ad

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ২১,৯৪৬ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে প্রায় ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ

Views


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ২১,৯৪৬ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে প্রায় ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ

ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২৬:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত সারা দেশের ২১ হাজার ৯৪৬টি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও সংস্কারের জন্য প্রায় ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জারি করা ওই আদেশে জানানো হয়, অর্থ বিভাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অনুকূলে বরাদ্দকৃত মোট ৭১ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৮০০ টাকা সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলা পরিষদের অনুকূলে অথরাইজেশনের মাধ্যমে ছাড় দেওয়া হবে।

অর্থ বরাদ্দ ও ব্যয়ের উৎস

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ জানায়, চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিশেষ কার্যক্রম “১০৬০১০১-১২০০০০২০০-নির্বাচন” খাতে সংরক্ষিত অব্যয়িত অর্থ থেকে এই বরাদ্দ পুনঃউপযোজন করা হয়েছে। মূলত আপ্যায়ন ব্যয় খাত থেকে অর্থ স্থানান্তর করে “৪১১২৩১৬-অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি” অর্থনৈতিক কোডে এই অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়।

এই বরাদ্দের আওতায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন ব্যয় ছাড়াও ভ্যাট ও আয়কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের জন্য গড়ে প্রায় ৩২ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

ক্রয় ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সিসি ক্যামেরা ক্রয় ও স্থাপনের ক্ষেত্রে The Public Procurement Act-2006 এবং Public Procurement Rules-2025 কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট হওয়ায় বিশেষ ক্ষেত্রে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (Direct Contracting) নির্ধারিত সীমার মধ্যে ক্রয় করা যাবে।

উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জেলা প্রশাসকের অনুমোদন সাপেক্ষে ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। এছাড়া আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ, ২০২০ অনুযায়ী জেলা প্রশাসক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা সর্বোচ্চ ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দিতে পারবেন।

সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা

প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে মোট ৬টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে—

  1. ১টি ক্যামেরা ভোটগণনা এলাকা বা প্রিজাইডিং অফিসারের কক্ষের আওতায়,

  2. ২টি ক্যামেরা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং এজেন্টদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে,

  3. অবশিষ্ট ৩টি ক্যামেরা ভোটকেন্দ্র ভবনের বাইরে (সম্মুখে ২টি ও পেছনে ১টি) স্থাপন করা হবে।

তবে ভোট প্রদানের গোপনীয়তা রক্ষার্থে কোনোভাবেই ভোটের বুথ ক্যামেরার আওতায় আনা যাবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে ক্যামেরার স্থান নির্ধারণে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরামর্শ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

জবাবদিহি ও সময়সীমা

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বরাদ্দকৃত অর্থ নির্ধারিত খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না। ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যয়কারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে। এছাড়া অব্যয়িত অর্থ থাকলে তা আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

 স্থানীয় সরকার বিভাগ বাজেট শাখা

www.lgd.gov.bd

নম্বর: ৪৬.০০.০০০০.০২৩.০২০.০০১.২০২৫ (অংশ-১)-১৫০

তারিখ: ০৮ মাঘ ১৪৩২ ২২ জানুয়ারি ২০২৬

প্রাপক: চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার

স্থানীয় সরকার বিভাগ

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

হিসাব ভবন, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

বিষয়: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে এমন প্রতিষ্ঠান/স্থাপনাসমূহে সিসি ক্যামেরা স্থাপন/সংস্কারের জন্য অর্থ বিভাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বরাদ্দকৃত ৭১,৯৮,২৮,৮০০/-(একাত্তর কোটি আটানব্বই লক্ষ আটাশ হাজার আটশত) টাকা অথরাইজেশনের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন এবং উপজেলা পরিষদের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান।

সূত্র: (১) অর্থ বিভাগের ১৮/০১/২০২৬ তারিখের ০৭.১০৪.০২০.০৬০২.২৯.২০২৫-৫৮৫ নম্বর পত্র

