ad

দেশব্যাপী বাজারদর বিবেচনায় ফিতরার হার ঘোষণা

Views



দেশব্যাপী বাজারদর বিবেচনায় ফিতরার হার ঘোষণা

এ বছরের ফিতরা সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা, সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ

ঢাকা, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতর (ফিতরা) জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক। সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির—এই পাঁচটি পণ্যের যেকোনো একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যাবে।

কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—

  • গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা’ (১ কেজি ৬৫০ গ্রাম) অথবা এর বাজারমূল্য ১১০ টাকা প্রদান করতে হবে।

  • যব দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) অথবা এর বাজারমূল্য ৫৯৫ টাকা

  • খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) অথবা এর বাজারমূল্য ২,৪৭৫ টাকা

  • কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) অথবা এর বাজারমূল্য ২,৬৪০ টাকা

  • পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা’ (৩ কেজি ৩০০ গ্রাম) অথবা এর বাজারমূল্য ২,৮০৫ টাকা প্রদান করতে হবে।

দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের খুচরা বাজারমূল্যের ভিত্তিতে এ হার নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানগণ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী উল্লিখিত যেকোনো একটি পণ্য বা তার সমপরিমাণ বাজারমূল্য দিয়ে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এসব পণ্যের স্থানীয় বাজারমূল্যে তারতম্য রয়েছে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় খুচরা বাজারমূল্য অনুযায়ী ফিতরা প্রদান করলেও তা আদায় হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরসের গভর্নর মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মো. ফজলুল হক, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী এবং রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মহিউদ্দিনসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

জনসংযোগ শাখা

আগারগাঁও, শেরে বাংলানগর, ঢাকা ১২০৭

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

এ বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা ও সর্বনিম্ন ১১০ টাকা

ঢাকা, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:

১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতর-এর হার জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা এবং সর্বনিম্ন ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) বুধবার সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের খতীব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক।

সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে আটা, যব, কিসমিস, খেজুর ও পনির ইত্যাদি গণ্যগুলোর যে কোন একটি দ্বারা ফিতরা আদায় করা যায়। গম বা আটা দ্বারা ফিতরা আদায় করলে অর্ধ সা' বা ১ কেজি ৬শ' ৫০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ১১০ (একশ দশ) টাকা প্রদান করতে হবে। যব দ্বারা আদায় করলে এক সা' বা ৩ কেজি ৩শ' গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৫৯৫ (পাঁচশত পঁচানব্বই) টাকা, খেজুর দ্বারা আদায় করলে এক সা' বা ৩ কেজি ৩ শ' গ্রাম বা এর বাজার মূলা ২৪৭৫ (দুই হাজার চারশত পঁচাত্তর) টাকা, কিসমিস দ্বারা আদায় করলে এক সা' বা ৩ কেজি ৩শ' গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৬৪০ (দুই হাজার ছয়শত চল্লিশ) টাকা ও পনির দ্বারা আদায় করলে এক সা' বা ৩ কেজি ৩ শ' গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২৮০৫ (দুই হাজার আটশত পাঁচ) টাকা ফিতরা প্রদান করতে হবে।

দেশের সকল বিভাগ থেকে সংগৃহীত আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনিরের বাজার মূল্যের ভিত্তিতে এই ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। মুসলমানগণ নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এসব পণ্যের যে কোন একটি পণ্য বা এর বাজার মূল্য দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে পারবেন। উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ পণ্যগুলোর স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। তদানুযায়ী স্থানীয় মূল্যে পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বোর্ড অব গভর্নরস এর গর্ভনর মাওলানা মাহফুজুল হক, দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মুহাদ্দিস ড. ওয়ালিয়ুর রহমান খান, মুফাসসির ড. মাওলানা মোঃ আবু সালেহ পাটোয়ারী, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবুল কাশেম মোঃ ফজলুল হক, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ও রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাক্ষরিত

মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন 

জনসংযোগ কর্মকর্তা



No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.