ দলকে সিলভার কাপ-এর রেপ্লিকা প্রদান করা হবে;

২৬.৩ তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে ব্রোঞ্জ কাপ-এর রেপ্লিকা প্রদান করা হবে;

২৬.৪ তিনটি দলকে আর্থিক পুরস্কারও দেয়া যেতে পারে;

২৬.৫ কোনো দল পরপর তিনবার চ্যাম্পিয়ন/রানার আপ হলে যথাক্রমে গোল্ড কাপ ও সিলভার কাপ প্রদান।

২৭. খেলা স্থগিত/পরিত্যক্ত:

প্রাকৃতিক দুর্যোগ/প্রতিকূল আবহাওয়া/অতিবৃষ্টি/দুর্ঘটনা/মাঠের বাহিরে বা ভিতরে গোলযোগের কারণে খেলা না হলে রেফারী ৩০ মিনিট পর্যন্ত সাময়িকভাবে খেলা বন্ধ রাখতে পারবেন। এর পরও যদি খেলা পরিচালনা করা সম্ভব না হয় তবে রেফারী শেষ বাঁশি বাজিয়ে খেলা স্থগিত/পরিতাক্ত ঘোষণা করবেন যা পরবর্তী দিবসের নির্ধারিত খেলার আগেই টুর্নামেন্ট কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। এ ব্যাপারে উভয় দলকে ঐদিন (বাতিলকৃত খেলার দিন) জানিয়ে দেয়া হবে;

২৭.১ যদি কোনো দল নির্ধারিত খেলায় অংশগ্রহণে বিরত থাকে তাহলে সে দল প্রতিযোগিতা হতে সরাসরি বাতিল হয়ে যাবে। এরূপক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে;

২৭.২ যদি কোনো দল পূর্ণ সময় পর্যন্ত খেলতে অসম্মতি জ্ঞাপন করে এবং খেলা শেষ হওয়ার পূর্বে খেলার মাঠ পরিত্যাগ করে অথবা মাঠে অবস্থান করে রেফারীর আদেশ অমান্য করে, খেলায় অংশগ্রহণ করা হতে বিরত থাকে বা খেলা পরিচালনার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে তাহলে সে দলকে টুর্নামেন্ট হতে বহিষ্কার করা হবে। পাশাপাশি অপর দলকে বিজয়ী ঘোষনা করা হবে;

৩২

২৩.৩ কোনো দল পূর্ণ সময় পর্যন্ত খেলতে অসম্মতি জ্ঞাপন করলে টিএ/ডিএ সহ কোনো আর্থিক সুবিধা পাবে না।

২৮. তহবিল ও হিসাব:

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট তহবিল নামে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি তহবিল গঠিত হবে। সরকারী/ বেসরকারী অনুদানের মাধ্যমে এ তহবিল গঠিত হবে এবং টুর্নামেন্টের কাজে এ তহবিল ব্যয় করা যাবে। স্টিয়ারিং কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতি ও নিয়মে তহবিলের একটি ব্যয় হিসাব থাকবে এবং তা পরিচালিত হবে।

২৯. বিবিধ: টুর্নামেন্ট কমিটি নিম্নলিখিত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে:

২৯.১ শিশুদের উপযোগী বল-এর ব্যবস্থা করণ, এক্ষেত্রে বলের সাইজ ৪ নম্বর অথবা ডি.আর সাইজ ও নম্বর হবে;

২৯.২ প্রতিযোগিতার মাঠে ২-৩ টা বল সরবরাহকরণ;

২৯.৩ গোলবারের পিছনে অবশ্যই নেট স্থাপন।

৩০. পৃষ্ঠপোষকতা:

টুর্নামেন্ট কমিটি সমূহ নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে খেলা পরিচালনায় পৃষ্ঠপোষকতা ও আর্থিক অনুদান সংগ্রহ করতে পারবে।

৩১. সংশোধন:

টুর্নামেন্ট সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনবোধে জাতীয় টুর্নামেন্ট কমিটি এ নীতিমালার সঙ্গে সংগতি রেখে যেকোনো নিয়ম কানুন সংশোধন/সংযোজন/পরিবর্তন/পরিবর্ধন করতে পারবে।

৩২. শৃংখলা সম্পর্কীয় অপরাধ ও শান্তি:

নিম্নলিখিত অপরাধের জন্য শৃংখলা উপকমিটি কর্তৃক

নিম্নরূণ শাস্তি প্রদান করা যাবে:

৩৩. কার্যকর ও রহিতকরণ:

৩৩.১ এ নীতিমালা জারির তারিখ থেকে সকল পর্যায়ে কার্যকর হবে। এ নীতিমালা প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) এর সকল পর্যায়ের খেলায় প্রযোজ্য হবে। এবং এ নীতিমালা জারির পূর্বে জারিকৃত এতদসংক্রান্ত সংক্রান্ত সকল নীতিমালা/নির্দেশিকা রহিত বলে গণ্য হবে;

৩৩.২ জারিকৃত নীতিমালার কোন অংশ/অনুচ্ছেদ এর বিষয়ে অস্পষ্টতা থাকলে বা কোনো ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় তা স্পষ্টীকরণ করবে।

৩৪. নীতিমালার রহিতকরণ এবং হেফাজত:

এ নীতিমালা জারির পূর্বে জারিকৃত নীতিমালাসমূহের (বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট নীতিমালা ২০১১) আওতায় প্রদেয় সকল বৈধতা যথারীতি বজায় থাকবে।



সম্পুর্ণ পিডিএফ ডাউনলোড


No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.