(২) নির্বাচন কমিশনের ২১/০১/২০২৬ তারিখের ১৭.০০.০০০০.০৩৭.৩৬.০১০.২৫.২৬ নম্বর পত্র

(৩) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৫/০১/২০২৬ তারিখের ০৪.০০.০০০০.০০০.৬১২.৯৯.০০০১.২৬.১৫ নম্বর পত্র

উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রস্থ পত্র সংখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে এমন প্রতিষ্ঠান/স্থাপনাসমূহে ২১,৯৪৬টি ঝুঁকিপূর্ণ/গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা স্থাপন/ সংস্কারের জন্য অর্থ বিভাগের মাধ্যমে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বরাদ্দকৃত ৭১,৯৮,২৮,৮০০/- (একাত্তর কোটি আটানব্বই লক্ষ আটাশ হাজার আটশত) টাকা অথরাইজেশনের মাধ্যমে সিটি কর্পোরেশন এবং উপজেলা পরিষদের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদানের জন্য বর্ণিত শর্তসাপেক্ষে নির্দেশক্রমে মঞ্জুরি জ্ঞাপন করা হলো:

শর্তাবলি:

(ক) চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপারেশন কোড '১০৬০১০১-১২০০০০২০০-"নির্বাচন" এর অর্থনৈতিক কোড "অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি (৪১১২৩১৬)" এ সংস্থানকৃত ৭৬,৯৮,২৯,০০০/- টাকার মধ্য হতে ব্যয় নির্বাহ করা হবে।

(খ) IBAS সফটওয়‍্যারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এর অফিস কোড '১০৬০১০১-১২০০০০২০০-০০০০০০-নির্বাচন' হতে সংশ্লিষ্ট ডিডিও কোডে অথরাইজেশনকৃত অর্থনৈতিক কোড হতে উক্ত অর্থ উত্তোলন করতে হবে;

(গ) বরাদ্দকৃত অর্থ প্রস্তাবিত খাত ব্যতীত অন্য কোন খাতে ব্যয় করা যাবে না;

(ঘ) এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে The Public Procurement Act-2006 এবং The Public Procurement Rules-2025 অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে;

(ঙ) এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোন অনিয়ম উদ্‌ঘাটিত হলে ব্যয়কারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন; এবং

(চ) অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) ৩০ জুন ২০২৬ এর মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে।

২। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৫/০১/২০২৬ তারিখের ০৪.০০.০০০০.০০০.৬১২.৯৯.০০০১.২৬.১৫ নম্বর পত্র এবং পিপিআর, ২০২৫ এর ১৯(১) (ঠ) অনুযায়ী রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নিষ্পত্তিতে বা ইভেন্টের প্রয়োজনে প্রতিটি ক্ষেত্রে ক্রয়কারী কার্যালয় প্রধানের (HOPE) অনুমোদনক্রমে অনধিক ২৫ (পঁচিশ) লক্ষ টাকা এবং বিশেষ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবের অনুমোদনক্রমে সর্বোচ্চ ৩ (তিন) কোটি টাকা পর্যন্ত সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (direct contracting) ক্রয়ের বিধান রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগণ ক্রয়কারী হিসেবে জেলা প্রশাসকের অনুমোদনক্রমে উক্ত পদ্ধতিতে ক্রয় প্রক্রিয়া করতে পারেন। এছাড়া, আর্থিক ক্ষমতা অর্পণ আদেশ, ২০২০ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণ প্রতিক্ষেত্রে ৩(তিন) কোটি টাকা পর্যন্ত ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনে ক্ষমতাবান।

৩। সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ক্ষেত্রে সংযুক্ত স্পেসিফিকেশন অনুসরন অথবা সমমানের যে কোন ভার্সন স্থাপন করা যাবে।

