২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক সমন্বয়ে নতুন নির্দেশনা
২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক সমন্বয়ে নতুন নির্দেশনা
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ ও সমন্বয় কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও স্বচ্ছ করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চাহিদার ভিত্তিতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক শতভাগ পাঠ্যপুস্তক ইতোমধ্যে নির্ধারিত সময়ে সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ মাসুদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইতোমধ্যে কয়েকটি উপজেলা থেকে অতিরিক্ত পাঠ্যপুস্তকের চাহিদা জানিয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ ও সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে আন্তঃবিদ্যালয়, আন্তঃউপজেলা, আন্তঃজেলা এবং প্রয়োজনের ক্ষেত্রে বিভাগীয় বাফার থেকে পাঠ্যপুস্তক ও শিখন-সামগ্রী সমন্বয়ের অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
যাচাই-বাছাইয়ে পাঁচ দফা নির্দেশনা
বিজ্ঞপ্তিতে পাঠ্যপুস্তক সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো হলো:
সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানার চূড়ান্ত চাহিদা যাচাই করা।
অতিরিক্ত চাহিদা দাখিলকারী বিদ্যালয়গুলোর প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা যাচাই করা।
বরাদ্দকৃত পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে সরবরাহকারী ও মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত সরবরাহের সঠিকতা চালান পর্যালোচনার মাধ্যমে নিশ্চিত করা।
বিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠ্যপুস্তক প্রাপ্তি ও বিতরণের সঠিকতা যাচাই করা।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক অতিরিক্ত চাহিদা দাখিলের যৌক্তিকতা উপস্থাপন করা।
সমন্বয়ের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ
এছাড়াও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পাঠ্যপুস্তক ও শিখন-সামগ্রী সমন্বয়ের বিস্তারিত বিবরণ এবং আন্তঃউপজেলা ও আন্তঃজেলা পর্যায়ে পরিবহণ বাবদ ব্যয়ের বিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। এ জন্য নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানা হলো: dpebook111@gmail.com।
স্বচ্ছতা ও শিক্ষার্থীদের সুবিধা নিশ্চিতকরণ
কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এসব নির্দেশনা অনুসরণের মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীরা সময়মতো প্রয়োজনীয় বই ও শিখন-সামগ্রী পাবে। এতে শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পরিচালনা করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ের সকল কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করে পাঠ্যপুস্তক সমন্বয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সেকশন- ২, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
স্মারক নম্বর: ৩৮.০১.০০০০.৩০০.২১.০১৬.২৪-১০/৫৮৮(৪)
বিষয়: ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যপুস্তক সমন্বয় সম্পর্কিত
উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, মাঠপর্যায়ের চাহিদার ভিত্তিতে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক যথাসময়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃক সরবরাহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি উপজেলা থেকে পাঠ্যপুস্তকের অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
২। এমতাবস্থায়, প্রকৃত চাহিদার প্রেক্ষিতে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণপূর্বক আন্ত:বিদ্যালয়, আন্ত:উপজেলা, আন্ত:জেলা এবং অতীব প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিভাগীয় বাফার থেকে স্ব-স্ব কর্মক্ষেত্র অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক ও শিখন-সামগ্রী সমন্বয়ের অনুমতি প্রদান করা হলো:
*সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানার চূড়ান্ত চাহিদা যাচাই;
*অতিরিক্ত চাহিদা দাখিলকারী বিদ্যালয়সমূহের প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা যাচাই;
*বরাদ্দকৃত পাঠ্যপুস্তকের সাথে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান (মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠান) কর্তৃক প্রকৃত সরবরাহের সঠিকতা (চালান পর্যালোচনাপূর্বক) যাচাই;
*পাঠ্যপুস্তক প্রাপ্তি ও বিতরণের সঠিকতা (বিদ্যালয় পর্যায়ে সরবরাহকৃত চালানের ভিত্তিতে) যাচাই;
*সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কর্তৃক অতিরিক্ত চাহিদা দাখিলের যৌক্তিকতা উপস্থাপন;
৩। উল্লেখ্য, পাঠ্যপুস্তক ও শিখন-সামগ্রী সমন্বয়ের সাথে সাথে সমন্বয়ের বিস্তারিত বিবরণ এবং আন্ত:উপজেলা ও আন্ত:জেলা পাঠ্যপুস্তক ও শিখন-সামগ্রী সমন্বয়ের পরিবহণ বিল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে (ই-মেইল নম্বর: dpebook111@gmail. com) প্রেরণ করতে হবে।
স্বাক্ষরিত
মোঃ মাসুদ হোসেন
পরিচালক (প্রশাসন)



No comments
Your opinion here...