ad

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিহত-আহত ও অসুস্থদের জন্য অনুদান নীতিমালা জারি

Views



নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে নিহত-আহত ও অসুস্থদের জন্য অনুদান নীতিমালা জারি

ঢাকা, ৮ জুন ২০২৬: জাতীয় সংসদ নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা প্রণয়ন কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিহত, আহত, অসুস্থ বা গুরুতর অসুস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য আর্থিক সহায়তা ও অনুদান প্রদানের লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

রোববার (৮ জুন) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে “নির্বাচনে ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা/অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৬” অনুমোদনের কথা জানানো হয়।

উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-১) রাশেদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখ থেকে এ নীতিমালা কার্যকর হবে।

কারা পাবেন সুবিধা

নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচন এবং ভোটার তালিকা প্রস্তুত কার্যক্রমে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এ সুবিধার আওতায় আসবেন।

নিহতদের পরিবার পাবে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা

দায়িত্ব পালনকালে দুর্বৃত্তের হামলা বা দুর্ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী নিহত হলে তার পরিবার সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা অনুদান পাবে। এছাড়া—

  • গুরুতর আহত ও স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা;

  • গুরুতর আহত ও সাময়িকভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা;

  • আহত ব্যক্তির ক্ষেত্রে আঘাতের ধরন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হবে।

অসুস্থতা বা আকস্মিক মৃত্যুর ক্ষেত্রেও সহায়তা

দায়িত্ব পালনকালে আকস্মিক অসুস্থতা বা গুরুতর অসুস্থতার কারণে মৃত্যু হলে তার পরিবার সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পাবে।

এছাড়া—

  • গুরুতর অসুস্থ ও স্থায়ীভাবে অক্ষম হলে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা;

  • সাময়িক অসুস্থ ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা;

  • হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ব্যয়বহুল চিকিৎসা গ্রহণ করলে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা;

  • সাধারণ চিকিৎসা গ্রহণ করলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হবে।

উত্তরাধিকারীদের জন্য বিশেষ বিধান

নীতিমালায় মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অনুদান বণ্টনের বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রাখা হয়েছে। একাধিক স্ত্রী থাকলে সমানভাবে অনুদান ভাগ হবে। স্বামী বা স্ত্রী জীবিত না থাকলে অনূর্ধ্ব ২৫ বছর বয়সী সন্তান, সন্তান না থাকলে বাবা-মা আবেদন করতে পারবেন।

অবিবাহিত কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে বাবা-মা কিংবা ভাই-বোন আবেদন করতে পারবেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে বিবাহিত কন্যাও প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি দাখিল করে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন করতে হবে

অসুস্থতা, আঘাত বা মৃত্যুর ঘটনায় আর্থিক সহায়তা পেতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা পরিবারের সদস্যকে ঘটনার সর্বোচ্চ ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার বা অফিস প্রধানের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আবেদনের সঙ্গে ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র, উত্তরাধিকার সনদ, চিকিৎসা সংক্রান্ত সনদ, হাসপাতালের ভর্তির প্রমাণপত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।

যাচাই-বাছাই কমিটি গঠন

অনুদান প্রদানের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের পাঁচ সদস্যের একটি যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি থাকবেন নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-১ শাখার যুগ্মসচিব।

কমিটি প্রতি অর্থবছরে অন্তত দুইবার আবেদন যাচাই-বাছাই করে অনুদানের পরিমাণ নির্ধারণ করবে এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের জন্য সুপারিশ পাঠাবে।

কমিশনের অনুমোদনের পর অর্থ প্রদান

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যাচাই-বাছাই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে আর্থিক অনুদান ও সহায়তা প্রদান করা হবে। প্রয়োজনে মেডিক্যাল বোর্ডের সুপারিশও গ্রহণ করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন এই নীতিমালার ফলে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে ঝুঁকির মুখে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জন্য একটি সুরক্ষা কাঠামো নিশ্চিত হবে এবং দুর্ঘটনা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো আর্থিক সহায়তা পাবে।

 বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নির্বাচন

 কমিশন সচিবালয় 

নির্বাচন ভবন, আগারগাঁও, ঢাকা।

www.ecs.gov.bd

নম্বরঃ-১৭,০০,০০০০.০৩৭.৩৬.০০৭.২৪.১৮৫

প্রজ্ঞাপন

তারিখ:২৫ জৈষ্ঠ্য ১৪৩৩ ০৮ জুন ২০২৬

নম্বরঃ ১৭.০০.০০০০.০৩৭.৩৬.০০৭.২৪.১৮৫। জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের (ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ) নির্বাচনে দায়িত্ব পালন এবং ভোটার তালিকা প্রণয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণরত অবস্থায় অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যকে ক্ষতিপূরণ। প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা বা অনুদান প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন নিম্নরূপ নীতিমালা প্রণয়ন করিল যাহাঃ

