ad

লেইস প্রকল্পের প্রশিক্ষণে শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণের নির্দেশ

Views

 


লেইস প্রকল্পের প্রশিক্ষণে শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে আয়োজিত বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে মনোনীত শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে অংশগ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মাউশির লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্ট থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিঠির স্মারক নম্বর মাউশি/লেইস/০১-০৩/প্রযো/২০১৪/১৬৮৩ এবং তারিখ ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিঠিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় গৃহীত লেইস প্রকল্পটি অক্টোবর ২০২৩ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২৮ মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির অন্যতম লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা, শিক্ষার্থীদের ধরে রাখার হার বৃদ্ধি, শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সহনক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

যেসব প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে

লেইস প্রকল্পের আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট জনবলের জন্য বিভিন্ন মেয়াদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে—

  1. শিক্ষকদের জন্য মনোসামাজিক প্রাথমিক সহায়তা (Psychological First Aid) প্রশিক্ষণ — ১২ দিন

  2. শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ — ৪২ দিন

  3. নবীন শিক্ষকদের বেসিক প্রশিক্ষণ — ৫৬ দিন

  4. প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য লিডারশিপ ট্রেনিং — ২১ দিন

  5. ব্লেন্ডেড লার্নিং বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ — ১২ দিন

  6. আইসিটি শিক্ষকদের জন্য AI Focused আইটি প্রশিক্ষণ — ৩০ দিন

  7. জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রস্তুতি সংক্রান্ত শিক্ষক প্রশিক্ষণ — ১০ দিন

  8. ভোকেশনাল ধারায় কর্মরত ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর/ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টদের ভোকেশনাল ট্রেনিং — ১০ দিন

  9. লাইব্রেরিয়ানদের প্রশিক্ষণ — ৬ দিন।

এসব প্রশিক্ষণ টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রশিক্ষণে যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ

মাউশির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এসব প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা প্রশিক্ষণের জন্য মনোনীত শিক্ষকদের যোগদানে নিরুৎসাহিত করছেন কিংবা ছাড়পত্র দিতে অপারগতা প্রকাশ করছেন।

এছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণে মনোনীত শিক্ষক নিজেরাই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন। মাউশির মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারের নির্দেশনার পরিপন্থী।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে

চিঠিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক পর্যায়ের নবীন শিক্ষকদের আধুনিক শিখন-তত্ত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া, হাতে-কলমে কার্যকর শিখন-শেখানো কৌশল রপ্ত করানো, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত শিক্ষাদানে দক্ষ করে তোলা এবং শিখন-শেখানোর কাজে সমসাময়িক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ব্যবহারের সক্ষমতা তৈরির লক্ষ্যে এসব প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে।

পাশাপাশি বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নেতৃত্বগুণ বৃদ্ধিও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। এসব কার্যক্রম টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG-4)-এর গুণগত শিক্ষা অর্জনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুপস্থিত থাকলে ব্যবস্থা

মাউশি জানিয়েছে, লেইস প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত প্রশিক্ষণগুলো মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকগণের দক্ষতা বৃদ্ধিতে একটি অগ্রাধিকার বা Flagship কর্মসূচি। তাই প্রশিক্ষণে মনোনীত শিক্ষকদের অনিবার্য কারণ ছাড়া অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার সুযোগ নেই।

চিঠিতে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিসমূহ বাস্তবায়ন ও SDG-4 অর্জনের লক্ষ্যে অনিবার্য কারণ ছাড়া মনোনীত শিক্ষকদের বাধ্যতামূলকভাবে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের এ নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ ও বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

মাউশির স্পষ্ট বার্তা হলো—যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া লেইস প্রকল্পের প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

শিক্ষা মন্ত্রণালয়

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর

লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্ট

স্মারক নং: মাউশি/লেইস/০১-০৩/প্রযো/২০১৪/১৬৮৩

তারিখঃ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ০৫) সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিষয়: লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্ট এর আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকগণের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণসমূহে বাধ্যতামূলক অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে।

উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় গৃহীত লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস) প্রজেক্টটি অক্টোবর ২০২৩ হতে সেপ্টেম্বর ২০২৮ মেয়াদে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিতকরণ ও ধরে রাখার হার বৃদ্ধি; মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকগণের দক্ষতা উন্নয়ন; এবং মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা (secondary systems)ও সহনক্ষমতা (resilience) উন্নয়ন। বর্তমান সরকারের ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতি সমূহ পূরণের লক্ষ্যে লেইস প্রকল্পে গৃহীত কর্মসূচীসমূহ বাস্তবায়ন আবশ্যক। লেইস প্রকল্পের অন্যতম কর্মসূচি হচ্ছে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষকগণের জন্য বিভিন্ন ধরনের দীর্ঘমেয়াদী ও মধ্যমেয়াদী বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের দক্ষতার স্থায়ী ও কার্যকর উন্নয়ন সাধন।

০২। লেইস প্রজেক্টের আওতায় সংস্থানকৃত প্রশিক্ষণসমূহের মধ্যে অন্যতম প্রধান প্রশিক্ষন কর্মসূচি নিম্নরূপ:

প্রশিক্ষণের নামঃ ১)  শিক্ষকদের জন্য মনোসামাজিক প্রাথমিক সহায়তা

(Psychological First Aid) বিষয়ক প্রশিক্ষণ। 

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ১২ দিন

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

২) শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ৪২

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

৩. নবীন শিক্ষকদের বেসিক প্রশিক্ষণ

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ  ৫৬

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

৪. প্রতিষ্ঠান প্রধানগণের জন্য লিডারশিপ ট্রেনিং

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ২১

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

৫. ব্লেন্ডেড লার্নিং বিষয়ক শিক্ষক প্রশিক্ষণ

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ১২

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

৬. আইসিটি শিক্ষকদের জন্য আইটি প্রশিক্ষণ (AI Focused)

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ৩০

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

৭. জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে প্রস্তুতি সংক্রান্ত শিক্ষক প্রশিক্ষণ

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ১০

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

৮. মাধ্যমিক পর্যায়ে ভোকেশনাল ধারায় কর্মরত ট্রেড ইনস্ট্রাক্টর/ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্টগণের ভোকেশনাল ট্রেনিং

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ১০

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

৯. লাইব্রেরিয়ানদের প্রশিক্ষণ

প্রশিক্ষণের মেয়াদ (দিন)ঃ ৬

ভেন্যুঃ  টিটিসি, এইচএসটিটিআই, বিএমটিটিআই এবং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য ভেন্যু।

০৩। মাধ্যমিক পর্যায়ের নবীন শিক্ষকগণকে আধুনিক শিখন-তত্ত্ব সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান, হাতে-কলমে কার্যকর শিখন-শেখানো কৌশল রপ্ত করানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানসম্মত শিক্ষাদানে অভ্যন্তকরণ, শিখন-শেখানোর কাজে সমসাময়িক আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স এর ব্যবহার, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণের নেতৃত্বগুণের উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্ণিত প্রশিক্ষণসমূহ আয়োজিত হচ্ছে, যা SDG-4 এর গুণগত শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকগণের দক্ষতা বৃদ্ধিকরণে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত একটি অগ্রাধিকার (Flagship) কর্মসূচি।

০৪। বর্ণিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় দশ হাজার শিক্ষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এটি পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ মনোনীত শিক্ষকগণকে প্রশিক্ষণে যোগদানে নিরুৎসাহিত করছেন অথবা ছাড়পত্র প্রদানে অপারগতা প্রকাশ করছেন। ক্ষেত্রবিশেষে প্রশিক্ষণে মনোনীত শিক্ষকগণ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন যা সরকারের নির্দেশনার পরিপন্থী।

০৫। এমতাবস্থায়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিসমূহ পূরণ ও SDG-4 অর্জনের লক্ষ্যে লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রজেক্টের আওতায় আয়োজিত প্রশিক্ষণসমূহে মনোনীত মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকগণকে অনিবার্য কারণ ব্যতিরেকে বাধ্যতামূলকভাবে অংশগ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো। উক্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং বাস্তবায়ন করার জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মাঠ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে অনুরোধ করা হলো। উল্লেখ্য, যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতিরেকে লেইস প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করলে কর্তৃপক্ষ বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

স্বাক্ষরিত

প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল

 মহাপরিচালক 

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর।











No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.