ad

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল চ্যালেঞ্জ করবেন? আবেদন পদ্ধতি ও নতুন নিয়ম জানুন

Views



প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল চ্যালেঞ্জ করবেন? আবেদন পদ্ধতি ও নতুন নিয়ম জানুন

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের নিয়ম প্রকাশ: ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন, প্রতি বিষয়ে ফি ৩০০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬-এর আলোকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণ (খাতা চ্যালেঞ্জ) সংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়ম ও শর্তাবলি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো পরীক্ষার্থী বা অভিভাবক ফলাফলে সন্তুষ্ট না হলে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন করে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ পাবেন। তবে এই পুনঃনিরীক্ষা কেবল নম্বর গণনা, ওএমআর (OMR) শিটের যান্ত্রিক বা পদ্ধতিগত ত্রুটি এবং মূল্যায়ন বাদ পড়েছে কি না—এসব বিষয় যাচাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন (Re-evaluation) করা হবে না।

নীতিমালা অনুযায়ী, সাধারণ ক্ষেত্রে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সর্বোচ্চ ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে হবে। তবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর জন্য বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফলাফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হবে।

আবেদনকারীকে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের যৌক্তিকতা উল্লেখ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা বরাবর আবেদন জমা দিতে হবে।

আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বিষয়ের জন্য ৩০০ (তিনশত) টাকা। এই অর্থ সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালকের অনুকূলে অফেরতযোগ্য ব্যাংক ড্রাফট অথবা সরকার নির্ধারিত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, পুনঃনিরীক্ষণের সময় কেবল তিনটি বিষয় যাচাই করা হবে। এগুলো হলো—প্রাপ্ত নম্বরের গণনায় কোনো ভুল হয়েছে কি না, ওএমআর শিটে কোনো যান্ত্রিক বা পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে কি না এবং কোনো প্রশ্নের উত্তর মূল্যায়ন না হয়ে বাদ পড়েছে কি না। অর্থাৎ, পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়ন বা নম্বর পুনর্নির্ধারণের কোনো সুযোগ থাকবে না।

পুনঃনিরীক্ষণ কার্যক্রমের জন্যও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন গ্রহণের শেষ তারিখ থেকে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক তাঁর বিভাগের দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষক বা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

পুনঃনিরীক্ষা শেষে সংশোধিত ফলাফল বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হবে। পরে অধিদপ্তরের তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ কেন্দ্রীয় সফটওয়্যার IPEMIS-এ সংশোধিত তথ্য দ্রুত আপডেট করবে। সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বিভাগীয় উপপরিচালক আনুষ্ঠানিকভাবে সংশোধিত ও চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই নির্দেশনাগুলো প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬-এর অনুচ্ছেদ ৪২ এবং সংশ্লিষ্ট উপ-অনুচ্ছেদ ১২.৯.২ ও ১২.৯.৩-এর আলোকে প্রস্তুত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশের পর নম্বর গণনা বা প্রযুক্তিগত ত্রুটিজনিত সম্ভাব্য ভুল সংশোধনের একটি নির্ধারিত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরও নির্ধারিত সময়সীমা ও শর্তাবলি মেনে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রয়োজনে আমি এই সংবাদটির টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট, অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টাইল, প্রেস রিলিজ, অথবা ইউটিউব সংবাদ স্ক্রিপ্ট সংস্করণও তৈরি করে দিতে পারি।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা - ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের নিয়ম ও শর্তাবলি

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬-এর আলোকে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী বা অভিভাবক ফলাফলে সন্তুষ্ট না হলে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের (খাতা চ্যালেঞ্জ) জন্য আবেদন করতে পারবেন। নীতিমালার আলোকে পুনঃনিরীক্ষণ সংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়ম ও শর্তাবলি নিচে প্রদান করা হলো:

|

১. আবেদনের সময়সীমা ও কর্তৃপক্ষ

সাধারণ সময়সীমা: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর সর্বোচ্চ ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে আবেদ সম্পন্ন করতে হবে।

বিশেষ নির্দেশনা (২০২৫ সালের পরীক্ষা): প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫-এর বিশেষ ক্ষেত্রে ফলাফল প্রকাশের (সাত) দিনের মধ্যে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার আবেদন দাখিল করতে হবে।

আবেদন গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ: উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার যৌক্তিকতা প্রদর্শনপূর্বক যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংশ্লি বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা বরাবর আবেদন করতে হবে।

২. আবেদন ফি ও জমা দান পদ্ধতি

ফি-এর হার: প্রতি বিষয়ের উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৩০০/- (তিনশত) টাকা আবেদন ফি প্রযোজ্য হবে।

পরিশোধ পদ্ধতি: এই ফি সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালকের অনুকূলে ব্যাংক ড্রাফট (অফেরতযোগ্য) অথবা নির্ধারিত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

|৩. পুনঃনিরীক্ষণের পরিধি ও সীমাবদ্ধতা

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা: নীতিমালার বিধি অনুযায়ী, উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন কেবল প্রাপ্ত নম্বরের গণনা, ওএমআর (OMR) শিটের যান্ত্রিক বা পদ্ধতিগত ত্রুটি এবং কোনো প্রশ্নের উত্তর মূল্যায়ন না হয়ে বাদ পড়েছে কি না তা যাচাই করার জন্য কার্যকর হবে।

কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র নতুন করে মূল্যায়ন বা পুনঃমূল্যায়ন (Re-evaluation) করা হবে না।

|৪. ফলাফল নিষ্পত্তি ও প্রকাশ প্রক্রিয়া

1. কার্যক্রম সম্পন্নকরণ: আবেদন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ হতে পরবর্তী ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা তাঁর বিভাগের এ কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষক/কর্মকর্তা নিয়োগ করে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন।

2. অধিদপ্তরে প্রেরণ: নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ হওয়ার সাথে সাথে সংশোধিত ফলাফল বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় হতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে।

3. সফটওয়্যার আপডেট: বিভাগীয় উপপরিচালক হতে প্রাপ্ত সংশোধিত ফলাফল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ তাদের কেন্দ্রীয় সফটওয়্যারে (IPEMIS) দ্রুত আপলোড ও সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

4. চূড়ান্ত প্রকাশ: সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধিত ও চূড়ান্ত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবেন।

* এই নির্দেশিকাটি প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬-এর অনুচ্ছেদ ৪২ এবং সংশ্লিষ্ট উপ-অনুচ্ছেদসমূহের (১২.৯.২, ১২.৯.৩) আলোকে প্রস্তুতকৃত।




No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.