(১) শিরোনাম

"নির্বাচনে ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত কর্মকর্তা/কর্মচারী ও মৃত ব্যক্তির পরিবারকে আর্থিক সহায়তা/অনুদান প্রদান নীতিমালা-২০২৬

(২) ইহা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসীল ঘোষণার তারিখ হইতে কার্যকর হইবে।

(৩) প্রবর্তনঃ যাদের জন্য প্রযোজ্যঃ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহের (ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ) নির্বাচনে ও ভোটার তালিকা প্রস্তুতের দায়িত্বে/কার্যক্রমে নিয়োজিত সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী/আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য/ব্যক্তি এর আওতাভুক্ত হইবেন।

(৪) সংঙ্গাঃ বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে এ নীতিমালায়-

(ক) কর্মকর্তা-কর্মচারীঃ কর্মকর্তা-কর্মচারী অর্থ নির্বাচন ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও এর অন্তর্ভুক্ত হইবে।

(খ) যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটিঃ এই নীতিমালার অনুচ্ছেদ ১০ এর আওতায় গঠিত যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটি।

(গ) মেডিক্যাল সনদ: এ নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৯ এর ৬ এর আওতায় সিভিল সার্জন/সরকারি হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত সনদ/হাসপাতালে ভর্তির প্রমাণপত্র;

(ঘ) অনুদানঃ এ নীতিমালার অনুচ্ছেদ-৬ এর আওতায় এককালীন আর্থিক অনুদান।

(ঙ) পরিবারঃ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর পরিবারের সদস্য এবং উত্তরাধিকারী নির্ধারণের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগ হতে সর্বশেষ জারীকৃত সরকারি কর্মচারীগণের পেনশন সহজীকরণ আদেশ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনুসরণ করিতে হইবে; তবে-

(i) মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্ত্রীর ক্ষেত্রে একাধিক স্ত্রী থাকিলে আর্থিক অনুদানের পরিমাণ সমানভাবে বণ্টন করা হইবে; এক্ষেত্রে স্ত্রীদের যৌথভাবে আবেদন করিতে হইবে এবং মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুদান প্রাপ্তির পূর্বে স্বামী/স্ত্রী পুনর্বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইলে এই সুবিধা প্রাপ্য হইবেন না;

(ii) কোন মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বামী/স্ত্রী জীবিত না থাকিলে সেক্ষেত্রে তাঁর অনূর্ধ্ব ২৫ বছরের পুত্র/অবিবাহিত কন্যা সন্তান, পুত্র/কন্যা না থাকলে মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর বাবা/মা অনুদানের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন;

(iii) কোনো মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বামী/স্ত্রী জীবিত না থাকিলে এবং তাদের নাবালক সন্তান থাকিলে অভিভাবক নির্ধারণ সংক্রান্ত "পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫" প্রযোজ্য হইবে;

(iv) মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারী অবিবাহিত হইলে বাবা/মা কিংবা ভাই/বোন আবেদন করিতে পারিবেন;

(V) মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বামী/স্ত্রী/বাবা/মা/পুত্র/অবিবাহিত কন্যা সন্তান না থাকিলে বিবাহিত কন্যা উপযুক্ত প্রমাণসহ আবেদন করিতে পারিবেন;

(vi) মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারী নিঃসন্তান হইলে আবেদনকারীর স্বামী/স্ত্রী ৫০% এং মৃত কর্মচারীর বাবা/মা কিংবা অবিবাহিত ভাই-বোন অবশিষ্ট ৫০% সমহারে পাইবেন।

(চ) অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষঃ নির্বাচন কমিশন;

(ছ) আবেদন প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতিঃ যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটির প্রস্তাব নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হইবে;

(জ) আবেদনপত্রঃ এ নীতিমালায় পরিশিষ্ট-তে উল্লিখিত তথ্য সম্বলিত আবেদন।

(৫) অর্থের উৎসঃ প্রতি অর্থবছরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বাজেটে সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কোডে সংস্থানকৃত অর্থ।

(৬) অনুদানের হার/পরিমাণ নিম্নরূপ:

(ক) দায়িত্বরত অবস্থায় কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী দুর্বৃত্ত কর্তৃক হামলা বা দুর্ঘটনায় আহত/গুরুতর আহত/নিহত হইলে যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটি নিম্নরূপ হারে সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান প্রদানের জন্য সুপারিশ করিবে;

অনুদান প্রাপ্যতার ধরণ:

প্রদেয় অনদানের সর্বোচ্চ পরিমান (টাকায়)

১) মৃত্যুবরণ করিলে তাঁর পরিবারের জন্য----১০,০০,০০০/-

২) গুরুতর আহত/স্থায়ী অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য----৪,০০,০০০/-

৩) গুরুতর আহত/সাময়িকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য-----২,০০,০০০/-

৪) আহত ব্যক্তিদের জন্য (আহতের ধরন বিবেচনাপূর্বক)------৫০,০০০/-


খ) দায়িত্বরত অবস্থায় আকস্মিকভাবে অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ মৃত্যুবরণ করিলে নিম্নরূপ হারে সর্বোচ্চ আর্থিক অনুদান প্রদান করা হইবেঃ

