ad

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে ব্যবহার নিষিদ্ধ

Views

 


শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে ব্যবহার নিষিদ্ধ

আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে কঠোর নির্দেশনা নির্বাচন কমিশনের

ঢাকা, ১১ জানুয়ারি ২০২৬:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের লক্ষ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের সভা, সমাবেশ বা প্রচার-প্রচারণার কাজে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়, ঢাকা থেকে প্রেরিত পত্রের আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সেকশন-২, মিরপুর, ঢাকা থেকে জারিকৃত স্মারকে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক বা নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কোনো কোনো প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সেমিনার, সংবর্ধনা, যুব সমাবেশ ইত্যাদির নামে ভোটারদের জমায়েত করে প্রচারণার চেষ্টা করছেন। এসব ক্ষেত্রে ভেন্যু হিসেবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম ব্যবহারের প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

এছাড়াও, অনেক ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারের পূর্বানুমতি ছাড়াই স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ এসব সমাবেশের জন্য অনুমতি প্রদান করছেন, যা নির্বাচন আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে, রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ব্যতীত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সভা, সমাবেশ কিংবা প্রচারমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার না করার বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জারিকৃত স্মারকে সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম স্বাক্ষর করেন। অপরদিকে, বিষয়টি নিয়ে জারিকৃত পৃথক পত্রে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষর করেন।

কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষা পাবে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

 প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

 সেকশন ২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬

www.dpe.gov.bd

স্মারক নম্বর-৩৮.০১.০০০০.১০৭.১৮.০০৩.২২. ১৮৬

বিষয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কোন ধরণের সভা, সমাবেশ বা প্রচার প্রচারণার কাজে ব্যবহার না করা প্রসঙ্গে

সূত্র: রিটানিং অফিসারের কার্যালয়, ১ম ১২ তলা সরকারি অফিস ভবন, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।

উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কোন ধরণের সভা, সমাবেশ বা প্রচার প্রচারণার কাজে ব্যবহার না করা সংক্রান্ত পত্রের আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

সংযুক্তি: বর্ণনামোতাবেক

স্বাক্ষরিত

মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম

সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন)


বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা

এবং

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ১ম ১২ তলা সরকারি অফিস ভবন, সেগুনবাগিচা, ঢাকা

স্মারকঃ ০৫.৪১.৩০০০.০০০.০১২.১৮.০০৫.২৫-৪৩

তারিখ: ২৭ পৌষ ১৪৩২ ১১ জানুয়ারি ২০২৬

বিষয়: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কোন ধরণের সভা, সমাবেশ বা প্রচার প্রচারণার কাজে ব্যবহার না করা প্রসঙ্গে।

উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে আচরণ বিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা রয়েছে। লক্ষ্য করা যাচ্ছে কোন কোন প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি সেমিনার, সংবর্ধনা, যুব সমাবেশ ইত্যাদির নামে ভোটারদের জমায়েত করে নির্বাচনী প্রচারণার চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে ভেন্যু হিসাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ বা হলরুম ব্যবহার করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে --এসকল- সমাবেশের জন্য-রিটার্নিং-অফিসারের অনুমতি, ছাড়াই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান-প্রধানগণ স্থানীয়ভাবে-শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানকে-ভেন্যু হিষেরে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন যা নির্বাচনী আচরণের সুষ্পষ্ট লংঘন।

এমতাবস্থায়, রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়াাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠাকে কামাবেশের অনুমতি না দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

স্বাক্ষরিত

(শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী) 

বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা 

ও 

রিটার্নিং অফিসার 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬



No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.