ad

নৈমিত্তিক ছুটি: সরকারি কর্মচারীদের জন্য সম্পূর্ণ নির্দেশিকা

Views

 


নৈমিত্তিক ছুটি: সরকারি কর্মচারীদের জন্য সম্পূর্ণ নির্দেশিকা

ভূমিকা

সরকারি চাকরিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের জন্য নৈমিত্তিক ছুটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা। সামান্য অসুস্থতা, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে এই ছুটি গ্রহণ করে একজন কর্মচারী সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিতে পারেন, তবে এটি নিয়মিত ছুটির মতো গণ্য হয় না। বাংলাদেশ চাকরি বিধিমালার আলোকে নৈমিত্তিক ছুটির কিছু নির্দিষ্ট শর্ত ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যা জানা প্রত্যেক সরকারি কর্মচারীর জন্য অত্যন্ত জরুরি।

এই ব্লগপোস্টে আমরা নৈমিত্তিক ছুটির সংজ্ঞা, ভোগের শর্তাবলী, নিয়ম-কানুন এবং প্রযোজ্য বিধানগুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরবো।

নৈমিত্তিক ছুটি কী?

নৈমিত্তিক ছুটি হলো সামান্য শারীরিক অসুস্থতা অথবা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে একটি পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ২০ দিন পর্যন্ত সরকারি কর্মচারী যে ছুটি ভোগ করতে পারেন। এই ছুটিকে কর্মকালীন ছুটি হিসেবে গণ্য করা হয়, অর্থাৎ এই সময়ের অনুপস্থিতি "কর্মে অনুপস্থিত" হিসেবে বিবেচিত হয় না।

তবে মনে রাখতে হবে, নৈমিত্তিক ছুটি বাংলাদেশ চাকরি বিধিমালায় স্বীকৃত নিয়মিত ছুটি নয়। এটি একটি বিশেষ সুবিধা, যা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রদান করা হয়।

নৈমিত্তিক ছুটির মেয়াদ ও সীমা

বার্ষিক সীমা

  1. একজন সরকারি কর্মচারী একটি পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন।

একসঙ্গে ছুটির সীমা

  1. সাধারণ ক্ষেত্রে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১০ দিনের বেশি নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করা যায় না।

  2. তবে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলায় কর্মরত সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বিশেষ বিধান অনুযায়ী, বছরে প্রাপ্য ২০ দিনের মধ্যে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫ দিন পর্যন্ত নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করা যেতে পারে।

সরকারি ছুটির সঙ্গে সংযুক্ত করার নিয়ম

নৈমিত্তিক ছুটি নেওয়ার সময় অনেকেই সরকারি ছুটির সঙ্গে যুক্ত করে দীর্ঘ সময়ের জন্য ছুটি নিতে চান। এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে:

  1. আবেদনক্রমে একজন কর্মকর্তা সর্বোচ্চ ৩ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি একবার বা একাধিকবার শুক্রবার বা অন্যান্য সরকারি ছুটির আগে বা পরে সংযুক্ত করতে পারেন।

  2. যদি এই ধরনের সংযুক্তির জন্য আবেদন না করা হয় বা অনুমতি না দেওয়া হয়, তাহলে শুক্রবার বা সরকারি ছুটির দিনগুলোও নৈমিত্তিক ছুটি হিসেবে গণ্য হবে।

  3. নৈমিত্তিক ছুটির উভয় দিকে একসঙ্গে সরকারি ছুটি সংযুক্ত করা যাবে না

সদর দপ্তর ত্যাগের বিধান

নৈমিত্তিক ছুটি ভোগকালে সরকারি কর্মচারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সদর দপ্তর ত্যাগ করতে পারবেন না।

এছাড়াও:

  1. এমন দূরত্বে যাওয়া যাবে না, যেখান থেকে সদর দপ্তরে কাজে যোগদানের নির্দেশ পাওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ দেওয়া সম্ভব নয়

ছুটি মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ

নিয়মিত ছুটি মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষ অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অধস্তন কর্মকর্তারা:

