ad

শিক্ষার্থী-শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ অনুদান, নতুন করে আবেদন আহ্বান

Views


শিক্ষার্থী-শিক্ষক-প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ অনুদান, নতুন করে আবেদন আহ্বান

বিশেষ অনুদানের আবেদন ফের শুরু, ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন নেওয়া হবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিচালন বাজেটের আওতায় বিশেষ অনুদান প্রদানের জন্য আবারও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। প্রত্যন্ত, দুর্গম, উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওড় ও অনগ্রসর এলাকার সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ায় নতুন করে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বাজেট শাখা থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা পুনঃবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির স্মারক নম্বর ৩৭,০০,০০০০,০০০,০৬৪.২০,০০১১.২৬-১৫২০।

কেন আবার আবেদন নেওয়া হচ্ছে

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশেষ অনুদানের জন্য এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত মাইগভ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত প্রাপ্যতা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকার অনেক সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থীর অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ সীমিত ছিল।

এ কারণে যোগ্য প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের অনুদান থেকে বঞ্চিত না করার লক্ষ্যে এবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোন কোন ক্ষেত্রে অনুদানের আবেদন করা যাবে

বিশেষ অনুদানের জন্য তিনটি প্রধান ক্যাটাগরিতে আবেদন করা যাবে।

১. বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (এমপিও ও নন-এমপিও):

  1. প্রতিষ্ঠান মেরামত ও সংস্কার

  2. আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ

  3. খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ

  4. প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা

  5. পাঠাগার উন্নয়ন

২. বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী:
দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার কারণে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করা যাবে।

৩. সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী:
ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক/স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে দুরারোগ্য ব্যাধি বা দুর্ঘটনায় আক্রান্ত, দুস্থ, মেধাবী, এতিম, অদম্য মেধাবী ও দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায়, অনগ্রসর সম্প্রদায় এবং উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওড় ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

কীভাবে আবেদন করতে হবে

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রধান/প্রধান শিক্ষককে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষের মাধ্যমে করতে হবে। অন্যদিকে স্নাতক/সমমান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রধান/অধ্যক্ষ/রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে করতে হবে।

প্রতিষ্ঠান প্রধান বা রেজিস্ট্রার আবেদন গ্রহণ করে প্রাথমিক যাচাই শেষে আবেদনগুলো একত্র করে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠাবেন। জেলা পর্যায়ের কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করে সুপারিশকৃত তালিকা তৈরি করবে।

গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা

জেলা কমিটির যাচাই ও সুপারিশের পর আবেদনসমূহ ১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৪টার মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর পৌঁছাতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের পরে পাওয়া কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

কোথায় পাওয়া যাবে আবেদন ফরম

নির্ধারিত আবেদন ফরম পাওয়া যাবে—

  1. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে;

  2. জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে;

  3. উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে;

  4. জেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে;

  5. উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে।

আবেদনের সঙ্গে যেসব কাগজপত্র লাগবে

আবেদনের সঙ্গে যথাযথভাবে পূরণ করা ও প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত আবেদন ফরম এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের সুপারিশ থাকতে হবে।

দুরারোগ্য বা জটিল রোগের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের নিবন্ধিত চিকিৎসকের স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্র, চিকিৎসাপত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

প্রতিবন্ধী আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার দেওয়া প্রতিবন্ধী সনদ প্রয়োজন হবে।

এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন সনদের কপি এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অধ্যয়নরত থাকার প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বীকৃতির কপি, EIIN নম্বর এবং প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিজ নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের তথ্যও আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

অনলাইনে আবেদন করলে আবার ম্যানুয়াল আবেদন করা যাবে না

বিজ্ঞপ্তিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। যারা ইতোমধ্যে অনলাইনে আবেদন করেছেন, তাদের পুনরায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

কোনো আবেদনকারী অনলাইন ও ম্যানুয়াল—দুই পদ্ধতিতেই আবেদন করলে দুইটি আবেদনই বাতিল বলে গণ্য হবে।

এ ছাড়া অনলাইন ও ম্যানুয়াল আবেদনকারীদের তালিকা সমন্বয় করে জেলা পর্যায় থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করতে হবে, যাতে একই আবেদনকারীর নামে দ্বৈত সুপারিশ না হয়।

কতবার এই সুবিধা পাওয়া যাবে

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারীরা চাকরি জীবনে সর্বোচ্চ ২ বার এই সুবিধা নিতে পারবেন।

অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী তার শিক্ষাজীবনে প্রতি ৩ বছর পরপর আবেদন করতে পারবেন।

