ad

জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়

Views


জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়

‘কার্যকর চাকরি কাল’ গণনার নিয়ম স্পষ্ট, জাতীয়করণের আগের চাকরির পুরো সময় দিয়ে জ্যেষ্ঠতা দাবি করা যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক:

'কার্যকর চাকরি কাল' প্রয়োগ করে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকরা জ্যেষ্ঠতা দাবি করতে পারবে না: আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়
​মূল বিষয়বস্তু ও আদালতের পর্যবেক্ষণ:
​১. জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের আইনি ভিত্তি:
​আপিল বিভাগ তার পূর্ণাঙ্গ রায়ে জানিয়েছেন, পূর্বের অর্জিত ৫০ শতাংশ ‘কার্যকর চাকরি কাল’ প্রয়োগ করে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকরা সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ওপর জ্যেষ্ঠতা দাবি করতে পারবেন না।
​২০১৩ সালের জাতীয়করণকৃত শিক্ষক বিধিমালা অনুযায়ী, ৫০ শতাংশ ‘কার্যকর চাকরি কাল’ গণনা কেবল জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের নিজেদের পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
​২. সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের অবস্থান:
​আদালত স্পষ্ট করেন যে, সার্ভিস রুলস ও নীতি অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা তাদের প্রাথমিক নিয়োগের তারিখ থেকেই সংরক্ষিত থাকবে।
​জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান নির্ধারিত হবে সংশ্লিষ্ট জাতীয়করণের অব্যবহিত পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ সরাসরি শিক্ষকের নিচে। আদালত উল্লেখ করেন, এই বিধান কোনোভাবেই বৈষম্যমূলক বা স্ববিরোধী নয়।
​৩. মামলার পটভূমি ও হাইকোর্টের আদেশ বাতিল:
​জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের একাংশ সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের নিচে অবস্থান না রাখা এবং প্রধান শিক্ষক হিসেবে গণ্য করার দাবিতে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন।
​হাইকোর্ট পূর্বে বিধিমালার একটি অংশ বাতিল করে রিটকারীদের পক্ষে রায় দিয়েছিল।
​পরবর্তীতে সরকার পক্ষ সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ সরকারের সিভিল আপিল মঞ্জুর করে বিধিমালাটির বৈধতা বহাল রাখেন।
​৪. প্রধান শিক্ষক পদের দাবির বিষয়ে রায়:
​প্রধান শিক্ষক পদ দাবির ক্ষেত্রে আপিল বিভাগ উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের ১০ নভেম্বরের অফিস আদেশে তাদের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, যা তারা যথাসময়ে চ্যালেঞ্জ করেননি।
​তাছাড়া ২০০৮ সালের পরিপত্র অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি বা এমপিওভুক্তির প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরণের কোনো দাফতরিক প্রমাণও তারা উপস্থাপন করতে পারেননি। ফলে আইনি অধিকার ব্যতীত সরাসরি প্রধান শিক্ষক গণ্য করার দাবি গ্রহণযোগ্য নয় বলে আপিল বিভাগ পর্যবেক্ষণ দেন।

জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের রায়ে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ‘কার্যকর চাকরি কাল’ এবং সংশ্লিষ্ট চাকরিবিধির বিধান অনুসরণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।

২ জুলাই ২০২৬ তারিখে দেওয়া এ রায়ে আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের পূর্ববর্তী রায় ও আদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সংশোধন/বাতিলের মাধ্যমে জাতীয়করণকৃত ও সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের আইনি কাঠামো ব্যাখ্যা করেন। মামলাটি ছিল Civil Appeal No. 73 of 2023, যা Civil Petition for Leave to Appeal Nos. 1271 and 1326 of 2020 থেকে উদ্ভূত।

মামলার পটভূমি

নথি অনুযায়ী, দেশের বিপুলসংখ্যক নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি সরকার জাতীয়করণ করে। এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীরা সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত হন। নথিতে উল্লেখ আছে, মোট ২৬,১৯৩টি নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের আওতায় নেওয়া হয় এবং এসব বিদ্যালয়ের প্রায় ৯১,০২৪ জন শিক্ষক তালিকাভুক্ত ছিলেন।

জাতীয়করণের পর এসব শিক্ষকের চাকরির শর্ত, জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি, পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা নির্ধারণের জন্য ২০১৩ সালের বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। পরবর্তীতে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে জাতীয়করণের আগে বেসরকারি বিদ্যালয়ে তাঁদের চাকরিকালের কতটুকু বিবেচনায় নেওয়া হবে—তা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

বিরোধের মূল জায়গা কোথায়?

