সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলিতে নতুন নীতিমালা, চার স্তরের কমিটি গঠন
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলিতে নতুন নীতিমালা, চার স্তরের কমিটি গঠন
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলিতে নতুন কমিটি গঠন, মাসে অন্তত একবার সভা বাধ্যতামূলক
ঢাকা, ২১ জুন ২০২৬: সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন, কর্মরত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চার স্তরের কমিটি গঠন করেছে সরকার। একই সঙ্গে শিক্ষক বদলি ও সংযুক্তি সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা ও শর্তাবলিও নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ অধিশাখা থেকে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
চার স্তরের কমিটি গঠন
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শিক্ষক বদলি ও পদায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা এবং উপজেলা/থানা পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জাতীয় কমিটি
জাতীয় কমিটির সভাপতি থাকবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বিদ্যালয়) এবং সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন)।
এই কমিটি প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করে আন্তঃবিভাগীয় ও সিটি কর্পোরেশন এলাকার সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করবে এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্ত তালিকা পাঠাবে। অনুমোদনের পর বদলির আদেশ জারি করা হবে।
বিভাগীয় কমিটি
সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত একই বিভাগের মধ্যে শিক্ষক বদলি নিষ্পত্তির জন্য বিভাগীয় কমিশনারকে সভাপতি করে বিভাগীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি প্রতি মাসে অন্তত একবার সভা করবে এবং একই বিভাগের মধ্যে বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করে অনুমোদনের পর বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা) বদলির আদেশ জারি করবেন।
জেলা কমিটি
জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জেলা পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের লটারির মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়ন নিশ্চিত করবে।
এ ছাড়া একই জেলার মধ্যে কর্মরত শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করে অনুমোদনের ভিত্তিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বদলির আদেশ জারি করবেন।
উপজেলা/থানা কমিটি
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাপতিত্বে উপজেলা বা থানা পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একই উপজেলা বা থানার মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করে উপজেলা বা থানা কমিটির অনুমোদনের ভিত্তিতে উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বদলির আদেশ জারি করবেন।
প্রতি মাসে সভা বাধ্যতামূলক
চার স্তরের প্রতিটি কমিটিকেই প্রতি মাসে অন্তত একটি সভা আয়োজন করতে হবে। সভায় শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যবিবরণী ও প্রতিবেদন পাঠাতে হবে।
প্রতিস্থাপনপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ে অগ্রাধিকার
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যেসব বিদ্যালয়ে আগে থেকেই প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে, সেসব বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক পদায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
বদলির জন্য যেসব শর্ত মানতে হবে
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
চাকরির ন্যূনতম দুই বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক বা শিক্ষিকা বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।
একবার বদলি হওয়ার পর পরবর্তী তিন বছর পর্যন্ত পুনরায় বদলির আবেদন করা যাবে না।
শুধুমাত্র শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা যাবে।
কোনো শিক্ষকের লিখিত আবেদন ছাড়া তাঁকে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা যাবে না। তবে জনস্বার্থ বা প্রশাসনিক প্রয়োজনে জাতীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে বদলি করা যাবে।
যেসব বিদ্যালয়ে পাঁচজন বা তার কম শিক্ষক কর্মরত আছেন অথবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০-এর বেশি, সেসব বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক বদলি করা যাবে না।
একই বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক আবেদন করলে জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অগ্রাধিকার পাবেন।
একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ তিনজন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা যাবে।
সকল শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারী শিক্ষকদের নিজ স্থায়ী ঠিকানা অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
লটারির মাধ্যমে নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদায়ন
জেলা পর্যায়ের কমিটিকে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের লটারির মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পদায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সমতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
অবিলম্বে কার্যকর
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব রাজীব কুমার সরকার প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন।
সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
✅ শিক্ষক বদলির জন্য জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা—চার স্তরের কমিটি গঠন।
✅ প্রতি মাসে অন্তত একবার কমিটির সভা বাধ্যতামূলক।
✅ নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের লটারির মাধ্যমে পদায়ন।
✅ চাকরির দুই বছর পূর্ণ না হলে বদলি নয়।
✅ বদলির পর তিন বছর পর্যন্ত পুনরায় বদলি করা যাবে না।
✅ শুধু শূন্য পদে বদলি সম্ভব।
✅ নারী শিক্ষকদের নিজ বা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে বদলিতে অগ্রাধিকার।
✅ শিক্ষক সংকট রয়েছে এমন বিদ্যালয় থেকে বদলি দেওয়া যাবে না।
(একই স্মারক ও তারিখে প্রতিস্থাপিত)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
বিদ্যালয়-২ অধিশাখা
www.mopme.gov.bd
নং: ৩৮.০০.০০০০,০০০,০০৮,০৪,০০০১.১৭-৩৫০
তারিখ: ০৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ২১ জুন ২০২৬
প্রজ্ঞাপন
সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের পদায়ন, কর্মরত সকল শিক্ষকের বদলি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা এবং পর্যালোচনাপূর্বক নিষ্পত্তিকরণের লক্ষ্যে নিম্নোক্তভাবে কমিটি গঠন করা হলো:
(ক) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তিকরণ বিষয়ক জাতীয় কমিটি:
ক. মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সভাপতি
খ. যুগ্মসচিব (বিদ্যালয়), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
সদস্য
গ. পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সদস্য-সচিব
কমিটির কার্যপরিধি:
