যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি সভা
যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি সভা
একুশের চেতনায় প্রাথমিক শিক্ষায় প্রস্তুতি
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা
ভাষা আন্দোলন শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়—এটি বাঙালির আত্মপরিচয়, অধিকারবোধ এবং সাংস্কৃতিক অস্তিত্বের প্রতীক। সেই মহান আত্মত্যাগের স্মরণে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। ২০২৬ সালেও এই দিবসটি গুরুত্ব ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদ্যাপনের লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গ্রহণ করেছে বিস্তৃত ও সুসমন্বিত কর্মসূচি।
প্রস্তুতিমূলক সভা ও প্রেক্ষাপট
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে গত ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা।
সভা শুরুর আগে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের আলোকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন সকল দপ্তর ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে দিবসটি উদ্যাপন করতে হবে।
জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশনা
সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে—
সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়
-
প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
-
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহ
জাতীয় পতাকা বিধিমালা অনুসরণ করে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখবে। সূর্যোদয়ের সময় পতাকা উত্তোলন ও সূর্যাস্তের সময় নামানোর পাশাপাশি অর্ধনমিত করার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কর্মসূচি
জাতীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের সকল প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব-স্ব কর্মসূচি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আওতায়—
আলোচনা সভা
-
চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা
-
ছড়া ও কবিতা পাঠ
-
নান্দনিক হাতের লেখা প্রতিযোগিতা
-
রচনা প্রতিযোগিতা
-
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান
আয়োজন করা হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
পোস্টার বিতরণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে মুদ্রিত পোস্টার জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা হবে। এসব পোস্টারে—
৫২-এর চেতনা
-
মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার
-
শিশু-কিশোরদের ভাষা সচেতনতা
প্রতিফলিত থাকবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো এবং শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে পোস্টার গ্রহণ ও সাঁটানো নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ও বিশেষ আয়োজন
কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ৭:৩০টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ
-
২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১:০০টায় ঢাকা পিটিআই-এ আলোচনা সভা
-
আলোচনা শেষে সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কবিতা আবৃত্তি
-
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নান্দনিক হাতের লেখা ও রচনা প্রতিযোগিতা
এসব কর্মসূচিতে মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন সকল দপ্তর ও সংস্থার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।
একুশের চেতনা নতুন প্রজন্মে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াস
এই কর্মসূচিগুলোর মূল লক্ষ্য হলো—ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং মাতৃভাষার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। প্রাথমিক স্তর থেকেই শিশুদের মাঝে ভাষার প্রতি ভালোবাসা, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাই এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য।
একুশে ফেব্রুয়ারি কেবল একটি দিবস নয়—এটি আমাদের পরিচয়, আমাদের গর্ব। সেই চেতনাকে ধারণ করেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপনে এগিয়ে চলেছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
প্রশাসন-২ অধিশাখা
www.mopme.gov.bd
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী।
সভাপতিঃ আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা
সচিব
সভার তারিখঃ ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সভার সময়ঃ সকাল ০৯:৩০ ঘটিকা
স্থানঃ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষ (কক্ষ নং-৬১০, ৭ম তলা, ভবন নং-৬)
উপস্থিতিঃ স্বাক্ষরের ক্রমানুসারে (পরিশিষ্ট- ক)
সভাপতি উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে সভার কাজ শুরু করেন। সভার শুরুতে ভাষা শহিদদের প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সভাপতি জানান যে, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টার সভাপতিত্বে গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের সাথে সংগতি রেখে এ মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থায় ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে কর্মসূচি গ্রহণ করা প্রয়োজন।
০২। অতঃপর সভাপতির অনুমতিক্রমে মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন-২) শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত জাতীয় কর্মসূচি সভায় উপস্থাপন করেন। সভায় বিস্তারিত আলোচনান্তে নিম্নরূপ সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়ঃ
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তঃ
১) (২.১) একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা বিধিমালা অনুযায়ী অর্ধনমিত থাকবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তঃ
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটসহ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর/সংস্থায় সঠিক নিয়মে, সঠিক রং ও মাপের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা, সূযোদয়ের সমে পতাকা উত্তোলন, সূর্যাস্তের সময় পতাকা নামানে এবং পতাকা অর্ধনমিত করার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এ বিষয়ে মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর/ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো এবং পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন।
বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ
মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর; মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো; মহাপরিচালক, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট; মহাপরিচালক, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এবং পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তঃ
(২.২) যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সংগতি রেখে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব স্ব কর্মসূচি প্রণয়নপূর্বক দিবসটি উদ্যাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তঃ
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সংগতি রেখে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্ব-স্ব কর্মসূচি প্রণয়নপূর্বক দিবসটি উদ্যাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ
মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর; মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো; মহাপরিচালক, বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট-মহাপরিচালক, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এবং পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট।
