ad

আয়কর রিটার্নে বড় সুখবর: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিলে মিলবে ৫% কর প্রণোদনা

Views


আয়কর রিটার্নে বড় সুখবর: নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিলে মিলবে ৫% কর প্রণোদনা

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ৫% পর্যন্ত কর ছাড়, নতুন প্রণোদনা ঘোষণা এনবিআরের

ঢাকা, ২ আগস্ট ২০২৬: করদাতাদের স্বেচ্ছায় কর পরিপালনে উৎসাহিত করতে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে নতুন কর প্রণোদনা ঘোষণা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আয়কর আইন, ২০২৩-এর নতুন বিধান অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারী স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার (HUF) করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর ছাড় পাবেন। তবে এই কর ছাড়ের সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা

রবিবার (২ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রকাশিত এক প্রেস রিলিজে এ তথ্য জানানো হয়।

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে কর প্রণোদনা

এনবিআর জানায়, আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী নির্ধারিত পরিশোধযোগ্য করের ওপর এই কর প্রণোদনা দেওয়া হবে। অর্থাৎ, যেসব ব্যক্তি করদাতা ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন, তারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা) কর ছাড় বা কর প্রণোদনা পাবেন।

তবে ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

দেরিতে রিটার্ন দিলে অতিরিক্ত কর দিতে হবে

প্রেস রিলিজে আরও জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।

  1. ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৭৩(২) অনুযায়ী পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩,০০০ টাকা, যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে।

  2. ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫,০০০ টাকা, যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে।

সময়মতো কর পরিশোধে উৎসাহ বাড়বে

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মতে, বছরের শুরুতেই কর প্রণোদনার সুযোগ দেওয়ার ফলে অধিকসংখ্যক করদাতা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আয়কর রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত হবেন। এর মাধ্যমে দেশে কর পরিপালনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম হবে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল।

ই-রিটার্ন সেবা চালু, ঘরে বসেই রিটার্ন দাখিলের সুযোগ

এনবিআর জানায়, ২২ জুলাই ২০২৬ থেকে ২০২৬–২০২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করা হয়েছে।

করদাতারা www.etaxnbr.gov.bd পোর্টালের মাধ্যমে ঘরে বসেই সহজে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধের সুবিধাও রয়েছে।

সঠিক তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তিস্বীকারপত্র এবং আয়কর সনদ অনলাইনে সংগ্রহ করা যাবে।

সহায়তার জন্য রয়েছে কল সেন্টার

অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে কোনো সমস্যা হলে সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত অফিস চলাকালীন সময়ে এনবিআরের কল সেন্টার ০৯৬৪৩৭১৭১৭১-এ যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়া যাবে। এছাড়াও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও সহায়তা প্রদান করা হবে।

করদাতাদের প্রতি এনবিআরের আহ্বান

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড করদাতাদের উদ্দেশ্যে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যেই আয়কর রিটার্ন দাখিল করে ৫ শতাংশ পর্যন্ত কর প্রণোদনার সুবিধা গ্রহণ করার জন্য। কারণ, ৩০ সেপ্টেম্বরের পর দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে এই কর প্রণোদনা আর প্রযোজ্য হবে না।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
 জাতীয় রাজস্ব বোর্ড 
প্লট-এফ/১এ, আগারগাঁও 
শেরেবাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭
www.nbr.gov.bd

তারিখ: ০২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রেস রিলিজ
৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ৫% পর্যন্ত কর প্রণোদনা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড করদাতাগণের স্বেচ্ছায় কর পরিপালন উৎসাহিত করার লক্ষ্যে আয়কর আইন, ২০২৩ এর নতুন বিধান অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলে কর প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছে।
নতুন বিধান অনুযায়ী, ০১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারী স্বাভাবিক ব্যক্তি (Individual) ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার করদাতাগণ আয়কর রিটার্নের সাথে পরিশোধযোগ্য কর (আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩ অনুযায়ী) এর ৫ শতাংশ (সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা) কর প্রণোদনা বা কর ছাড় প্রাপ্ত হবেন। তবে, ০১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।

অন্যদিকে, ০১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করলে আয়কর রিটার্নের সাথে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩ (২) অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩,০০০ টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে। এছাড়া, ০১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্নের সাথে আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৭৩ (২) অনুসারে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫,০০০ টাকা, এই দুইয়ের মধ্যে যা বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিশ্বাস করে যে, নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন দাখিলে কর প্রণোদনা প্রদানের ফলে অধিক সংখ্যক করদাতা সময়মতো রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত হবেন, কর পরিপালনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে এবং কর প্রশাসনের কার্যক্রম অধিকতর দক্ষ ও সুশৃঙ্খল হবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গত ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাগণের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করেছে। করদাতাগণ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের www.etaxnbr.gov.bd সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরে বসেই সহজে আয়কর রিটার্ন দাখিল এবং ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারবেন। সঠিক তথ্য প্রদান করে নির্ভুলভাবে রিটার্ন দাখিলের পর তাৎক্ষণিকভাবে প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা সম্ভব। অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তাগণ সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত অফিস চলাকালীন কল সেন্টার (০৯৬৪৩৭১৭১৭১) এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবেন।

৩০ সেপ্টেম্বরের পর দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না। তাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সম্মানিত করদাতাগণকে উক্ত সময়ের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করে কর প্রণোদনার সুবিধা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে।

-জাতীয় রাজস্ব বোর্ড


 

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.