  1. নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করতে পারবেন

  2. এবং একই সঙ্গে সদর দপ্তর ত্যাগের অনুমতিও দিতে পারবেন

তবে গুরুতর অসুস্থতা, বিশেষ করে সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে সাধারণত নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করা হয় না, কারণ এই অবস্থায় কাজে যোগদানের নির্দেশ পেলেও সঙ্গে সঙ্গে কাজে ফেরা সম্ভব হয় না।

বিকল্প কর্মী (Leave Substitute) প্রসঙ্গ

নৈমিত্তিক ছুটির সময় কোনো সরকারি কর্মচারীর স্থলে কোনো বিকল্প কর্মী (Leave Substitute) নিয়োগ দেওয়া হয় না

এই কারণে:

  1. যদি কোনো কর্মকর্তা বা ছুটি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ফলে জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন হয়, তাহলে উভয়েই দায়ী থাকবেন

বিদেশ ভ্রমণ সংক্রান্ত বিধিনিষেধ

  1. নৈমিত্তিক ছুটিতে থাকা অবস্থায় কোনো সরকারি কর্মচারী বিদেশ ভ্রমণ করতে পারবেন না

  2. সরকারি কাজে বা প্রশিক্ষণের জন্য বিদেশে অবস্থানরত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে নৈমিত্তিক ছুটি সাধারণত নিরুৎসাহিত করা হয়, বিশেষ পরিস্থিতি ব্যতীত।

স্বাস্থ্যগত কারণে নৈমিত্তিক ছুটি

  1. কেউ যদি স্বাস্থ্যগত কারণে ৭ দিনের বেশি নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করেন, তাহলে সাধারণভাবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।

  2. যদি হাসপাতালে সিট না থাকার কারণে ভর্তি হওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে সে বিষয়ে প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে

  3. হৃদরোগের মতো কিছু ক্ষেত্রে যেখানে হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন হয় না, সেখানে হাসপাতালের প্রতিবেদন ছাড়াই চলতে পারে।

উল্লেখ্য: বর্তমানে এই বিধান কার্যকর নেই, তবে বিধিমালায় এটি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশাবলী (সংক্ষেপে)

  1. নৈমিত্তিক ছুটি নিয়মিত ছুটি নয়, তবে এই সময়কে কর্মরত হিসেবেই ধরা হয়।

  2. বছরে সর্বোচ্চ ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করা যাবে।

  3. একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১০ দিন (বিশেষ ক্ষেত্রে ১৫ দিন) পর্যন্ত ছুটি নেওয়া যাবে।

  4. সরকারি ছুটির আগে বা পরে সর্বোচ্চ ৩ দিনের ছুটি সংযুক্ত করা যাবে।

  5. ছুটির উভয় দিকে সরকারি ছুটি সংযুক্ত করা যাবে না।

  6. অনুমতি ছাড়া সদর দপ্তর ত্যাগ করা যাবে না।

  7. ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় লাগে এমন দূরত্বে যাওয়া যাবে না।

  8. নৈমিত্তিক ছুটিতে বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ।

উপসংহার

নৈমিত্তিক ছুটি সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলেও এটি নির্দিষ্ট নিয়ম ও শর্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এই ছুটির অপব্যবহার যেমন প্রশাসনিক শৃঙ্খলা নষ্ট করতে পারে, তেমনি জনস্বার্থেও বিঘ্ন ঘটাতে পারে। তাই প্রত্যেক কর্মচারীর উচিত ছুটি গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট বিধিমালা ভালোভাবে জেনে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে দায়িত্বশীলভাবে নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করা।

আশা করি এই ব্লগপোস্টটি নৈমিত্তিক ছুটি সম্পর্কে আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সহায়ক হবে।