১. উক্ত কমিটি প্রতি মাসে অন্তত ০১ (এক) বার সভা আহবান করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন;
২. যে সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকগণ ইতঃপূর্বে প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে বদলির আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন সে সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন করতে হবে; এবং
৩. আন্তঃ বিভাগে ও সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই বাছাইপূর্বক চূড়ান্ত তালিকা প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করবেন। এ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক অনুমোদন সাপেক্ষে পরিচালক (পলিসি ও অপারেশন), প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আদেশ জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(খ) অন্তঃ বিভাগ (সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত) প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তিকরণ বিষয়ক কমিটি:
ক. বিভাগীয় কমিশনার
সভাপতি
খ. বিভাগীয় উপপরিচালক (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা)
সদস্য
গ. ০২ (দুই) জন বিদ্যোৎসাহী/শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি (সভাপতি কর্তৃক মনোনীত)
সদস্য
ঘ. বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা)
সদস্য-সচিব
কমিটির কার্যপরিধি:
১. উক্ত কমিটি প্রতি মাসে অন্তত ০১ (এক) বার সভা আহবান করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং এ সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণীসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রেরণ করবেন;
২. যেসকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকগণ ইতঃপূর্বে প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে বদলির আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন সে সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন করতে হবে; এবং
৩. একই বিভাগের মধ্যে (সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত) সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই বাছাইপূর্বক বিভাগীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা বদলির আদেশ জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(গ) জেলা (পৌরসভাসহ তবে সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত) পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নবনিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পদায়ন, কর্মরত শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তিকরণ বিষয়ক কমিটি:
ক. জেলা প্রশাসক
সভাপতি
খ. জেলা শিক্ষা অফিসার
সদস্য
গ. ০২ (দুই) জন বিদ্যোৎসাহী/শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি (সভাপতি কর্তৃক মনোনীত)
সদস্য
ঘ. জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
সদস্য-সচিব
কমিটির কার্যপরিধি:
১. উক্ত কমিটি প্রতি মাসে অন্তত ০১ (এক) বার সভা আহবান করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং এ সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণীসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন বিভাগীয় উপপরিচালক (প্রাথমিক শিক্ষা)-এর কার্যালয়ে প্রেরণ করবেন;
২. এই কমিটি নবনিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের লটারির মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পদায়ন নিশ্চিত করবেন;
৩. যেসকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকগণ ইতঃপূর্বে প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে বদলির আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন সে সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন করতে হবে; এবং
৪. একই জেলার মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই বাছাইপূর্বক জেলা কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বদলির আদেশ জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
(ঘ) উপজেলা/থানা (পৌরসভাসহ) পর্যায়ে প্রাথমিক শিক্ষক বদলির আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তিকরণ বিষয়ক কমিটি:
ক. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
সভাপতি
খ. উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার
সদস্য
গ. ০২ (দুই) জন বিদ্যোৎসাহী/শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি (সভাপতি কর্তৃক মনোনীত)
সদস্য
ঘ. উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার
সদস্য-সচিব
কমিটির কার্যপরিধি:
১. উক্ত কমিটি প্রতি মাসে অন্তত ০১ (এক) বার সভা আহবান করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই-বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং এ সংক্রান্ত সভার কার্যবিবরণীসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করবেন; এবং
২. যে সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকগণ ইতঃপূর্বে প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে বদলির আদেশ প্রাপ্ত হয়েছেন সে সকল বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পদায়ন করতে হবে; এবং
৩. একই উপজেলা/থানার মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের বদলির আবেদন যাচাই বাছাইপূর্বক উপজেলা/থানা কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বদলির আদেশ জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
২.০ কমিটিসমূহ বদলি/সংযুক্তির ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অনুসরণ করবে:
ক. চাকুরির মেয়াদ ন্যূনতম ২ (দুই) বছর পূর্ণ না হলে কোনো সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা বদলিযোগ্য বিবেচিত হবেন না। যে কোনো বদলির পর ০৩ (তিন) বছর অতিক্রম না হলে কোনো শিক্ষক পুনঃবদলির জন্য বিবেচিত হবেন না;
খ. সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে শুধু শূন্য পদের বিপরীতে বদলি করা যাবে;
গ. কোনো শিক্ষকের আবেদন ব্যতীত নিজ বিদ্যালয় হতে অন্য বিদ্যালয়ে বদলি করা যাবে না। তবে, জনস্বার্থে/প্রশাসনিক কারণে জাতীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে বদলি করা যাবে;
ঘ. যে সকল বিদ্যালয়ে ০৫ (পাঁচ) জন বা তার কম সংখ্যক শিক্ষক কর্মরত আছেন কিংবা শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০ এর বেশি রয়েছে, সে সকল বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক বদলি করা যাবে না;
ঙ. একই বিদ্যালয়ে একাধিক শিক্ষক বদলির আবেদন করলে যথাক্রমে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকগণ অগ্রাধিকার পাবেন;
চ. একটি বিদ্যালয়ে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) জন শিক্ষককে সংযুক্তি পদায়ন করা যাবে; এবং
ছ. বদলির ক্ষেত্রে সকল শর্তাদি পূরণ সাপেক্ষে শিক্ষিকাগণ স্থায়ী ঠিকানা/স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার নিকটবর্তী বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।
৩.০ জনস্বার্থে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো এবং যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে
স্বাক্ষরিত
(রাজীব কুমার সরকার)
উপসচিব।
pdf download




No comments
Your opinion here...