এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ: নতুন পদ্ধতি ও বিস্তারিত নির্দেশনা
এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ: নতুন পদ্ধতি ও বিস্তারিত নির্দেশনা
বাংলাদেশে বেসরকারি (এমপিওভুক্ত) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা সর্বশেষ পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে এসব পদে নিয়োগ সুপারিশের দায়িত্ব পালন করবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, কেন্দ্রীয় ও মেধাভিত্তিক করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই ব্লগপোস্টে নতুন নিয়োগ পদ্ধতির প্রযোজ্যতা, পরীক্ষা ব্যবস্থা, পছন্দক্রম, সুপারিশ প্রক্রিয়া এবং প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো।
কোন পদগুলোতে নতুন নিয়ম প্রযোজ্য?
এই পদ্ধতি বেসরকারি (এমপিওভুক্ত) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিম্নোক্ত পদগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে—
অধ্যক্ষ
উপাধ্যক্ষ
প্রধান শিক্ষক
সহকারী প্রধান শিক্ষক
সুপারিনটেনডেন্ট
সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট
অর্থাৎ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রশাসনিক ও নেতৃত্ব পর্যায়ের সব পদই এর আওতায় আসবে।
শূন্য পদের চাহিদা কীভাবে পাঠানো হবে?
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর—এই তিনটি অধিদপ্তর প্রতি পঞ্জিকাবর্ষে অন্তত একবার, অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে, এনটিআরসিএ’র কাছে শূন্য পদের চাহিদা পাঠাবে। সরকার নির্ধারিত সময়েও প্রয়োজনে এই চাহিদা পাঠানো হতে পারে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
আবেদনকারীদের অবশ্যই সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এই যোগ্যতা পূরণ না করলে কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি
যোগ্য প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য এনটিআরসিএ লিখিত/বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করবে।
নম্বর বণ্টন:
লিখিত/বাছাই পরীক্ষা: ৮০ নম্বর
শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: ১২ নম্বর
মৌখিক পরীক্ষা: ৮ নম্বর
পাশের শর্ত:
লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪০% নম্বর পেতে হবে।
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে শূন্য পদের সর্বোচ্চ তিন গুণ সংখ্যক প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।
মেধাতালিকা ও পছন্দক্রম (Choice List)
মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী পদভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের অনলাইনে পছন্দক্রম দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ হিসেবে নির্বাচন করতে পারবেন।
চাইলে “Other Option” নির্বাচন করে পছন্দের বাইরে অন্য প্রতিষ্ঠানেও নিয়োগের সম্মতি দিতে পারবেন।
এনটিআরসিএ প্রার্থীর মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে প্রতিটি শূন্য পদের জন্য একজন করে নিয়োগ সুপারিশ করবে।
পুনরায় সুপারিশের সুযোগ
কোনো প্রার্থী যদি ভুল তথ্য, প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতা বা অন্য কোনো কারণে যোগদান করতে না পারেন, তবে শূন্যপদ থাকলে মেধাক্রম ও পছন্দের ভিত্তিতে অন্য প্রার্থীকে পুনরায় সুপারিশ করা হবে।
নিয়োগপত্র প্রদান
এনটিআরসিএ নিয়োগ সুপারিশ পাঠানোর পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রার্থীকে অবহিত করবে। এরপর প্রতিষ্ঠান প্রধান, ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডিকে এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করতে হবে।
অযোগ্যতার শর্ত
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে কোনো প্রার্থী আবেদন করতে পারবেন না—
ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত হলে
বিভাগীয় মামলায় দণ্ডিত হলে
বিধিমালা সংশোধনের নির্দেশনা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোকে তাদের বিদ্যমান বিধিমালা এই নতুন পরিপত্র ও এনটিআরসিএ বিধিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কেন এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ?
এই নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে—
নিয়োগ প্রক্রিয়া হবে আরও স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক
কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগ সুপারিশ হওয়ায় অনিয়ম ও পক্ষপাত কমবে
যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকরা নেতৃত্ব পর্যায়ে আসার সুযোগ পাবেন
উপসংহার
১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (২৭ জানুয়ারি ২০২৬) তারিখে জারি করা এই পরিপত্র দেশের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ, যেখানে মেধা, যোগ্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গড়ার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ
বেসরকারি মাধ্যমিক-২ শাখা
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
www.shed.gov.bd
স্মারক নং- ৩৭.০০.০০০০.০০০.০৭৩.০৮.০০০৬.১৬.৩৩
তারিখ: ১৩ মাঘ, ১৪৩২ ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
পরিপত্র
বিষয়: বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক বেসরকারি (এমপিওভুক্ত) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ সুপারিশের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০৫ (২০০৫ সনের ১ নং আইন)-এর ধারা ৮ (ট) এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার কর্তৃক উক্ত আইনের ধারা ২ (ঝ)-এ বর্ণিত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগ সুপারিশ প্রদানের দায়িত্ব বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর নিকট অর্পণ করা হলো। অর্পিত এ কার্যক্রম সম্পাদনে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে:
১.০.