নৈমিত্তিক ছুটি কি? এ ছুটি ভোগের শর্তাবলী। 

এক বৎসরে একজন সরকারী কর্মচারী মোট ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করিতে পারিবেন। এই ধরনের ছুটি হেতু অনুপস্থিতি কর্মে অনুপস্থিত বলিয়া গণ্য করা হয় না। নৈমিত্তিক ছুটি অবস্থায় অনুপস্থিত সরকারী কর্মচারীর স্থলে কোন "সাবসটিটিউট" দেওয়া যাইবে না। একজন সরকারী কর্মচারীকে এক সঙ্গে ১০ দিনের বেশি নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুজুর করা যায় না। তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত কর্মচারীগণকে এক সংঙ্গে ১৫ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি প্রদান করা চলে।

আবেদনক্রমে একজন সরকারী কর্মচারী সর্বোচ্চ তিন দিনের জন্য নৈমিত্তিক ছুটি একবার এবং শুক্রবার অথবা অন্যান্য সরকারী ছুটি সংযুক্তে একাধিকবার প্রদান করা যাইতে পারে। যে ক্ষেত্রে শুক্রবার কিংবা সরকারী ছুটি নৈমিত্তিক ছুটি সঙ্গে যুক্ত করার অনুমতি না দেওয়া হয় সেই ক্ষেত্রে শুক্রবার অথবা সরকারী ছুটির দিনটি বা দিনগুলি নৈমিত্তিক ছুটি হিসাবে গণ্য হইবে।

নৈমিত্তিক ছুটির উভয় দিকে সরকারী ছুটি সংযুক্ত করা যাইবে না। এই ছুটি ভোগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে সদর দপ্তরে স্থান ত্যাগ করিতে পারিবেন না।

নৈমিত্তিক ছুটি নিয়া একজন সরকারী কর্মচারীকে তাহার কর্মস্থল হইতে এমন দূরত্বে যাইতে দেওয়া যাইবে না যেখান হইতে সদর দপ্তরে কাজে যোগদান আদেশ দেওয়ার পর কাজে যোগ দিতে ৪৮ ঘন্টার অধিক সময় লাগিবে।

ছুটি মঞ্জুজুরকারী কর্তৃপক্ষ অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এই ছুটি মঞ্জুজুর করিবেন এবং সদর দপ্তর ত্যাগের অনুমতি দিবেন।

নৈমিত্তিক ছুটি অবস্থায় কোন সরকারী কর্মচারী বিদেশ ভ্রমণ করিতে পারিবেন না। সরকারী কাজে অথবা প্রশিক্ষণার্থে বিদেশ অবস্থানরত সরকারী কর্মচারীগণের নৈমিত্তিক ছুটি থাকিলে কেবল মাত্র বিশেষ পরিস্থিতি ব্যতিরেকে নিরুৎসাহিত।

স্বাস্থ্যগত কারণে কেহ ৭ দিনের বেশি নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করিলে তাহাকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হইতে হইবে। তবে হাসপাতালে ভর্তির নিমিত্তে সিট না থাকায়, ভর্তি না হইতে পারিলে সেই মর্মে প্রত্যয়নপত্র দাখিল করিতে হইবে। এতদভিন্ন হৃদরোগ ইত্যাদি যে ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি প্রয়োজন হয় না, সেই ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি প্রতিবেদন ছাড়াই চলিবে। অবশ্য এই বিধি এখন কার্যকর নাই।

নৈমিত্তিক ছুটির শর্তাবলী:

সামান্য শারীরিক অসুস্থ্যতা বা কোন ব্যক্তিগত প্রয়োজনে একটি পঞ্জিকা বর্ষে ২০ দিন যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে কোন সরকারী কর্মচারী যে ছুটি ভোগ করেন তাহাই নৈমিত্তিক ছুটি। নৈমিত্তিক ছুটিকালীন সময় কর্তৃব্য কর্মেরত হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই ছুটি ভোগকালে ছুটি

মঞজুরকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা যায় না। নৈমিত্তিক ছুটির নির্দেশাবলী নিম্নরূপ:

