ad

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬: যা জানা জরুরি

Views


স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬: যা জানা জরুরি

বাংলাদেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য ২০২৬ সালের নতুন বদলি নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এই নীতিমালার মূল লক্ষ্য হলো একটি স্বচ্ছ, ন্যায্য ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালনা করা।

এই ব্লগপোস্টে আমরা সহজ ভাষায় তুলে ধরব বদলি নীতিমালার গুরুত্বপূর্ণ দিক, যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া ও অগ্রাধিকার ভিত্তি।

নীতিমালার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

এই নীতিমালার পূর্ণ নাম:

“স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬”

এটি ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে এবং দেশের সকল বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য প্রযোজ্য।

কেন এই নীতিমালা গুরুত্বপূর্ণ?

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষক ঘাটতি, দূরত্বজনিত অসুবিধা, পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এনে একটি ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে—

  1. স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে

  2. মানবিক বিবেচনা গুরুত্ব পাবে

  3. সময় ও হয়রানি কমবে

  4. ন্যায্য প্রতিযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে

বদলির জন্য যোগ্যতা

শিক্ষক বদলির আবেদন করার আগে যেসব শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে:

  1. প্রথম যোগদানের পর কমপক্ষে ২ বছর চাকরি সম্পন্ন করতে হবে

  2. নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর আবার বদলির জন্য আবেদন করতে হলে ন্যূনতম ২ বছর অপেক্ষা করতে হবে

  3. একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ ৩ বার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন

আবেদন কোথায় ও কীভাবে করবেন?

অনলাইন প্রক্রিয়া

বদলির পুরো কার্যক্রম সম্পন্ন হবে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইনে

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর—

  1. শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করবে

  2. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন আহ্বান করবে

  3. বদলির আদেশ জারি করবে

পছন্দের প্রতিষ্ঠান

শিক্ষকরা সর্বোচ্চ ৩টি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম আবেদনে উল্লেখ করতে পারবেন।

বদলির অগ্রাধিকার ভিত্তি

একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন পড়লে নিচের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে:

  1. নারী শিক্ষক

  2. দূরত্ব (বর্তমান কর্মস্থল থেকে কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব)

  3. স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি/আধা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান)

  4. জ্যেষ্ঠতা

দূরত্ব পরিমাপের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত মডেল অনুসরণ করা হবে।

বদলির গুরুত্বপূর্ণ নিয়মাবলি

  1. একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ ২ জন শিক্ষক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলি হতে পারবেন

  2. ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হবে

  3. ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দিলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে

  4. বদলির পর শিক্ষক কোনো টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না

যোগদান ও অবমুক্তি সংক্রান্ত নিয়ম

  1. বদলির আদেশের ১০ দিনের মধ্যে বর্তমান প্রতিষ্ঠান প্রধান অবমুক্ত করবেন

  2. অবমুক্ত হওয়ার পর ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে

  3. এই সময়কাল কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে

কারা বদলির জন্য অযোগ্য?

নিচের অবস্থায় কোনো শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন না:

  1. স্টপ পেমেন্ট চালু থাকলে

  2. সাময়িক বরখাস্ত থাকলে

  3. কোনো ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে

পুরনো নীতিমালার অবসান

এই নীতিমালা জারির মাধ্যমে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ সালের পুরনো বদলি নীতিমালা বাতিল করা হয়েছে। এখন থেকে শুধুমাত্র ২০২৬ সালের নীতিমালা কার্যকর থাকবে।

উপসংহার

“স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬” শিক্ষকদের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি শুধু প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়াবে না, বরং মানবিক ও পারিবারিক দিকগুলোতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনি যদি একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক হন, তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করে এই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 শিক্ষা মন্ত্রণালয়

 মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ

 বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা

 বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা

www.shed.gov.bd

নম্বর: ৩৭.০০.০০০০.০৭২.২২.০১১.২৩-১৫

তারিখ: ১৩ মাঘ ১৪৩২ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

প্রজ্ঞাপন

স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক/শিক্ষিকাগণের বদলির ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ায় একটি নীতিমালার আওতায় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে 'স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার'-এর মাধ্যমে 'বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য নিম্নোক্ত বদলি নীতিমালা ২০২৬' প্রণয়ন করা হলো।

১। শিরোনাম:

১.১ এ নীতিমালা 'স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার এর মাধ্যমে 'বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬' নামে অভিহিত হবে।

১.২ এ নীতিমালা জারির তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

২। প্রযোজ্যতা:

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ) এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণের জন্য এ নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।

৩। বদলির সাধারণ শর্তাবলী:

৩.১ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূণ্যপদের চাহিদা/বিবরণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে প্রকাশ করবে।

৩.২ প্রকাশিত শূন্য পদের বিপরীতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আবেদন আহ্বান করবে।

৩.৩ সমপদে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে প্রতি বৎসর সরকার কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ জারি ও নতুন কর্মস্থলে যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

