পিইডিপি-৪ এর আওতায় ২১২ বিদ্যালয়ে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বরাদ্দ
পিইডিপি-৪ এর আওতায় ২১২ বিদ্যালয়ে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণে ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বরাদ্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে দেশের ২১২টি ক্ষতিগ্রস্ত ও জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ, মেরামত ও সংস্কার কাজে ৪ কোটি ৭৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা থেকে জারিকৃত এক স্মারকে জানানো হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে এ বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে। অর্থ বিভাগ থেকে জারিকৃত স্মারক অনুযায়ী, মেরামত ও সংরক্ষণ খাতের অনাবাসিক ভবন উপখাতের অর্থনৈতিক কোড ৩২৫৮১০৭ এর আওতায় জিওবি ও আরপিএ (জিওবি) তহবিল থেকে এ অর্থ ব্যয় করা হবে।
বরাদ্দের শর্ত অনুযায়ী, প্রতিটি বিলে ৪০ শতাংশ জিওবি এবং ৬০ শতাংশ আরপিএ (জিওবি) অংশ থেকে ব্যয় করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন বা ব্যয় করা যাবে না এবং অগ্রিম উত্তোলনের সুযোগ নেই। নির্ধারিত খাত ও কোড ব্যতীত অন্য কোনো খাতে অর্থ ব্যয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া ব্যয়ের সকল ভাউচার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সংরক্ষণ এবং ডিপিই-এর ওয়েবভিত্তিক কম্পিউটারাইজড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে সাত দিনের মধ্যে তথ্য এন্ট্রি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনিয়মিত ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন বলেও স্মারকে উল্লেখ করা হয়।
পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পৃথক আরেকটি স্মারকে জানানো হয়েছে, ‘এডুকেশন ইন ইমার্জেন্সি’ খাতের আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। ২০১৯ সালের ৩ মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত নীতিমালা এবং প্রচলিত আর্থিক বিধি অনুসরণ করে কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডিপিই জানিয়েছে, কাজ সম্পন্নের পর স্টেটমেন্ট অব এক্সপেনডিচার (এসওই)সহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) বরাবর হার্ড কপি আকারে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি কাজ শুরুর আগে ও পরে তোলা প্রয়োজনীয় সংখ্যক ছবি সত্যায়নসহ সফট কপি নির্ধারিত ইমেইলে পাঠাতে হবে।
উল্লেখ্য, বরাদ্দপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলো দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, যার মধ্যে রয়েছে হবিগঞ্জ, নীলফামারী, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, পিরোজপুর, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, বরিশাল, ময়মনসিংহ, গাইবান্ধা, বাগেরহাট, বরগুনা, পটুয়াখালী, খুলনা, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, ভোলা, ঝিনাইদহ, রংপুর, নওগাঁ, রাজবাড়ী, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, শেরপুর, শরীয়তপুর, কুড়িগ্রাম, কুমিল্লা, নাটোর, নরসিংদী, মাদারীপুর, চাঁদপুর, ঝালকাঠি, বান্দরবান ও যশোরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর আশা প্রকাশ করেছে, দ্রুততম সময়ে কাজ সম্পন্ন হলে দুর্যোগপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪)
সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।
স্মারক নং ৩৮.০১.০০০০.৫০০.২০.০০১.২০-৫১৮
তারিখ: ০৬ ফাল্গুন ১৪৩২ ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬
বিষয়: চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪)-এর আওতায় দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের নিমিত্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্থ এবং অতি জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অস্থায়ী গৃহনির্মাণ/মেরামত/সংস্কার এর ব্যয় নির্বাহকল্পে মঞ্জুরী ও বরাদ্দ প্রদান।
নির্দেশক্রমে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৪) এর সাব-কম্পোনেন্ট দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের নিমিত্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এবং অতি জরাজীর্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অস্থায়ী গৃহনির্মাণ/মেরামত/সংস্কার এর কার্যক্রম বাস্তবায়ন বাবদ ২১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সংযুক্ত ছকের বিবরণ অনুযায়ী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসারের অনুকূলে মেরামত ও সংরক্ষণ খাতের অনাবাসিক ভবন উপখাতের (অর্থনৈতিক কোড ৩২৫৮১০৭) জিওবি এবং আরপিএ (জিওবি) বরাদ্দ হতে সর্বমোট ৪,৭৬,৭৩,০০০.০০ (চার কোটি ছিয়াত্তর লক্ষ তিয়াত্তর হাজার) টাকা বরাদ্দ এবং ব্যয় করার মঞ্জুরী জ্ঞাপন করা হলো।
২। এ ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের উন্নয়ন বাজেটের সংশোধিত মঞ্জুরী নং ২১, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪) এর সংস্থা কোড নং ১২৪ এবং হিসাবের খাত ২২৪২৩৭৯০০ এর আওতায় সাব-কম্পোনেন্ট "দুর্যোগকালীন সময়ে শিক্ষা"-এর মেরামত ও সংরক্ষণ খাতের অনাবাসিক ভবন উপখাতের অর্থনৈতিক কোড ৩২৫৮১০৭ আওতায় বরাদ্দকৃত টাকা থেকে নির্বাহ হবে।
৩। অর্থ ব্যয়ের শর্তাবলি:
ক) প্রতিটি বিলে জিওবি বাবদ ৪০% এবং আরপিএ (জিওবি) বাবদ ৬০% হারে ব্যয় করতে হবে।
খ) কোন অবস্থায়ই বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন/ব্যয় করা যাবে না।
গ) এ বরাদ্দ হতে অগ্রিম অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।
ঘ) এই ব্যয় কোন ক্রমেই ছকে বর্ণিত খাত এবং অর্থনৈতিক কোড ব্যতীত অন্য কোন উপখাত এবং কোড এ ব্যয় করা যাবে না।
ঙ) এ ব্যয়ের যাবতীয় অডিট তাঁর দপ্তরে সম্পাদিত হবে বিধায় খরচের সকল ভাউচার তাঁর অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে যেন চাহিবা মাত্র পাওয়া যায়।
চ) বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের বিবরণী অবশ্যই ডিপিই-এর Web-based Computerized Accounting System এ ৭ (সাত) দিনের মধ্যে এন্ট্রি দিতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হবে না।
ছ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকারি বিধিবিধান অনুযায়ী ভ্যাট/আইটি কর্তন করতে হবে। তাছাড়া কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সকল আর্থিক বিধিবিধান প্রতিপালন করতে হবে।
জ) কোন প্রকার অনিয়মিত ব্যয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তা ব্যক্তিগত ভাবে দায়ী থাকবেন।
৪। এতে মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে।
৫। চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার-কে পৃষ্ঠাংকনপূর্বক সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে (প্রয়োজন অনুযায়ী) প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
স্বাক্ষরিত
এইচ এম আবুল বাশার
উপপরিচালক (অর্থ)
প্রাপক: চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সিজিএ ভবন, ৫ম তলা, সেগুন বাগিচা, ঢাকা।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সেকশন ২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬
www.dpe.gov.bd
স্মারক নং: ৩৮.০১.০০০০.৭০০.৯৯.০০৯.১৮-১৯৫