(১) নৈমিত্তিক ছুটি চাকুরী বিধিমালা স্বীকৃত ছুটি নয় এবং নৈমিত্তিক ছুটি জনিত অনুপস্থিতিকে কাজে অনুপস্থিতি হিসাবে গণ্য করা হয় না। বাংলাদেশ চাকুরী বিধিমালার প্রথম খন্ডের ১৯৫ নম্বর বিধির টীকা-২-এ উল্লিখিত শর্ত সাপেক্ষে এইরূপ ছুটি মঞ্জুজুর করা হয়। এই ধরনের ছুটিতে অনুপস্থিত কর্মকর্তার কর্মদায়িত্ব পালনের জন্য কোন বদলীর (Leave Substitute) ব্যবস্থা করা হইবে না। তাই নৈমিত্তিক ছুটি প্রদানকারী ও ছুটি ভোগকারী কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে যদি জনস্বার্থ ক্ষুন্ন হয় তাহা হইলে ছুটি প্রদানকারী ও ছুটি ভোগকারী কর্মকর্তা উভয়েই দায়ী থাকিবেন।

(২) পঞ্জিকাবর্ষে সকল সরকারী কর্মচারী বৎসরে সর্বমোট ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ভোগ করিতে পারিবেন।

(৩) কোন সরকারী কর্মচারীকে এক সংঙ্গে ১০ দিনের বেশি নৈমিত্তিক ছুটি প্রদান করা যাইবে না। তবে, অত্র বিভাগের ২৫-২-১৯৮২ইং তারিখের বিজ্ঞপ্তি নং ইডি (রেগ-৬)/ছুটি-১৩/৮০-১৪ মোতাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বান্দরবান জেলায় কর্মরত সকল সরকারী কর্মচারীকে এক বৎসরে মঞ্জুজুরযোগ্য ২০ দিনের মধ্যে ১৫ দিন নৈমিত্তিক ছুটি একই সঙ্গে ভোদ করিতে দেওয়া যাইতে পারে।

(৪) কোন কর্মকর্তা আবেদন জানাইলে সর্বোচ্চ ৩ দিনের মধ্যে নৈমিত্তিক ছুটি একবার বা একাধিকবার রবিবার (বর্তমানে শুক্রবার) অথবা কোন সরকারী ছুটির পূর্বে অথবা পরে সংযুক্ত করার অনুমতি প্রদান করা যাইতে পারে। যে ক্ষেত্রে এই ধরনের আবেদন করা হইবে না বা অনুমতি দেওয়া হইবে না সেই সকল ক্ষেত্রে রবিবার বা সরকারি ছুটির দিনগুলি ও নৈমিত্তিক ছুটি হিসাবে গণ্য করা হইবে।

(৫) নৈমিত্তিক ছুটির উভয় দিকে সরকারী ছুটি যুক্ত করা যাইবে না।

(৬) কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে নৈমিত্তিক ছুটি ভোগকারী কোন ব্যক্তি সদর দপ্তর ত্যাগ করিতে পারিবে না।

(৭) নৈমিত্তিক ছুটিতে থাকাকালীন কোন ব্যক্তিকে সদর দপ্তর হইতে এমণ দূরত্বে যাইতে অনুমতি দেওয়া যাইবে না, যেখান হইলে সদর দপ্তরে কাজে যোগদানের আদেশ পাওয়ার পর কাজে যোগদান করিতে ৪৮ ঘণ্টার অধিক সময় লাগিতে পারে।

(৮) নিয়মিত ছুটি মঞ্জুজুরকারী কর্তৃপক্ষ অথবা অধস্তন ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ নৈমিত্তিক ছুটি এবং তৎসঙ্গে সদর দপ্তর ত্যাগের অনুমতি প্রদান করিতে পারিবেন। গুরুতর অসুস্থতা, বিশেষ করিয়া সংক্রামক ব্যাধির (যেমন গুটি বসন্ত) ক্ষেত্রে কাজে যোগদানের নির্দেশ প্রাপ্তি সঙ্গে সঙ্গেই কাজে যোগদান করা সম্ভব নয় বিধায় এই সকল ক্ষেত্রে নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুজুর করার প্রশ্ন উঠে না। তবে ব্যক্তিগত অসুবিধা, সামান্যতম অসুস্থতা (যেমন সাধারণ জ্বর) ইত্যাদি কারণে নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুজুর করা যাইতে পারে।

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.