ad

কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি স্কুলের তথ্য ঘাটতি, বই সরবরাহে অনিশ্চয়তা

Views

 


কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি স্কুলের তথ্য ঘাটতি, বই সরবরাহে অনিশ্চয়তা

IPEMIS-এ তথ্য হালনাগাদে গাফিলতি: কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণে শঙ্কা, দায়ী হবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা

সংবাদ প্রতিবেদন:
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর তথ্য হালনাগাদে অবহেলার কারণে ভবিষ্যতে পাঠ্যপুস্তক বিতরণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অবহেলা করলে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকার কথাও জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বলা হয়, অনলাইনে পাঠ্যপুস্তকের সঠিক চাহিদা নিরূপণের জন্য দেশের প্রতিটি উপজেলা ও থানার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য IPEMIS সফটওয়্যারে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে ২০২৬ সালের ১৪ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তথ্য এন্ট্রি ও অনুমোদনের জন্য পূর্বে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহায়তায় সংগৃহীত শিক্ষার্থী তথ্য এবং ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে বিতরণকৃত পাঠ্যপুস্তকের পরিসংখ্যান যাচাই-বাছাই করে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা ইতোমধ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) পাঠানো হয়েছে। তবে একাধিক তাগিদ সত্ত্বেও দেশের অনেক উপজেলায় এখনও কিছু কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তাদের প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর তথ্য IPEMIS-এ এন্ট্রি বা হালনাগাদ করেনি।

এ প্রেক্ষাপটে নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্যও পাঠ্যপুস্তক বিতরণ নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কোড ব্যবহার করে দ্রুত তথ্য এন্ট্রি ও অনুমোদনের ব্যবস্থা নিতে হবে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত তথ্য সময়মতো হালনাগাদ না করার ফলে যদি পাঠ্যপুস্তক বিতরণে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়, তাহলে তার দায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগতভাবে বহন করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিষয়টিকে “অতীব জরুরি” হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

সেকশন ২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬

স্মারক নম্বর: ৩৮.০১.০০০০,০০০,৩০০,২৩,০০০৭.২৬-৫৬/৫১৬ (৭৫)

বিষয়: কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সুবিধার্থে IPEMIS সফটওয়্যারে বিদ্যালয় কোড ব্যবহার করে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থী তথ্য এন্ট্রি/হালনাগাদকরণ

সূত্রঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্মারক নম্বর ৩৮.০০.০০০০,০০০,০০৫.০৬.০০০৫.১৭.৫১৩; তারিখ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬

উপর্যুক্ত বিষয়ে সূত্রোক্ত স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, অনলাইনে পাঠ্যপুস্তকের সঠিক চাহিদা নিরূপণের নিমিত্ত প্রতিটি উপজেলা/থানার সকল ধরণের প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং উক্ত বিদ্যালয়/প্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থী তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের IPEMIS সফটওয়্যারে ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ হ'তে ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ এর মধ্যে এন্ট্রি ও অনুমোদনের জন্য পত্র প্রেরণ করা হয়। এছাড়াও, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক তথ্যসহ বিদ্যালয়ের যেকোন তথ্য বছরব্যাপী IPEMIS সফটওয়্যারে এন্ট্রি/হালনাগাদের সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহায়তায় IPEMIS সফটওয়্যার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষার্থী তথ্য এবং ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে উপজেলাভিত্তিক বিতরণকৃত পাঠ্যপুস্তকের সংখ্যা যাচাই-বাছাই পূর্বক ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি ও প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকের চূড়ান্ত চাহিদা প্রস্তুতপূর্বক জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এ প্রেরণ করা হয়। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, একাধিক তাগিদপত্র দেওয়া সত্ত্বেও অধিকাংশ উপজেলায় কিছু কিছু কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী তথ্যসহ উক্ত প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি IPEMIS সফটওয়্যারে এন্ট্রি/হালনাগাদ করে নি।

২। এমতাবস্থায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সুবিধার্থে IPEMIS সফটওয়্যারে কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোড ব্যবহার করে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থী তথ্য এন্ট্রিকরণ ও অনুমোদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

৩। উল্লেখ্য, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ও শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় তথ্য এন্ট্রি/হালনাগাদকরণ সম্পন্ন না করার কারণে পাঠ্যপুস্তক বিতরণে সৃষ্ট জটিলতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

২। এমতাবস্থায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের সুবিধার্থে IPEMIS সফটওয়্যারে কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোড ব্যবহার করে বিদ্যালয় ও শিক্ষার্থী তথ্য এন্ট্রিকরণ ও অনুমোদনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

৩। উল্লেখ্য, কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ও শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় তথ্য এন্ট্রি/হালনাগাদকরণ সম্পন্ন না করার কারণে পাঠ্যপুস্তক বিতরণে সৃষ্ট জটিলতার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।


৪।  বিষয়টি অতীব জরুরী।

স্বাক্ষরিত

মাহবুবা আইরিন

পরিচালক (প্রশাসন)


No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.