অনুদান প্রাপ্যতার ধরণ:

প্রদেয় অনদানের সর্বোচ্চ পরিমান (টাকায়)

১) মৃত্যুবরণ করিলে তাঁর পরিবারের জন্য-------৬,০০,০০০/-

২) গুরুতর অসুস্থ/স্থায়ী অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য--------৩,০০,০০০/-

৩) সাময়িকভাবে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য-------৫০,০০০/-

৪) হাসপাতালে ভর্তির পর ব্যয়বহুল চিকিৎসা গ্রহণ করা হইলে-------৩,০০,০০০/-

৫) হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সাধারণ চিকিৎসা গ্রহণ করা হইলে--------২,০০,০০০/-

(৭) রেজিস্টারঃ এ নীতিমালার অধীন কার্যক্রম সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ একটি রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে এবং রেজিস্টারে লিপিবদ্ধকরতঃ আবেদনসমূহ ক্রমানুসারে বাছাই কমিটিতে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হইবে।

(৮) আর্থিক সহায়তা/অনুদানের জন্য আবেদন প্রেরণের সময়সীমাঃ নির্বাচনে ও ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত/মৃত্যুবরণ করিলে আর্থিক অনুদানের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ (ত্রিশ) কার্য দিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার/অফিস প্রধানের মাধ্যমে নির্ধারিত তথ্য সম্বলিত ছকে আবেদন সিনিয়র সচিব/সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বরাবর প্রেরণ করিতে হইবে।

(৯) আবেদনপত্রের সঙ্গে নিম্নরূপ কাগজপত্র সংযুক্ত করিতে হইবে।

১. আবেদনপত্র (পরিশিষ্ট-ক/ক-১)।

২. আবেদনকারীর ছবি-১ কপি (সত্যায়িত)।

৩. মৃত কর্মকর্তা-কর্মচারীর উত্তরাধিকার সনদ-১ কপি।

৪. অভিভাবক মনোনয়ন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং অনুদানের টাকা উত্তোলন করিবার জন্য ক্ষমতা অর্পণ সনদ-১ কপি।

৫. আবেদনকারীর আবেদনে উল্লেখিত ব্যাংক হিসাবের চেক বই এর প্রথম পাতার ফটোকপি (যদি থাকে)।

৬. সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জন/সরকারি হাসপাতালের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কর্তৃক মৃত্যু সনদ/হাসপাতালে ভর্তির প্রমাণপত্র।

৭. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র-১ কপি।

৮. অসুস্থ/গুরুতর অসুস্থ/আহত/গুরুতর আহত/মৃত ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র-১ কপি।

৯. আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা/সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন অফিসার/উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের প্রত্যয়নপত্র (পরিশিষ্ট-খ/খ-১)।

(১০) যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটিঃ যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটির গঠন নিম্নরূপঃ

১) যুগ্মসচিব (নির্বাচন ব্যাবস্থাপনা-১) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, ঢাকা---সভাপতি

২) উপসচিব (মানব সম্পদ উন্নয়ন ও কল্যাণ), নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, ঢাকা---সদস্য

৩) উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-১), নির্বাচন কমিশন সাটিযালয়, ঢাকা---সদস্য

৪) সিনিয়র সহকারী সচিব (জনবল ব্যবস্থাপনা-৩), নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, ঢাকা---সদস্য

৫) সিনিয়র সহকারী সচিব (বাজেট ও অর্থ), নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, ঢাকা---সদস্য সচিব

কার্যপরিধিঃ কমিটি সংশ্লিষ্ট আর্থিক বৎসরে কমপক্ষে ২ (দুই) বার প্রাপ্ত আবেদনসমূহ যাচাই-বাছাই করিবেন এবং আর্থিক অনুদানের পরিমান নির্ধারণ পূর্বক আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য সিনিয়র সচিব/সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ঢাকা বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করিবেন।

(১১) ক্ষতিপূরণ বাবদ আর্থিক অনুদান/আর্থিক সহায়তা মঞ্জুরী পদ্ধতি।

১. যাচাই-বাছাই ও সুপারিশ কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মাননীয় কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে আর্থিক অনুদান/আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হইবে।

২. কোন ব্যক্তির আবেদনের ক্ষেত্রে মেডিক্যাল বোর্ডের সুপারিশ প্রয়োজন হইলে সেই বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অত্র সচিবালয় হইতে সংশ্লিষ্ট সিনিয়র জেলা/জেলা নির্বাচন অফিসারের নিকট পত্র প্রেরণ করা হইবে এবং প্রাপ্ত সুপারিশের ভিত্তিতে মাননীয় কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ বাবদ আর্থিক অনুদান/আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হইবে।

স্বাক্ষরিত

(রাশেদুল ইসলাম)

উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-১)











pdf download 

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.