ad

নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে ১২ দফা নির্দেশনা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের

Views

 


নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে ১২ দফা নির্দেশনা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ভুয়া বা প্রক্সি পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণ ঠেকাতে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে পরীক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), মোবাইল ফোন, ব্লুটুথ ডিভাইসসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অপব্যবহার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট ২০২৬) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি জারি করা হয়। উপসচিব শরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং তাদের অধীন দপ্তর, সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে চাকরি পাওয়ার চেষ্টা

চিঠিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধীন দপ্তর-সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কার্যক্রমে কিছু পরীক্ষার্থী নিজের পরিবর্তে ভুয়া বা প্রক্সি পরীক্ষার্থী ব্যবহার করে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের চেষ্টা করছে।

এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করেও অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীর পরিবর্তে অযোগ্য ও ভুয়া প্রার্থীর চাকরি পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এতে নিয়োগের স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে প্রক্সি পরীক্ষার্থী প্রতিরোধে ১২টি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

নিয়োগ পরীক্ষায় ১২ দফা নির্দেশনা

১. সাম্প্রতিক ছবি বাধ্যতামূলক
নিয়োগের আবেদনপত্রে প্রার্থীর আবেদন দাখিলের এক মাসের মধ্যে তোলা সাম্প্রতিক রঙিন ছবি ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ পুরোনো ছবি ব্যবহারের সুযোগ কমাতে আবেদনপত্রে সাম্প্রতিক ছবি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

২. লিখিত পরীক্ষার আগে আবেদন যাচাই
লিখিত পরীক্ষার আগে প্রার্থীদের আবেদনপত্র ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। প্রার্থীর পরিচয় ও আবেদনের তথ্য সঠিকভাবে পরীক্ষা করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

৩. ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও ব্যাগ নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ নিষেধ
পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় কোনো পরীক্ষার্থী যাতে মোবাইল ফোন, ক্ষুদ্রাকৃতির ব্লুটুথ ডিভাইস, ক্যালকুলেটর, ডিজিটাল হাতঘড়ি বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

একই সঙ্গে ব্যাগ, বই-পুস্তকসহ পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন সামগ্রীও কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের মেটাল ডিটেকটরের মাধ্যমে পরীক্ষা করা যেতে পারে।

৪. পরীক্ষা শুরু হলে আর প্রবেশ নয়
পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কোনো পরীক্ষার্থীকে কোনোভাবেই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।

৫. দায়িত্বপ্রাপ্তদের ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ
পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না।

৬. প্রবেশপত্র, ছবি ও রোল নম্বর যাচাই
পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও হাজিরা শিটে থাকা ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারা এবং রোল নম্বর মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর কক্ষ পরিদর্শকরা উত্তরপত্রে স্বাক্ষর করবেন।

কোনো ধরনের অসঙ্গতি বা সন্দেহ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।

৭. মৌখিক পরীক্ষায় হাতের লেখা যাচাই
মৌখিক পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র ও লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের হাতের লেখার সঙ্গে তার হাতের লেখার সাদৃশ্য পরীক্ষা করতে হবে।

প্রয়োজনে লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের লেখার সঙ্গে মিলিয়ে দেখার জন্য মৌখিক পরীক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীকে পুনরায় সংক্ষিপ্তভাবে কিছু লিখতে দেওয়া যেতে পারে।

৮. লিখিত পরীক্ষার্থীদের ছবি সংরক্ষণ
সম্ভব হলে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সব পরীক্ষার্থীর ছবি তুলে রাখতে হবে। পরবর্তীতে ব্যবহারিক বা মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীর সঙ্গে সেই ছবি মিলিয়ে দেখতে হবে।

৯. মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষার্থীদের ছবি বাধ্যতামূলকভাবে সংরক্ষণ
মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর ছবি তুলে রাখতে হবে। পরবর্তীতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থী চাকরিতে যোগদানের সময় তার সঙ্গে সংরক্ষিত ছবি মিলিয়ে দেখতে হবে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরই যোগদানপত্র গ্রহণ করতে হবে।

১০. আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা
পরীক্ষা শুরুর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

১১. প্রক্সি ধরা পড়লে আইনগত ব্যবস্থা
পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল কোর্ট বা সামারি ট্রায়াল পরিচালনার জন্য আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।

কোনো ভুয়া বা প্রক্সি পরীক্ষার্থী শনাক্ত হলে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলকভাবে মোবাইল কোর্ট, সামারি ট্রায়াল অথবা নিয়মিত মামলা দায়ের করতে হবে।

