জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬: মাঠ পর্যায়ে ৩০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬: মাঠ পর্যায়ে ৩০ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ
সংবাদ প্রতিবেদন:
ঢাকা, ৫ মে ২০২৬: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে দেশের মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরে মোট ৩০ কোটি ৩ লক্ষ ৮২ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ ও মঞ্জুরী প্রদান করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। সম্প্রতি অধিদপ্তরের অর্থ-রাজস্ব বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মিরপুরস্থ প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা স্মারকে বলা হয়েছে, দেশের উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং বিভাগীয় উপপরিচালকদের অনুকূলে এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাদের এই অর্থ ব্যয়ের ক্ষমতাও প্রদান করা হয়েছে।
বরাদ্দের খাতভিত্তিক বিবরণ অনুযায়ী—
দেশের ৬৫ হাজার ৫৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রতিটিতে ৪ হাজার টাকা হারে মোট ২৬ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
৪ হাজার ৯৩৫টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার জন্য প্রতিটিতে ৫ হাজার ২০০ টাকা হারে মোট দুই কোটি ছাপ্পান্ন লক্ষ ৬২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৫১৬টি উপজেলা ও থানার জন্য প্রতিটিতে ২৪ হাজার ২০০ টাকা হারে মোট ১ কোটি ২৪ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
৬৪টি জেলার জন্য প্রতিটিতে ৭১ হাজার ৫০০ টাকা হারে মোট ৪৫ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এছাড়া ৮টি বিভাগের জন্য প্রতিটিতে ১ লাখ ৩০ হাজার ৬২৫ টাকা হারে মোট ১০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই অর্থ ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের নির্ধারিত কোডের আওতায় “অনুষ্ঠান/উৎসবাদি” খাত থেকে ব্যয় করা হবে। iBAS++ পদ্ধতির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অনুমোদিত ব্যয় সম্পন্ন করবেন।
এছাড়া বরাদ্দের ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—এই অর্থ শুধুমাত্র জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬ পরিচালনার কাজে ব্যয় করতে হবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন। পাশাপাশি, অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
উল্লেখ্য, এই বরাদ্দ প্রদানের বিষয়ে মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।
www.dpe.gov.bd
স্মারক নং ৩৮.০১.০০০০.১৫২.০২০.৪৮.২০২০-১৫৩২
তারিখ: ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ ৩ মে ২০২৬
বিষয়ঃ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬ পরিচালনার জন্য মাঠ পর্যায়ের দপ্তরসমূহে বরাদ্দ ও মঞ্জুরী প্রদান
সূত্রঃ
ক) স্মারক নং ৩৮.০০.০০০০.০০০.০০৬.২০.০০০১.২৫-১৩৬, তারিখঃ ২৬ এপ্রিল ২০২৬খ্রিঃ;
খ) স্মারক নং ৩৮.০১.০০০০.১৪৩.১১.০০১.২৪.২৬-২৭২, তারিখঃ ০৫.০৩.২০২৬খ্রিঃ;
উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬ পরিচালনার জন্য মোট ৩০,৬০,৩৮,২০০/- (ত্রিশ কোটি ষাট লক্ষ আটত্রিশ হাজার দুইশত) টাকা সংযুক্ত বিভাজন ও নিম্নবর্ণিত শর্তে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা বরাবর বরাদ্দ ও মঞ্জুরী প্রদান করা হলো। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাগণকে উল্লিখিত অর্থ ব্যয় করার ক্ষমতা প্রদান করা হল।
প্রস্তাবিত ব্যয়ের বিবরণঃ
১) ৬৫৫৬৭টি বিদ্যালয়ের জন্য থোক বরাদ্দ ৪০০০/- টাকা হারে
প্রস্তাবিত বরাদ্দের পরিমাণঃ ২৬২২৬৮০০০
২) ৪৯৩৫টি ইউনিয়ন/ পৌরসভার জন্য থোক বরাদ্দ ৫২০০/-টাকা হারে
প্রস্তাবিত বরাদ্দের পরিমাণঃ ২৫৬৬২০০০
৩) ৫১৬টি উপজেলা/থানার জন্য থোক বরাদ্দ ২৪২০০/- টাকা হারে
প্রস্তাবিত বরাদ্দের পরিমাণঃ ১২৪৮৭২০০
৪) ৬৪টি জেলার জন্য থোক বরাদ্দ ৭১৫০০/-টাকা হারে
প্রস্তাবিত বরাদ্দের পরিমাণঃ ৪৫৭৬০০০
৫) ৮টি বিভাগের জন্য থোক বরাদ্দ ১৩০৬২৫/- টাকা হারে
প্রস্তাবিত বরাদ্দের পরিমাণঃ ১০৪৫০০০
মোটঃ ৩০৬০৩৮২০০
(কথায়ঃ ত্রিশ কোটি ষাট লক্ষ আটত্রিশ হাজার দুইশত টাকা মাত্র)
শর্তাবলীঃ
ক. এ ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত পরিচালন বাজেটের প্রাতিষ্ঠানিক কোড ১২৪০২০১১০৭৫২৯ প্রধান কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, সাধারণ কার্যক্রম এর ৩২৫৭৩০১ অনুষ্ঠান/উৎসবাদি খাতে বরাদ্দকৃত ৭১,৩৬,১৫,২৯০/- (একাত্তর কোটি ছত্রিশ লক্ষ পনেরো হাজার দুইশত নব্বই) টাকা হতে মিটানো হবে;
খ. ২০২৫-২৬ অর্থবছরে iBAS++ এর Authorization DDO এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাগণ ব্যয় করতে পারবেন;
গ. এ অর্থ সরকারি বিধি মোতাবেক ব্যয় করতে হবে। এ অর্থ হতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা ২০২৬ পরিচালনা ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে অর্থ ব্যয় করা যাবে না। যে কোন প্রকার অনিয়মিত ব্যয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন;
ঘ. অব্যয়িত অর্থ ৩০ জুন ২০২৬ এর মধ্যে সমর্পণ করতে হবে।
২। এতে মহাপরিচালক মহোদয়ের সদয় অনুমোদন রয়েছে।
সংযুক্তঃ ..... পাতা।
স্বাক্ষরিত
সেলিনা আখতার সহকারী পরিচালক -
অর্থ-রাজস্ব, অর্থ বিভাগ।



No comments
Your opinion here...