ad

গণভোট উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিশেষ নির্দেশনা

Views

 


গণভোট উপলক্ষে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিশেষ নির্দেশনা

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না: নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা

ঢাকা, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬:
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে সামনে রেখে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ ভোট দেওয়ার পক্ষে প্রচারণা বা আহ্বান জানাতে পারবেন না

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জারি করা এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীরা জনগণকে গণভোট সম্পর্কে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন, তবে ভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত প্রদান কিংবা প্রচারণা চালানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ

নির্বাচন কমিশনের স্মারকে উল্লেখ করা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী কোনো সরকারি ব্যক্তি যদি গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট প্রদানের আহ্বান জানান, তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার আলোকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি পত্র জারি করা হয়। এতে সকল সরকারি দপ্তরকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

পত্রে বলা হয়, গণভোট উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ ও দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরবর্তী পদক্ষেপ

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরও ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি অফিস আদেশ জারি করেছে। এতে অধিদপ্তরের আওতাধীন সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের গণভোট সংক্রান্ত প্রচারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণায় জড়ানো যাবে না এবং আইন অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নিরপেক্ষ গণভোট নিশ্চিত করার আহ্বান

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ গণভোট আয়োজনের জন্য সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইন মেনে চলা এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে জনগণের মতামতের প্রতিফলন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

সেকশন ২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬

www.dpe.gov.bd

স্মারক নম্বর-৩৮.০১.০০০০.১০৭.১৮.০০৩.২২.২৫৩

তারিখ: ১৯ মাঘ ১৪৩২ ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বিষয়: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গণভোটের পক্ষে "হ্যাঁ অথবা না”-এর বিষয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত।

সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের ০৪.০০.০০০০.০০০.৪১৬.৫৩,০০০১.২৫.৭১

উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গণভোটের পক্ষে "হ্যাঁ অথবা না”-এর বিষয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত পত্রের মর্মানুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

সংযুক্ত: বর্ণনা মোতাবেক

স্বাক্ষরিত

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম

সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন)

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সাধারণ অধিশাখা

www.cabinet.gov.bd

স্মারক নম্বর: ০৪.০০.০০০০.০০০.৪১৬.৫৩.০০০১.২৫.৭১

তারিখ: ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিষয়: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গণভোটের পক্ষে "হ্যাঁ অথবা না"-এর বিষয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত।

সূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের ১৭.০০.০০০০.০৩৪.৩৬.০০২.২৬-১৪৪ সংখ্যক স্মারক।

উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গণভোটের পক্ষে "হ্যাঁ অথবা না"-এর বিষয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত সূত্রোক্ত পত্রের নির্দেশনা প্রতিপালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

সংযুক্তি: সূত্রোক্ত পত্র।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন 

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়

নম্বর-১৭,০০,০০০০.০৩৪.৩৬.০০২.২৬-১৪৪

তারিখ: ১৫ মাঘ ১৪৩২ ২৯ জানুয়ারি ২০২৬

বিষয়: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠেয় গণভোট অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে গণভোটের পক্ষে "হ্যাঁ অথবা না" এর বিষয়ে প্রচারণা সংক্রান্ত।

উপর্যুক্ত বিষয়ে গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ এর বিধানাবলীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক জানানো যাচ্ছে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন; তবে তিনি গণভোটে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে বা 'না' এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনভাবে আহবান জানাতে পারবেন না। কেননা, এ ধরণের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

২। বর্ণিতাবস্থায়, উল্লিখিত বিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

স্বাক্ষরিত

(মোহাম্মদ মনির হোসেন) 

উপসচিব।








No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.