প্রযোজ্যতা: অনুসরণীয় এ পদ্ধতি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপারিনটেনডেন্ট ও সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট) নিয়োগ সুপারিশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
২.০ শূন্য পদের চাহিদা প্রেরণ: সর্বশেষ জারিকৃত 'বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও
কারিগরি) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা' অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা সহকারী প্রধান এর নিয়োগ সুপারিশের জন্য সংশ্লিষ্ট ০৩ (তিন) অধিদপ্তর (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর) প্রতি পঞ্জিকাবর্ষে ৩১ ডিসেম্বর এর মধ্যে ন্যূনতম ০১ (এক) বার অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে শূন্য পদের চাহিদা এনটিআরসিএ এর নিকট প্রেরণ করবে।
৩.০ নিয়োগ সুপারিশের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুসারে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রার্থীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৪.০ প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ সুপারিশের জন্য পরীক্ষা গ্রহণ: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান-এর নিয়োগ সুপারিশের জন্য যোগ্য প্রার্থী নির্বাচনের উদ্দেশ্যে কর্তৃপক্ষ প্রাপ্ত শূন্যপদের চাহিদা বিবেচনা করে পরীক্ষা গ্রহণ করবে।
৪.১. কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কর্তৃপক্ষ বলতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-কে বোঝাবে।
৪.২. কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান সম্পর্কিত বিস্তারিত সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য তথ্য সংবলিত বিজ্ঞপ্তি বহুল প্রচারিত দুইটি বাংলা জাতীয় দৈনিক ও একটি ইংরেজি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে।
৪.৩. সরকার সংশ্লিষ্ট বিভাগ/অধিদপ্তর এর প্রতিনিধি সমন্বয়ে একটি পরীক্ষা গ্রহণ কমিটি গঠন করবে।
৪.৪. প্রার্থীদের লিখিত/বাছাই ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
৪.৫. লিখিত/বাছাই পরীক্ষায় ৮০ (আশি) নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদে ১২ (বার) নম্বর, মৌখিক পরীক্ষায় ০৮ (আট) নম্বর থাকবে।
৪.৬. লিখিত/বাছাই পরীক্ষার বিষয়বস্তু কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
৪.৭. লিখিত/বাছাই পরীক্ষার পাস নম্বর হবে মোট নম্বরের অন্যূন ৪০% (চল্লিশ শতাংশ) নম্বর।
৪.৮. পদভিত্তিক শূন্য পদের সর্বোচ্চ ৩ গুণ প্রার্থীর সমন্বয়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
৪.৯. সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি সমন্বয়ে মৌখিক পরীক্ষার বোর্ড গঠন করতে হবে।
৪.১০. লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে এবং পাশ নম্বর হবে মোট নম্বরের অন্যূন ৪০% (চল্লিশ শতাংশ)।
৪.১১. মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য হতে লিখিত/বাছাই, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এবং মৌখিক পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রমানুসারে শূন্য পদের বিপরীতে ১:১ অনুপাতে পদভিত্তিক একটি তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা হবে।
৫.০. নিয়োগ সুপারিশ পদ্ধতি: বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতিতে নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করা হবে। যথা:-
৫.১. অনুচ্ছেদ ৪.১১ মোতাবেক তালিকা অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য হতে নির্ধারিত শূন্য পদের বিপরীতে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনলাইনে পছন্দক্রমের আবেদন আহ্বান করে ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
৫.২. একজন প্রার্থী শূন্যপদের তালিকা থেকে সর্বোচ্চ ০৫ (পাঁচ) টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পছন্দক্রম (Choice List) প্রদান করতে পারবেন। উক্তরূপ পছন্দ প্রদানের পর কোন প্রার্থী যদি তার পছন্দ বহির্ভূত কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকুরি করতে ইচ্ছুক হন, তবে তাকে অনলাইনে e-Application ফরমে প্রদর্শিত অন্যান্য বিকল্প (Other option)-এ সম্মতি প্রদান করতে হবে।
৫.৩. প্রাপ্ত আবেদনসমূহ যাচাই/বাছাইপূর্বক প্রার্থীদের পছন্দ ও মেধার ভিত্তিতে পদভিত্তিক প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে একজন করে প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশের জন্য নির্বাচন করা হবে।
তবে শর্ত থাকে যে, নিয়োগ সুপারিশের জন্য প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রধান/সহকারী প্রধান পদে নির্বাচিত প্রার্থীগণকে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক যে-কোনো একটি পর্যায়ের জন্য নিয়োগ সুপারিশ বিবেচনা করা হবে।
৫.৪. নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত কোন প্রার্থী যদি শূন্যপদের চাহিদার ভুলের কারণে অথবা প্রাতিষ্ঠানিক অন্যবিধ উদ্ভূত কারণে যোগদান করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে শূন্যপদ থাকা সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রার্থীর পছন্দ ও মেধাক্রম অনুযায়ী পুন:নিয়োগ সুপারিশ প্রদান করা যাবে।
৬.০. নিয়োগ সুপারিশপত্র ও নিয়োগপত্র প্রদান: নির্বাচিত প্রার্থীকে এনটিআরসিএ নিয়োগ সুপারিশ প্রদানপূর্বক
প্রার্থী এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করবে। সে অনুসারে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে ক্ষেত্রমত প্রতিষ্ঠান প্রধান/দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ও ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি/এডহক কমিটি সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে ০১ (এক) মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র প্রদান করবে।
৭.০ পরিপত্রের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিধি-বিধান প্রণয়ন: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা বোর্ডসমূহসহসংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান বিধিমালা/প্রবিধানমালায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান/সহকারী প্রধান নিয়োগের লক্ষ্যে পরীক্ষা গ্রহণ, প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগের বিষয়ে বর্ণিত কোনো বিধি- বিধান যদি বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন বিধিমালা, ২০২৫ ও এই পরিপত্রের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, উক্ত বিধি-বিধান সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ/বিভাগ জরুরিভিত্তিতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।
৮.০. অযোগ্যতা: কোন প্রার্থী ফোজদারী মামলায় আদালত কর্তৃক দন্ড প্রাপ্ত হলে অথবা বিভাগীয় মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত হলে তিনি আবেদনের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
স্বাক্ষরিত
রেহানা পারভীন
সচিব।





No comments
Your opinion here...