তারিখ: ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিষয়: ২০২৫-২৬ অর্থবছরে পিইডিপি-৪ এর আওতায় 'এডুকেশন ইন ইমার্জেন্সি' খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ২১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ/মেরামত ও সংস্কার কাজে ব্যয় প্রসঙ্গে।
উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় 'এডুকেশন ইন ইমার্জেন্সি' খাত হতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ/মেরামত ও সংস্কারের জন্য বিদ্যালয়সমূহে অর্থ বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে (তালিকা সংযুক্ত)। উক্ত বিদ্যালয়গুলোতে অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ/মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক বাস্তবায়িত হবে। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের অর্থ বিভাগের স্মারক নং: ৩৮.০১.০০০০.৫০০.২০.০০১.২০-৫১৮, তারিখ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মোতাবেক অর্থ ছাড় করা হয়েছে (কপি সংযুক্ত)।
২। এমতাবস্থায়, 'এডুকেশন ইন ইমার্জেন্সি' খাত হতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্ষতিগ্রস্ত ২১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রদত্ত বরাদ্দ অনুযায়ী অস্থায়ী গৃহ নির্মাণ/মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম ০৩ মার্চ ২০১৯ খ্রি: তারিখে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে জারীকৃত 'এডুকেশন ইন ইমার্জেন্সি' খাতে সংস্থানকৃত অর্থ ব্যবহারের নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক বিধি অনুসরণপূর্বক বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। জরুরিভিত্তিতে যথাযথভাবে কাজ সম্পাদনপূর্বক এসওই (SOE) সহ একটি প্রতিবেদন ৩০ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) বরাবর হার্ড কপি এবং কাজ শুরুর পূর্বের ও পরের প্রয়োজনীয় সংখ্যক ছবি তার সত্যায়নসহ (addpeplan3@gmail.com এ সফট কপি) প্রেরণ করতে হবে।
৩। এ বিষয়ে মহাপরিচালক মহোদয়ের সদয় অনুমোদন রয়েছে।
স্বাক্ষরিত
মিরাজুল ইসলাম উকিল, এনডিসি
পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন)
উপজেলা শিক্ষা অফিসার
বানিয়াচং, নবিগঞ্জ-হবিগঞ্জ/ সদর, সৈয়দপুর, কিশোরগঞ্জ-নীলফামারী/কাজিপুর, বেলকুচি, সদর, তারাশ, রায়গঞ্জ-সিরাজগঞ্জ/বাগমারা-রাজশাহী/ শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর-চাপাইনবাবগঞ্জ/ গাংনী-মেহেরপুর। ভূঞাপুর, মির্জাপুর-টাংগাইল/ কোটিয়া, সাতকানিয়া, ডাবলমুরিং, চান্দগাঁও-চট্টগ্রাম/ সদর, বোচাগঞ্জ- দিনাজপুর। নাজিরপুর, নেছারাবাদ, ভান্ডারিয়া, মঠবারিয়া- পিরোজপুর। মিরপুর, ধামরাই-ঢাকা/ ঘিওর, দৌলতপুর-মানিকগঞ্জ/ মেহেন্দিগঞ্জ-বরিশাল/ গফরগাঁও, ত্রিশাল-ময়মনসিংহ। সাঘাটা, গোবিন্দগঞ্জ, সদর, পলাশবাড়ী-গাইবান্ধা/ মোরেলগঞ্জ, কোচুয়া-বাগেরহাট। তালতলী, আমতলী-বরগুনা/ বাউফল, সদর, দুমকী, কলাপাড়া-পটুয়াখালি/ডুমুরিয়া, সদর, বোটিয়াঘাটা, রূপসা, কয়রা, দিঘলীয়া-খুলনা/ রানীসংকৈল-ঠাকুরগাও/ তালা, আশাশনি, কলারোয়া-সাতক্ষীরা/মনপুরা-ভোলা/ শৈলকুপা-ঝিনাইদহ সদর, মিঠাপুকুর, কাউনিয়া-রংপুর/পত্নীতলা, ধামইরহাট, পোশা-নওগাঁ/ সদর- রাজবাড়ী/শ্রীপুর, কাপাসিয়া- গাজীপুর/ সদর, হোসেনপুর- কিশোরগঞ্জ/ জামালগঞ্জ, তাহেরপুর-সুনামগঞ্জ/ কেন্দুয়া-নেত্রকোনা/ সদর-শেরপুর। সদর, জাজিরা-শরীয়তপুর। নাগেশ্বরী- কুড়িগ্রাম/ আদর্শসদর, চৌদ্দগ্রাম-কুমিল্লা/ নলডাঙ্গা- নাটোর। পলাশ-নরসিংদী। রাজৈর-মাদারীপুর/ সদর, কচুয়া-চাঁদপুর/ সদর-ঝালকাঠি। থানচি-বান্দরবান। মনিরামপুর-যশোর।
সম্পুর্ন পিডিএফ ডাউনলোড




No comments
Your opinion here...