একই সময়ে অন্য কোনো সরকারি অনুদান পাওয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী এ অনুদানের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার প্রদত্ত সাধারণ উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি এ শর্তের আওতামুক্ত থাকবে।

যেসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচিত হবে না

যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে নির্মাণ, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে অথবা সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে এ ধরনের প্রকল্প সমাপ্ত বা চলমান রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক

অনুদানের অর্থ ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাদের পিতা বা মাতার সঙ্গে যৌথ নামে তফসিলি ব্যাংকে হিসাব থাকতে হবে।

প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নিজ নামে তফসিলি ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।

ভুল বা অসম্পূর্ণ আবেদন বাতিল

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ, ভুল তথ্যসংবলিত অথবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।

তবে আবেদন করা বা কোনো আবেদন সুপারিশ করা মানেই অনুদান পাওয়ার অধিকার সৃষ্টি হবে না। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রচারের নির্দেশ

আবেদনকারীদের সহযোগিতার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারদের তাদের আওতাধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে বলা হয়েছে।

একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটসহ অন্যান্য মাধ্যমে বিশেষ অনুদান সংক্রান্ত পুনঃবিজ্ঞপ্তিটি ব্যাপকভাবে প্রচারের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সারকথা: বিশেষ অনুদানের জন্য অনলাইনে আবেদন করার পরও যোগ্য প্রার্থীর সংখ্যা কম থাকায় এবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পৃথক যোগ্যতা ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে। আবেদন অবশ্যই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানের মাধ্যমে করতে হবে এবং জেলা পর্যায়ের যাচাই ও সুপারিশের পর ১৫ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল ৪টার মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পৌঁছাতে হবে।

 গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 শিক্ষা মন্ত্রণালয় 

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ

 বাজেট শাখা

www.shed.gov.bd

নম্বর: ৩৭,০০,০০০০,০০০,০৬৪.২০,০০১১.২৬-১৫২০

তারিখ: ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুনঃবিজ্ঞপ্তি

এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিচালন বাজেটের আওতায় বিশেষ অনুদান হিসেবে বরাদ্দকৃত অর্থ বিতরণের লক্ষ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত মাইগভ প্লাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়। কিন্তু নির্ধারিত প্রাপ্যতা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রত্যন্ত, দুর্গম, উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওড় ও অনগ্রসর এলাকার সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদনের সুযোগ সীমিত থাকায় অনেক যোগ্য প্রার্থী এ অনুদান প্রাপ্তি থেকে যেন বঞ্চিত না হয় সে লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট হতে নিম্নোক্ত শর্তে আবেদন (ম্যানুয়াল) আহবান করা যাচ্ছে:

১। আবেদনের ক্যাটাগরি

(ক) বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (এম.পি.ও এবং নন এম.পি.ও): মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা এবং পাঠাগার উন্নয়ন;

(খ) বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী: দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনাজনিত কারণে আর্থিক সহায়তা;

(গ) সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে স্নাতক/স্নাতকোত্তর) পর্যায় পর্যন্ত অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রী: দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনায় আক্রান্ত, দুস্থ, মেধাবী, এতিম, অদম্য মেধাবী ও দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায়, অনগ্রসর সম্প্রদায়, উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওড় ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীগণ অগ্রাধিকার পাবেন।

২। আবেদন প্রেরণ পদ্ধতি

(ক) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে অনুদান প্রাপ্তির জন্য স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের প্রধান/প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে;

(খ) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রী ক্যাটাগরিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান/প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ এর মাধ্যমে এবং স্নাতক/সমমান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান/অধ্যক্ষ/রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে;

(গ) প্রতিষ্ঠান প্রধান/অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক/রেজিস্ট্রার আবেদনসমূহ গ্রহণ করে প্রাথমিক যাচাই শেষে একত্র করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরণ করবেন;

(ঘ) অনলাইন এবং ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে একই আবেদন যেন সুপারিশপ্রাপ্ত না হয় এমন দ্বৈততা পরিহারের লক্ষ্যে জেলা কমিটি হতে ইতোপূর্বে প্রেরিত (অনলাইন আবেদন) সুপারিশকৃত তালিকা এবং এ বিজ্ঞপ্তির আওতায় (ম্যানুয়াল) প্রাপ্ত তালিকা সমন্বিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুতপূর্বক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে প্রেরণ করতে হবে;

(ঙ) নির্ধারিত আবেদন ফরম এ বিভাগের ওয়েবসাইট (www.shed.gov.bd) এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট এ পাওয়া যাবে।