৪। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থাপনযোগ্য ০৬টি সিসি ক্যামেরার মধ্যে ০১টি সিসি ক্যামেরা ভোটগণনা এলাকা/প্রিজাইডিং অফিসারকে আওতাভুক্ত করে স্থাপন, ০২টি সিসি ক্যামেরা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার/পোলিং এজেন্টদের আওতায় নিয়ে স্থাপন করতে হবে, তবে কোনক্রমেই ভোট প্রদানের গোপনস্থান (বুথ) যেন সিসি ক্যামেরার আওতায় না আসে। অবশিষ্ট ০৩টি সিসি ক্যামেরা প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ভবনের বাহিরে (সম্মুখে ২টি, পেছনে ১টি) স্থাপন করা যেতে পারে। প্রয়োজনে স্থান নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

স্বাক্ষরিত

মো: শফিকুর আলম 

উপসচিব।

বিঃদ্রঃ স্কুল বরাদ্দ ৩২৮০০ টাকা।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 অর্থ মন্ত্রণালয়,

 অর্থ বিভাগ বাজেট-১ অনুবিভাগ, 

বাজেট-৪ শাখা

www.mof.gov.bd

স্মারক নং-০৭.১০৪.০২০.০৬০২.২৯.২০২৫-৫৮৫

০৪ মাঘ ১৪৩২ তারিখ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬

বিষয়: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে এমন প্রতিষ্ঠান/স্থাপনাসমূহে সিসি ক্যামেরা স্থাপন/সংস্কারের জন্য বাজেট বরাদ্দ সংক্রান্ত।

সূত্র: স্থানীয় সরকার বিভাগের স্মারক নম্বর ৪৬,০০,০০০০,০৩৯,১৮.০১৪.২০১৫. (অংশ-১)-১৪, তারিখ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রোস্থ স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ এর ভোটকেন্দ্রসমূহে নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক (১৯,৫৫৪+২৩৯২)=২১,৯৪৬ টি ঝুঁকিপূর্ণ/গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যয় নির্বাহের লক্ষ্যে ভ্যাট ও আইটিসহ সর্বমোট (৬৪,১৩,৭১,২০০+৭,৮৪,৫৭,৬০০)=৭১,৯৮,২৮,৮০০/-(একাত্তর কোটি আটানব্বই লক্ষ আটাশ হাজার আটশত) টাকা চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের বাজেটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিশেষ কার্যক্রম “১০৬০১০১-১২০০০০২০০-নির্বাচন” এর ৩২১১১০৬-আপ্যায়ন ব্যয় খাতে বরাদ্দকৃত ২৪০.০০ কোটি টাকার অব্যয়িত অর্থ হতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিশেষ কার্যক্রম “১০৬০১০১-১২০০০০২০০-নির্বাচন” এর আওতায় “৪১১২৩১৬-অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি” কোডে পুনঃউপযোজনের মাধ্যমে বরাদ্দ প্রদানে নিম্নবর্ণিত শর্তে অর্থ বিভাগের সম্মতি নির্দেশক্রমে জ্ঞাপন করা হলো:

শর্তাবলীঃ

(ক) বরাদ্দকৃত ৭১,৯৮,২৮,৮০০/- (একাত্তর কোটি আটানব্বই লক্ষ আটাশ হাজার আটশত) টাকা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় হতে অথরাইজেশন প্রাপ্তি সাপেক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ ব্যয় করতে পারবে;

(খ) বরাদ্দকৃত অর্থের খাতভিত্তিক প্রকৃত ব্যয় ব্যয়কারী মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করবে;

(গ) ব্যয়কারী মন্ত্রণালয় প্রকৃত সমাপ্ত কাজের অনুরূপ হারে অর্থ ছাড় ও ব্যয় নিশ্চিত করবে;

(ঘ) নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য যাবতীয় ব্যয় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বাজেট থেকে নির্বাহ করতে হবে;

(ঙ) এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে The Public Procurement Act-2006 এবং The Public Procurement Rules-2025 অনুসরণসহ যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে;

(চ) এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কোন অনিয়ম উদ্‌ঘাটিত হলে ব্যয়কারী কুর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন; এবং

(ছ) অব্যয়িত অর্থ (যদি থাকে) ৩০ জুন ২০২৬ এর মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে।

স্বাক্ষরিত

(চৌধুরী আশরাফুল করিম)

উপসচিব। 




তালিকা ডাউনলোড

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.