১২. বায়োমেট্রিকসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার
প্রক্সি পরীক্ষার্থী শনাক্ত ও প্রতিরোধে বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভিজিল্যান্স টিম দিয়ে তদারকির নির্দেশ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে এ নির্দেশনা তাদের অধীন দপ্তর, সংস্থা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন প্রয়োজনীয় ভিজিল্যান্স টিমের মাধ্যমে নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা তদারকির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের উদ্যোগ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এই নির্দেশনার মূল লক্ষ্য হলো প্রকৃত পরীক্ষার্থীর পরিচয় নিশ্চিত করা এবং ভুয়া বা প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করা। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর অসদুপায় ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অপব্যবহার রোধ করে নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করা।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থীর ছবি, চেহারা, রোল নম্বর, হাতের লেখা এবং প্রয়োজনে প্রযুক্তিনির্ভর পরিচয় যাচাইয়ের ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সূত্র: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রশাসন-১ শাখা; স্মারক নম্বর: ০৫.০০,০০০০,০০০,১১০.১১.০০৫০.২৬.১১৪৩; তারিখ: ১১ আগস্ট ২০২৬।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রশাসন-১ শাখা

https://mopa.gov.bd

স্মারক নম্বর: ০৫.০০,০০০০,০০০,১১০.১১.০০৫০.২৬.১১৪৩

তারিখ: ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ১১ আগস্ট ২০২৬

বিষয়: নিয়োগে ভূয়া (প্রক্সি) পরীক্ষার্থীর অংশগ্রহণ প্রতিরোধ সংক্রান্ত নির্দেশনা।

সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মন্ত্রণালয়/বিভাগ এবং অধীন দপ্তর/সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কার্যক্রমে কিছু সংখ্যক পরীক্ষার্থী নিজে অংশগ্রহণ না করে নানারূপ অসদুপায় (যেমন ভূয়া বা প্রক্সি পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে লিখিত/ব্যাবহারিক/মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস এর ব্যবহার ইত্যাদি) অবলম্বন করে চাকরি লাভের চেষ্টা করছে। ফলে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীর পরিবর্তে অযোগ্য ও ভূয়া প্রার্থী চাকুরি লাভের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, যা সুষ্ঠু নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রবলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে নিয়োগ পরীক্ষায় ভূয়া (প্রক্সি) পরীক্ষার্থী প্রতিরোধে নিম্নবর্ণিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণসহ বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো:

১) আবেদনপত্রে আবশ্যিকভাবে প্রার্থীদের সম্প্রতি (আবেদন দাখিলের এক মাস পূর্ব পর্যন্ত) তোলা রঙ্গিন ছবি ব্যবহার করা;

২) লিখিত পরীক্ষার পূর্বে প্রার্থীদের আবেদন ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করা;

৩) লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রবেশের সময় কোনোক্রমেই ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস (যেমন: ক্ষুদ্রাকৃতির ব্লুটুথ ডিভাইজ, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ডিজিটাল হাতঘড়ি ইত্যাদি), ব্যাগ, বই-পুস্তক সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষার্থীর যেন কক্ষে প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা। এক্ষেত্রে পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের মেটাল ডিটেকটর দিয়ে পরীক্ষা করা যেতে পারে;

৪) পরীক্ষা শুরুর পর কোনক্রমেই পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে না দেয়া;

৫) পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্তদের মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার না করা;

৬) প্রবেশপত্র ও হাজিরা শিটে সংযুক্ত ছবির সাথে পরীক্ষার্থীর চেহারা এবং রোল নম্বর মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরে কক্ষ পরিদর্শকগণ কর্তৃক উত্তরপত্রে স্বাক্ষর করা এবং কোনো অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অবহিত করা;

৭) মৌখিক পরীক্ষার সময়ে প্রবেশপত্র এবং লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের সাথে হাতের লেখার সাদৃশ্য পরীক্ষা করা। প্রয়োজনে উত্তরপত্রের লেখার সাথে মৌখিক পরীক্ষা বোর্ডে পুনরায় সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা পরীক্ষা করা;

৮) সম্ভব হলে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর ছবি তুলে রাখা এবং পরবর্তীতে ব্যাবহারিক/মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীর সাথে উক্ত ছবি মিলিয়ে দেখা;

৯) আবশ্যিকভাবে মৌখিক/ব্যাবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর ছবি তুলে রাখতে হবে এবং পরবর্তীতে সর্তকতার সাথে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীর যোগদানের সময় উক্ত ছবি পরীক্ষা করে তাদের যোগদানপত্র গ্রহণ করা;

১০) পরীক্ষার পূর্বে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী/গোয়েন্দা সংস্থার সাহায্য গ্রহণ করা;

১১) পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল কোর্ট/সামারি ট্রায়াল পরিচালনার জন্য পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ এবং ভূয়া (প্রক্সি) পরিক্ষার্থী সনাক্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলকভাবে মোবাইল কোর্ট/সামারি ট্রায়াল/নিয়মিত মামলা দায়ের করা;

১২) ভূয়া (প্রক্সি) পরীক্ষার্থী প্রতিরোধে অন্যান্য প্রযুক্তি যেমন: বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা।

০২. মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহকে বিষয়টি তাদের অধীন দপ্তর/সংস্থা/অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করার এবং পরীক্ষা চলাকালীন প্রয়োজনীয় ভিজিল্যান্স টিম-এর মাধ্যমে বিষয়টি তত্ত্বাবধান এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

স্বাক্ষরিত

শরিফুল ইসলাম 

উপসচিব। 



No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.