২.১৭ (খ) গণযোগাযোগ অধিদপ্তর কর্তৃক ঢাকা মহানগরীতে ট্রাকের মাধ্যমে রাজপথে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠান এবং নৌযানের সাহায্যে ঢাকা শহর সংলগ্ন নৌপথে সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজনসহ জেলা-উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তঃ
৩।।এসকল অনুষ্ঠান শহিদ দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ এবং ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ হতে হবে। ডিএফপি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যো তিন ধরণের পোস্টার মুদ্রণ করবে। পোস্টারে ৫২ এর চেতনা ও ২৪ এর প্রতিফলন থাকবে। পোস্টার মুদ্রণের পূর্বে ডিএফপি কর্তৃক পোস্টারের নমুনা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হবে। যার মধ্যে প্রথমটি হবে সার্বজনীন, দ্বিতীয়টি স্কুল-কলেজের শিশু-কিশোরদের জন্য এবং তৃতীয়টি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহ ও বাংলাদেশে অবস্থিত বৈদেশিক দূতাবাসসমূহে প্রচারের জন্য। শিশু-কিশোরদের জন্য মুদ্রিত পোস্টারে মাতৃভাষার সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের সচেতন করতে হবে। বিদেশে প্রচারের জন্য মুদ্রিত পোস্টারে "একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস" বাংলাসহ জাতিসংঘের স্বীকৃত ৬টি ভাষায় লেখার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। মুদ্রণকৃত পোস্টার একুশে ফেব্রুয়ারির অন্তত: ১ মাস পূর্বে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহে এবং বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। জেলা প্রশাসকগণ উক্ত পোস্টার দ্রুত উপজেলায় বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তঃ
(ক) সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো'র সহকারী পরিচালক সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন হতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পোস্টার গ্রহণপূর্বক বিতরণ ও সাঁটানো নিশ্চিত করবেন।
(খ) শিশু কল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সংশ্লিষ্ট জেলার উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পোস্টার গ্রহণপূর্বক সাঁটানো নিশ্চিত করবেন।
বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ
মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর; মহাপরিচালক উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো এবং পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তঃ
(২.২০) শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে শিশুদের নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ছড়া পাঠ, কবিতা পাঠ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তঃ
(ক) শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আলোচনা সভাসহ চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ছড়া পাঠ, কবিতা পাঠ, নান্দনিক হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, রচনা প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।
(খ) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিতে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্যাপন করতে হবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ
মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর; মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, মহাপরিচালক, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এবং পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তঃ
৫। (২.২১) জেলা সদর ও উপজেলা সদরেরকর্মসূচি:
সকল জেলা ও উপজেলা সদরে জেলা/উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদ্যাপনের লক্ষ্যে জাতীয় কর্মসূচির সাথে সংগতি রেখে স্ব-স্ব কর্মসূচি প্রণয়নপূর্বক দিবসটি উদ্যাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সাজ-সজ্জা, পোস্টার ইত্যাদি ক্ষেত্রে ৫২ এর চেতনা ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের প্রতিফলন থাকবে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তঃ
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং জেলা
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো'র সহকারী পরিচালক
ও উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো'র
উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মকর্তা যথাযোগ্য
মর্যাদায় দিবসটি উদ্যাপনের লক্ষ্যে জেলা ও
উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সকল
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করবেন।
বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ
মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর; মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তঃ
২.২২ (ছ) ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আলোচনা সভা, সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আবৃত্তি অনুষ্ঠান, হাতের নান্দনিক লেখা প্রতিযোগিতা এবং রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তঃ
(ক) একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আওতাধীন সকল দপ্তর/সংস্থার অংশগ্রহণে ঢাকা পিটিআই এ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় আলোচনা সভা আয়োজন করতে হবে।
(খ) আলোচনা শেষে সংক্ষিপ্ত আকারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে।
(গ) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে হাতের নান্দনিক লেখা প্রতিযোগিতা এবং রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে।
বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ
অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর/মহাপরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো/জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট/জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি এবং পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তঃ
৭। বিবিধ
.প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তঃ
২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল ৭:৩০ ঘটিকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ঢাকাস্থ সকল দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তা, কর্মচারী (প্রতিনিধি) কর্তৃক পুস্পস্তবক অর্পণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সকলের সকাল ৭:০০ ঘটিকায় নীলক্ষেত মোড়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষঃ
অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; পরিচালক (প্রশাসন), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর; পরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো; পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট; উপপরিচালক (প্রশাসন), বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষন ইউনিট এবং উপসচিব (প্রশাসন-২) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; পরিচালক (প্রশাসন), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর; পরিচালক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো; পরিচালক, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট; উপপরিচালক (প্রশাসন), বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষন ইউনিট এবং উপসচিব (প্রশাসন-২) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
২। সভায় আর কোন আলোচনা না থাকায় সভাপতি সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্ত করেন।
স্বাক্ষরিত
আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা
সচিব

.jpg)
.jpg)
.jpg)

No comments
Your opinion here...