মামলার আবেদনকারীদের দাবি ছিল, তাঁরা জাতীয়করণের আগে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, জাতীয়করণের পর সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্তির সময় তাঁদের পূর্বের চাকরিকাল বিবেচনায় নিয়ে জ্যেষ্ঠতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নির্ধারণ করা উচিত।

অন্যদিকে সরকারের পক্ষের বক্তব্য ছিল, জাতীয়করণকৃত শিক্ষক ও সরাসরি সরকারি চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ২০১৩ সালের বিধিমালার নির্দিষ্ট বিধান অনুসরণ করতে হবে। বিশেষ করে Rule 9(1) ও Rule 9(2)-এর ব্যাখ্যা মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে ওঠে।

‘কার্যকর চাকরি কাল’ কীভাবে বিবেচিত হবে?

আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে তাঁদের পূর্বের চাকরিকালের একটি নির্দিষ্ট অংশ ‘কার্যকর চাকরি কাল’ হিসেবে বিবেচনার বিধান ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

রায়ের আলোচনায় বলা হয়েছে, জাতীয়করণের আগে শিক্ষক হিসেবে সম্পাদিত পূর্ববর্তী চাকরিকালের ৫০ শতাংশ নির্দিষ্ট শর্তে ‘কার্যকর চাকরি কাল’ হিসেবে গণনার বিধান রয়েছে। তবে এই স্বীকৃতি সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সঙ্গে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ইচ্ছামতো ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি করে না।

অর্থাৎ, জাতীয়করণের আগে কোনো শিক্ষক যত বছর চাকরি করেছেন, সেই পুরো সময়কে সরকারি চাকরির জ্যেষ্ঠতা হিসেবে ধরে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ওপরে স্থান পাওয়ার দাবি করা যাবে না। বরং ২০১৩ সালের বিধিমালায় নির্ধারিত পদ্ধতিতে কার্যকর চাকরি কাল হিসাব করতে হবে।

জাতীয়করণের তারিখ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আপিল বিভাগের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তাঁদের জাতীয়করণের তারিখ এবং জাতীয়করণের আগে সম্পাদিত চাকরিকালের বিধিসম্মত অংশ—দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।

রায়ের উদাহরণে একজন জাতীয়করণকৃত শিক্ষকের ক্ষেত্রে দেখানো হয়েছে, যদি তিনি ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয়করণকৃত প্রতিষ্ঠানে সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত হন, তাহলে তাঁর জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে সেই তারিখ থেকে সরকারি চাকরির সময় বিবেচিত হবে এবং জাতীয়করণের আগের চাকরিকালের নির্ধারিত ৫০ শতাংশ কার্যকর চাকরিকাল হিসেবে যুক্ত হবে।

সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক বনাম জাতীয়করণকৃত শিক্ষক

রায়ে একটি মৌলিক নীতির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের জ্যেষ্ঠতা সাধারণত তাঁর প্রাথমিক নিয়োগের তারিখ থেকে নির্ধারিত হয়। অন্যদিকে জাতীয়করণ/শোষিত শিক্ষকের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের তারিখ ও বিধিতে নির্ধারিত কার্যকর চাকরিকাল বিবেচনায় নেওয়া হয়।

ফলে জাতীয়করণের আগের চাকরির পুরো সময়কে সরকারি চাকরির সময় ধরে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের ওপর জ্যেষ্ঠতা দাবি করার সুযোগ নেই—এটাই রায়ের গুরুত্বপূর্ণ আইনি ব্যাখ্যাগুলোর একটি।

হাইকোর্টের আগের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ

এর আগে হাইকোর্ট বিভাগ সংশ্লিষ্ট রিট মামলায় জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের পক্ষে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেখানে ২০১৩ সালের বিধিমালার Rule 9(1)-এর ব্যাখ্যা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ওঠে।

আপিল বিভাগ বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে দেখতে পান যে Rule 9(2)-এর ভাষা জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে কার্যকর চাকরিকাল বিবেচনার কথা বলে; সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত ও জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের জন্য একই ব্যাখ্যা প্রয়োগ করা যাবে না।