৩। আবেদনের সময়সীমা: প্রতিষ্ঠান প্রধান/অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক/রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ জেলা কমিটি কর্তৃক যাচাইপূর্বক সুপারিশকৃত তালিকা আগামী ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪.০০ ঘটিকা (অফিস চলাকালীন সময়) এর মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রাপ্ত কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না।

৪। আবেদনের সাথে প্রদত্ত সংযুক্তি

(ক) যথাযথভাবে পূরণকৃত, প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত (প্রত্যয়নপত্রসহ) এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক কর্তৃক সুপারিশকৃত নির্ধারিত আবেদন ফরম;

(খ) দুরারোগ্য/জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের ক্ষেত্রে (ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি ব্যাধি, হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস মেলিটাস, পক্ষাঘাত, বক্ষব্যাধি, কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন ও দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত) সরকারি হাসপাতালের নিবন্ধিত চিকিৎসক কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্র, চিকিৎসাপত্র ও প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র;

(গ) প্রতিবন্ধিতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত 'প্রতিবন্ধী সনদ';

(ঘ) জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন সনদের কপি এবং শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে অধ্যয়নরত থাকার প্রত্যয়নপত্র;

(ঙ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বীকৃতির কপি, EIIN নম্বর, প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের বিবরণ (হিসাব নম্বর, শাখা, রাউটিং নম্বর চেক বইয়ের পাতা, ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি) এবং শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিজ নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের বিবরণ (হিসাব নম্বর, শাখা, রাউটিং নম্বর চেক বইয়ের পাতা) সংযুক্ত করতে হবে।

৫। শর্তাবলি ও বিশেষ নির্দেশনা

(ক) কোনো আবেদনকারী অনলাইনে আবেদন করে থাকলে পুণরায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। আবেদন করলে দুইটি আবেদনই বাতিল বলে গণ্য হবে;

(খ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারী চাকরি জীবনে সর্বোচ্চ ০২ (দুই) বার এ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। কোনো ছাত্র/ছাত্রী তার শিক্ষাজীবনে প্রতি ০৩ (তিন) বছর পরপর আবেদন করতে পারবে;

(গ) একই সময়ে অন্য কোনো সরকারি অনুদান প্রাপ্ত হলে এ আবেদনের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না। তবে ছাত্র-ছাত্রীর ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সাধারণ উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি এ নীতিমালার আওতামুক্ত থাকবে;

(ঘ) যে সকল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর/অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে নির্মাণ/সংস্কার/রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম বা উক্ত অর্থবছরে সমাপ্ত/চলমান প্রকল্প রয়েছে, সে সকল প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচিত হবে না;

(ঙ) ইতোপূর্বে অনলাইনে আবেদনকারী এবং ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদনকারী উভয়ের ক্ষেত্রে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অনুদানের অর্থ প্রদান করা হবে। সেক্ষেত্রে অপ্রাপ্ত বয়স্ক যে সকল শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তাদের পিতা/মাতার সাথে যৌথ নামে এবং প্রাপ্ত বয়স্ক শিক্ষার্থীদের নিজ নামে যে কোনো তফসিলি ব্যাংকে একাউন্ট থাকা বাধ্যতামূলক;

(চ) অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ, ভুল তথ্য সংবলিত কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিহীন আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে;

(ছ) আবেদন বা সুপারিশকে অর্থ প্রাপ্তির অধিকার হিসেবে গণ্য করা যাবে না। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে;

(জ) ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ জেলা পর্যায়ের কমিটি অনলাইন পদ্ধতির ন্যায় একই যোগ্যতা, শর্ত ও অগ্রাধিকার অনুসরণ করে যাচাই-বাছাই করবে:

(ঝ) বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত আবেদনের শর্তাবলী অমান্যকারী/অসুদপায় অবলম্বনকারীর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে;

(ঞ) সকল জেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তাঁর আওতাধীন মাধ্যমিক পর্যায়ের (সরকারি-বেসরকারি) সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণকে আবেদনকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য নির্দেশনা প্রদান করবেন;

(ট) স্নাতক ও তদুর্ধ্ব/সমমান পর্যায়ের সকল (সাধারণ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান/রেজিস্ট্রার মহোদয়গণকে আবেদনকারীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো;

(ঠ) সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিসার ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয় এর নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটসহ অন্যান্য মাধ্যমে অনুদান প্রদান সংক্রান্ত এ বিজ্ঞপ্তি ব্যাপক প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

স্বাক্ষরিত

(মোছা: নাজমুন নাহার) 

যুগ্মসচিব।


আবেদন ফরমেট সহ পিডিএফ ডাউনলোড

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.