ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা চাইল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তালিকা চাইল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামত-সংস্কার: ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের তালিকা চাইল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
নিজস্ব প্রতিবেদক:
২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন জেলার ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের তালিকা চেয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
এ লক্ষ্যে অধিদপ্তরের সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা থেকে ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে স্মারক নং: ৩৮.০১.০০০০.১৫২.০২০.৩৬৪.২০২৫-১৪ জারি করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) মোঃ মাহবুবুর রহমান বিল্লাহ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত-সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০ মে ২০১৩ তারিখের জারিকৃত নীতিমালার নির্ধারিত বিধান অনুসরণ করতে হবে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নীতিমালার ক্রমিক নং ১(২), ১(৩), ১(৪), ১(৭) ও ১(৮) অনুসরণপূর্বক এমন বিদ্যালয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, যেগুলো গত তিন বছরে বিভিন্ন খাত থেকে কোনো ধরনের মেরামত বা সংস্কার সুবিধা পায়নি।
এ ক্ষেত্রে অধিক ক্ষতিগ্রস্ত, মধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত, স্বল্প ক্ষতিগ্রস্ত এবং সাধারণ সংস্কার প্রয়োজন—এমন বিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।
প্রতিটি উপজেলা থেকে ৩০টি বিদ্যালয়ের তালিকা
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি উপজেলা বা থানা থেকে সর্বোচ্চ ৩০টি বিদ্যালয়ের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার সব উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিস থেকে তালিকা সংগ্রহ করে জেলা পর্যায়ে একত্রিত করে মূল কপি (Original Copy) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।
তালিকায় যেসব তথ্য থাকবে
প্রেরিত তালিকায় নিম্নোক্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—
অগ্রাধিকার ভিত্তিক ক্রমিক নম্বর
বিদ্যালয়ের নাম
এমআইএস (MIS) কোড নম্বর
ইউনিয়নের নাম
মেরামতের ধরন (অধিক, মধ্যম, স্বল্প বা সাধারণ সংস্কার)
প্রাক্কলিত ব্যয়ের পরিমাণ
প্রয়োজনীয় মন্তব্য
এছাড়া তালিকায় সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বাক্ষর ও সীল থাকতে হবে।
৩০ জুলাইয়ের মধ্যে তালিকা পাঠানোর নির্দেশ
চিঠিতে জেলার আওতাধীন সকল উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আগামী ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে মূল কপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর সঙ্গে ২০১৩ সালের প্রযোজ্য মেরামত-সংস্কার নীতিমালার একটি কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এ উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারবঞ্চিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় মেরামত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
www.dpe.gov.bd
স্মারক নং ৩৮.০১.০০০০.১৫২.০২০.৩৬৪.২০২৫-১৪
তারিখঃ ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৭ জুলাই ২০২৬
বিষয়ঃ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামত-সংস্কারের লক্ষ্যে তালিকা প্রেরণ সংক্রান্ত
উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে নির্দেশক্রমে জানানো যাচ্ছে যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচালন বাজেটের আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামত-সংস্কারের লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র নং ৩৮.০০৬.০২০.০৭,০০, ০৪৫.২০০৯-১৩৮, তারিখঃ ২০ মে ২০১৩ এর নীতিমালার ক্রমিক নং ১(২), ১(৩), ১(৪), ১(৭), ১(৮) অনুসরণপূর্বক বিগত ০৩(তিন) বছরে বিভিন্ন খাত হতে মেরামত-সংস্কার কাজ হয়নি এমন অধিক ক্ষতিগ্রস্ত/মধ্যম ক্ষতিগ্রস্ত/স্বল্প ক্ষতিগ্রস্ত/সাধারণ সংস্কার মেরামতযোগ্য বিদ্যালয়ের নামের তালিকা (প্রতিটি উপজেলা/থানায় ৩০টি বিদ্যালয়) নিম্নের ছকে তাঁর জেলাধীন সকল উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিস হতে সংগ্রহপূর্বক একত্র করে মূল কপি (Original copy) আগামী ৩০ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে এ অধিদপ্তরে প্রেরণের অনুরোধ করা হলো:
ছক
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্রমিক নং
বিদ্যালয়ের নাম
এমআইএস কোড নং
ইউনিয়নের নাম
মেরামতের ধরন অধিক/মধ্যম/স্বল্প/সাধারণ সংস্কার
প্রাক্কলনে
টাকার পরিমাণ
মন্তব্য
স্বাক্ষর ও সীল
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
স্বাক্ষর ও সীল
উপজেলা প্রকৌশলী, এলজিইডি
স্বাক্ষর ও সীল
উপজেলা নির্বাহী অফিস।
সংযুক্তিঃ নীতিমালা এক প্রস্থ।
স্বাক্ষরিত
মোঃ মাহবুবুর রহমান বিল্লাহ
পরিচালক (অর্থ)।

No comments
Your opinion here...