জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ (প্রাথমিক স্তর পরিমার্জিত-২০২৫): মূল্যায়ন কাঠামোতে বড় পরিবর্তন
জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১ (প্রাথমিক স্তর পরিমার্জিত-২০২৫): মূল্যায়ন কাঠামোতে বড় পরিবর্তন
প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের শিখনফলকে আরও কার্যকরভাবে মূল্যায়নের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জিত-২০২৫) এর মূল্যায়ন অংশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। সম্প্রতি এই মূল্যায়ন বিষয়ক পরিমার্জিত অনুচ্ছেদ অনুমোদনের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা।
সভার বিবরণ
📌 সভাপতি: জনাব আবু তাহের মো: মাসুদ রানা
সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
📅 তারিখ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
🕚 সময়: সকাল ১১:০০টা
📍 স্থান: সভাকক্ষ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
সভাপতি সভায় উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু করেন এবং মূল্যায়ন নির্দেশনার পরিমার্জনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন।
কেন মূল্যায়ন অনুচ্ছেদ পরিমার্জন করা হলো?
সভায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) প্রফেসর মো. সাফায়েত আলম জানান—
২৬ আগস্ট ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত মূল্যায়ন নির্দেশিকা অনুমোদন সভার সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে মূল্যায়ন অংশটি পরিমার্জন করা হয়েছে।
মূল লক্ষ্য হলো—
বিদ্যালয়ের সক্ষমতা বিবেচনায় বাস্তবসম্মত কাঠামো তৈরি
ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের মধ্যে সমন্বয়
শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ এবং দৃষ্টিভঙ্গি মূল্যায়নের সুযোগ বৃদ্ধি
নতুন মূল্যায়ন কাঠামো: শ্রেণিভিত্তিক পরিবর্তন
পরিমার্জিত কাঠামো অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষায় মূল্যায়ন হবে দুই ধরনের—
✅ ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment)
✅ সামষ্টিক মূল্যায়ন (Summative Assessment)
১ম ও ২য় শ্রেণির মূল্যায়ন
📘 যেসব বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক রয়েছে:
ধারাবাহিক মূল্যায়ন: ৫০%
সামষ্টিক মূল্যায়ন: ৫০%
📗 যেসব বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক নেই, শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান হয়:
ধারাবাহিক মূল্যায়ন: ১০০%
সামষ্টিক মূল্যায়ন: থাকবে না
৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির মূল্যায়ন
📘 পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান হয় এমন বিষয়ে:
ধারাবাহিক মূল্যায়ন: ৩০%
সামষ্টিক মূল্যায়ন: ৭০%
📗 শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান হয় এমন বিষয়ে:
ধারাবাহিক মূল্যায়ন: ১০০%
সামষ্টিক মূল্যায়ন: থাকবে না
প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
সভায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এর মহাপরিচালক বলেন—
প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করবে
প্রয়োজন হলে পাশ্ববর্তী বিদ্যালয়ের সহযোগিতায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা যাবে
সামষ্টিক মূল্যায়নের প্রশ্নে পাঠ্যপুস্তকের অনুশীলন থেকে কমপক্ষে ৩০% প্রশ্ন রাখতে হবে
এতে পাঠ্যপুস্তকের অনুশীলনকে শিক্ষকরা গুরুত্ব দিয়ে চর্চা করবেন বলে আশা করা হয়।
সভার গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ (সংক্ষেপে)
সভায় আলোচনার পর নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়—
✅ শ্রেণিভিত্তিক মূল্যায়ন শতকরা হার নির্ধারণ
✅ ২৯ জানুয়ারির মধ্যে অনুচ্ছেদ অনুমোদন ও ওয়েবসাইটে আপলোড
✅ জাতীয় শিক্ষাক্রম কাঠামো (NCF) সংশোধন কার্যক্রম গ্রহণ
✅ বিদ্যালয়ভিত্তিক প্রান্তিক পরীক্ষা প্রশ্নপত্র প্রস্তুত
✅ মূল্যায়ন নির্দেশিকার প্রশাসনিক অনুমোদন গ্রহণ
বাস্তবায়নকারী সংস্থাসমূহ
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করবে—
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
উপসংহার
জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-এর পরিমার্জিত মূল্যায়ন কাঠামো প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও কার্যকর, বাস্তবসম্মত এবং দক্ষতাভিত্তিক করে তুলবে। ধারাবাহিক মূল্যায়নের গুরুত্ব বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী পদক্ষেপ হিসেবে এ সিদ্ধান্তগুলো বিবেচিত হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এই পরিবর্তনগুলো সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক ও গণিশক্ষা মন্ত্রণালয়
বিদ্যালয়-১ শাখা
www.mopme.gov.bd
বিষয়ঃ জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জিত-২০২৫)-এর মূল্যায়ন বিষয়ক পরিমার্জিত অনুচ্ছেদ অনুমোদনের জন্য অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি'র (এনসিসিসি) সভার কার্যবিবরণী।
সভাপতি : জনাব আবু তাহের মো: মাসুদ রানা সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
সময় : সকাল ১১:০০ টা
স্থান : সভাকক্ষ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
উপস্থিতি : পরিশিষ্ট 'ক'
সভাপতি সভায় উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি'র (এনসিসিসি) সভার কার্যক্রম শুরু করেন। সভার শুরুতে তিনি সংক্ষেপে জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জিত-২০২৫)-এর মূল্যায়ন বিষয়ক অনুচ্ছেদ পরিমার্জনের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। অতঃপর তিনি আলোচ্যসূচি অনুযায়ী আলোচনা শুরু করার জন্য প্রফেসর মো. সাফায়েত আলম, ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর প্রতি অনুরোধ জানান।
২। ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড সভায় জানান যে, মাননীয় উপদেষ্টা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার-এর উপস্থিতিতে ২৬/০৮/২০২৫ খ্রি. তারিখে মুল্যায়ন নির্দেশিকা-২০২৫ অনুমোদন ও পাঠ্যপুস্তকে স্বাস্থ্যবিধি আধেয় অন্তর্ভুক্তকরণ বিষয়ক অনুষ্ঠিত সভার ৮.৩ নম্বর ও প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জিত ২০২৫)-এর মূল্যায়ন বিষয়ক অনুচ্ছেদ পরিমার্জন করা হয়েছে।
৩। শিক্ষাক্রমে মূল্যায়ন অংশটি পরিমার্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহের সক্ষমতা ও সামগ্রিক বিদ্যালয় পরিচালনা কাঠামো বিবেচনা করে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment) ও সামষ্টিক মূল্যায়ন (Summative Assessment) কাঠামোর মধ্যে যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয় সাধন করা হয়েছে। এতে বিভিন্ন পদ্ধতি ও কৌশলের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি মূল্যায়ন করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২১-প্রাথমিক স্তর (পরিমার্জিত ২০২৫) অনুযায়ী ১ম থেকে ২য় শ্রেণির যেসকল বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, সেসকল বিষয়ে শতকরা ৫০ ভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং ৫০ ভাগ সামষ্টিক মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির যে সকল বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে শতকরা ৩০ ভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং ৭০ ভাগ সামষ্টিক মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির যে সকল বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক নাই শুধু শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, এ ধরণের সকল বিষয়ে শিখন মূল্যায়নের জন্য শতকরা ১০০ ভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন পদ্ধতি বা বিদ্যালয় ও শ্রেণিভিত্তিক মূল্যায়ন (School and Classroom-based Assessment) ব্যবস্থা অনুসরণ করা হবে। সভায় পরিমার্জিত অনুচ্ছেদের খসড়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
81 মহাপরিচালক, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) বলেন, প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করবে, সম্ভব না হলে পাশ্ববর্তী একাধিক বিদ্যালয় নিয়ে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করতে পারবে। প্রতি প্রান্তিকে প্রতিটি বিষয়ের সামষ্টিক মূল্যায়নে পাঠ্যপুস্তকের অনুশীলন হতে কমপক্ষে ৩০% প্রশ্ন রাখতে হবে। এতে শিক্ষকগণ পাঠ্যপুস্তক এবং এর অনুশীলন গুরুত্বের সাথে চর্চা করবে। সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) পরিমার্জিত খসড়া অনুচ্ছেদ অনুমোদনপূর্বক প্রতিস্থাপন ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করা বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। সভাপতি মূল্যায়ন বিষয়ক পরিমার্জিত অনুচ্ছেদটি অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিতকরণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে অনুরোধ করেন।
৫। বিস্তারিত আলোচনা শেষে মূল্যায়ন বিষয়ক পরিমার্জিত অনুচ্ছেদটি সম্পর্কে নিম্নোক্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:
(ক) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৫০% ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৫০% থাকবে;
(খ) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে ১০০% ধারাবাহিক মূল্যায়ন থাকবে এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন থাকবে না;
(গ) তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়া সেসকল বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৩০% ও সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০% থাকবে;
(ঘ) তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে যেসকল বিষয়ে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় সেসকল বিষয়ে ১০০% ধারাবাহিক মূল্যায়ন থাকবে এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন থাকবে না;
বাস্তবায়নে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।
(ঙ) মূল্যায়ন বিষয়ক পরিমার্জিত খসড়া অনুচ্ছেদটি ২৯ জানুয়ারির মধ্যে অনুমোদন, প্রতিস্থাপন, ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করার মাধ্যমে সকলকে অবহিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বাস্তবায়নে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।
(চ) জাতীয় শিক্ষাক্রম কাঠামো (NCF) সংশোধনের বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে;
বাস্তবায়নে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।
(ছ) প্রত্যেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করবে, সম্ভব না হলে পাশ্ববর্তী একাধিক বিদ্যালয় নিয়ে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করতে পারবে। প্রতি প্রান্তিকে প্রত্যেক বিষয়ে সামষ্টিক মূল্যায়নে পাঠ্যপুস্তকের অনুশীলন হতে কমপক্ষে ৩০% প্রশ্ন রাখতে হবে।
বাস্তবায়নে: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।
(জ) মূল্যায়ন নির্দেশিকার প্রশাসনিক অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।
বাস্তবায়নে: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
৬। সভায় আর কোনো আলোচনা না থাকায় সভাপতি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
স্বাক্ষরিত
আবু তাহের মৌ: মাসুদ রানা
সচিব




No comments
Your opinion here...