৩.৪ আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা তাঁর চাকরির আবেদনে উল্লেখকৃত নিজ জেলায় বদলির জন্য আবেদন করবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যে কোন জেলায় বিদ্যমান শূন্য পদের বিপরীতে বদলির আবেদন করতে পারবে। এছাড়াও আবেদনকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা এ নীতিমালার ৩.৮(গ) ক্রমিকে বর্ণিত ক্ষেত্রে যে কোন জেলায় অথবা স্বামী/স্ত্রীর নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবে।

৩.৫ প্রথম যোগদানের পর চাকরি দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষক/শিক্ষিকাগণ বদলির আবেদন করার জন্য যোগ্য হবেন।

৩.৬ বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর ন্যূনতম দুই বছর কর্মে নিয়োজিত থাকার পর পরবর্তী বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

চলমান পাতা-২

৩.৭একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিন বার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

৩.৮ একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে, নিম্নোক্ত অগ্রাধিকার বিবেচনা করতে হবে:-

(ক) নারী

(খ) দূরত্ব

(গ) স্বামী/স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি/ আধা সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/ এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)

(ঘ) জ্যেষ্ঠতা

৩.৯ চাকরির জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী গণনা করা হবে।

৩.১০ একটি পদের জন্য প্রতিযোগী সকল আবেদনকারীর কর্মস্থল একই উপজেলায় হলে তাদের বর্তমান কর্মস্থল যে উপজেলায় সে উপজেলার কেন্দ্র হতে কাঙ্খিত উপজেলার কেন্দ্র-এর দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।

৩.১১ একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারী বিভিন্ন উপজেলার হলে তাদের কর্মস্থল যে জেলায় সে জেলার কেন্দ্র হতে কাঙ্খিত জেলার কেন্দ্র-এর দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।

৩.১২ একটি পদের জন্য প্রতিযোগি আবেদনকারীর কর্মস্থল বিভিন্ন জেলায় হলে তাদের স্ব-স্ব জেলার কেন্দ্র হতে কাঙ্খিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপ করতে হবে।

৩.১৩ দূরত্ব পরিমাপের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-এর অনুসৃত মডেল অনুসরণ করা হবে।

৩.১৪ অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন বিবেচনাযোগ্য হবে না। ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য প্রদান প্রমাণিত হলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

৩.১৫ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক নিয়োগ সুপারিশ কার্যক্রমের পূর্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর শিক্ষক বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

৩.১৬ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ ০২ (দুই) জন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে [নারী ও জ্যেষ্ঠতা] বদলির সুযোগ পাবেন। তবে এক বিষয়ে একজনের অধিক শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

৩.১৭ আবেদনকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা বদলির আবেদনে সর্বোচ্চ ০৩ (তিন) টি কাঙ্খিত প্রতিষ্ঠানের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।

৪. বদলির কর্তৃপক্ষ:

৪.১ মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক বদলির আবেদন নিষ্পত্তি হবে।

৪.২ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বদলি কার্যক্রম তদারকি করবে।

৫। আবেদন নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া:

৫.১ বদলির সমগ্র প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

৫.২ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এর অনুমোদনক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর সফট্ওয়্যার তৈরি ও অনলাইন আবেদনের ফরম্যাট নির্ধারণ করবে।

৫.৩ বদলিকৃত শিক্ষকের ইনডেক্স পূর্বের প্রতিষ্ঠান থেকে বদলিকৃত প্রতিষ্ঠানে অন-লাইনে ট্রান্সফার হবে।

৫.৪ পারস্পারিক বদলির ক্ষেত্রে লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ বদলি/পদায়ন এর বিষয়টি নিষ্পন্ন করতে পারবেন।

৫.৫ বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাদি এবং জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

৬। বিবিধ:

বদলির আবেদনের ভিত্তিতে বদলি অধিকার হিসাবে দাবী করা যাবে না। ৬.১

৬.২ বদলিকৃত শিক্ষক কোন ধরনের টিএ/ডিএ ভাতা পাবেন না।

৬.৩ আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বদলিকৃত শিক্ষকের অবমুক্তি নিশ্চিত করবেন।

৬.৪ অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান যোগদানের তথ্য চেয়ারম্যান, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) ও মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর-কে অনলাইনে অবহিত করবেন।

৬.৫ অবমুক্তি হতে যোগদান পর্যন্ত দিবসগুলো কর্মকাল হিসেবে গণ্য হবে।

৬.৬ কোন শিক্ষকের বিষয়ে স্টপ পেমেন্ট, সাময়িক বরখাস্ত ও ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির যোগ্য হবেন না।

৭। রহিতকরণ:

এই নীতিমালা জারি হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারীকৃত ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখ ৩৭.০০.০০০০.০৭২.২২.০১১.২৩.৩৭৪ নং স্মারকে 'স্বয়ংক্রিয় সফট্ওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এনটিআরসিএ সুপারিশপ্রাপ্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৪' এতদ্বারা রহিত করা হলো।

৮। মন্ত্রণালয় প্রয়োজনে এই নীতিমালা পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ও এ নীতিমালার বিষয়ে ব্যাখা প্রদান করতে পারবে।

স্বাক্ষরিত

(রেহানা পারভীন)

সচিব

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ






পিডিএফ ডাউনলোড

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.