প্রধান শিক্ষক পদ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

মামলার নথিতে কয়েকজন শিক্ষক দাবি করেছিলেন যে তাঁরা জাতীয়করণের আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তাঁরা প্রধান শিক্ষক পদে বেতন স্কেল, জ্যেষ্ঠতা ও অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার দাবি করেন।

তবে আপিল বিভাগের সামনে উপস্থাপিত নথিতে দেখা যায়, তাঁদের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ বা পদোন্নতির বিষয়ে যথাযথ সরকারি অনুমোদন ও আনুষ্ঠানিক প্রমাণের প্রশ্নও ছিল। নথিতে আরও উল্লেখ রয়েছে যে জাতীয়করণের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের অফিস আদেশ জারি হয়েছিল।

ফলে শুধু দীর্ঘদিন প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করলেই সরকারি চাকরিতে প্রধান শিক্ষক হিসেবে জ্যেষ্ঠতা বা পদমর্যাদা স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় না; সংশ্লিষ্ট বিধি, নিয়োগ, অনুমোদন ও সরকারি নথিও বিবেচ্য।

রায়ের সম্ভাব্য প্রভাব

এই রায়ের ফলে জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি অবস্থান স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে—

  1. জাতীয়করণের আগের পুরো চাকরিকাল স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরকারি চাকরির জ্যেষ্ঠতা হিসেবে গণ্য হবে না।

  2. বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ‘কার্যকর চাকরি কাল’ বিবেচনা করতে হবে।

  3. জাতীয়করণের আগে সম্পাদিত চাকরিকালের নির্ধারিত অংশই প্রযোজ্য ক্ষেত্রে গণনায় আসবে।

  4. জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের নিজেদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এবং সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সঙ্গে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ—দুটি বিষয়কে একভাবে দেখা যাবে না।

  5. প্রধান শিক্ষক হিসেবে পূর্বে দায়িত্ব পালনের দাবি থাকলেও যথাযথ নিয়োগ/পদোন্নতি ও সরকারি অনুমোদনের নথি গুরুত্বপূর্ণ হবে।

শিক্ষকদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা শুধু পদক্রম নির্ধারণের বিষয় নয়; এর সঙ্গে পদোন্নতি, বেতন স্কেল, নির্বাচন গ্রেড, টাইম স্কেল, পেনশনসহ বিভিন্ন চাকরিসুবিধা জড়িত থাকতে পারে। রায়ের আলোচনাতেও এসব সুবিধার সঙ্গে কার্যকর চাকরিকাল ও জ্যেষ্ঠতার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।

তাই জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা তালিকা প্রস্তুত বা সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ২০১৩ সালের বিধিমালার নির্ধারিত কাঠামো অনুসরণ করতে হবে।

সারসংক্ষেপ

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের এই রায়ের মূল শিক্ষা হলো—জাতীয়করণের আগে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্পাদিত চাকরির পুরো সময়কে সরকারি চাকরির জ্যেষ্ঠতা হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। বিধিমালায় নির্ধারিত ‘কার্যকর চাকরি কাল’ অনুযায়ী পূর্ববর্তী চাকরিকালের প্রযোজ্য অংশ বিবেচনা করতে হবে।

অন্যদিকে, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের বিধানকে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের সঙ্গে এক করে দেখার সুযোগ নেই। ফলে দীর্ঘদিনের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকলেও তা বিধিসম্মত পদ্ধতি ছাড়া সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকের তুলনায় জ্যেষ্ঠতা পাওয়ার স্বয়ংক্রিয় অধিকার তৈরি করে না।

উল্লেখ্য: এটি আপলোড করা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের নথিভিত্তিক সংবাদ প্রতিবেদন। বাস্তবে কোনো শিক্ষক বা নির্দিষ্ট জ্যেষ্ঠতা তালিকার ওপর রায়ের প্রয়োগ কীভাবে হবে, তা সংশ্লিষ্ট নিয়োগপত্র, জাতীয়করণের আদেশ, চাকরির রেকর্ড এবং প্রযোজ্য বিধিমালা দেখে নির্ধারণ করতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ নথি-তথ্য: রায়ের শেষ পৃষ্ঠায় মামলাটিকে Civil Appeal No. 73 of 2023 হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং বিচারক বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীসহ আপিল বিভাগের বিচারপতিদের নাম রয়েছে; রায়ের তারিখ ০২ জুলাই ২০২৬। 'কার্যকর চাকরি কাল' প্রয়োগ করে…

রায়ের পিডিএফ ডাউনলোড

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.