ad

১০-১২ তম গ্রেডের কর্মচারীদের এসিআর ফরম ও সাধারণ অনুসরণীয় বিষয়সমূহ।

Views

 


১০-১২ তম গ্রেডের কর্মচারীদের এসিআর ফরম ও সাধারণ অনুসরণীয় বিষয়সমূহ।

👉১০–১২ তম গ্রেডের কর্মচারীদের এসিআর দাখিল ও স্বাক্ষর বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কড়াকড়ি নির্দেশনা

ঢাকা:
১০–১২ তম গ্রেডভুক্ত সরকারি কর্মচারীদের জন্য গোপনীয় অনুবেদন (ACR) দাখিল, অনুস্বাক্ষর ও প্রতিস্বাক্ষর সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসিআর সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন না করলে তা ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে বলে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, গোপনীয় অনুবেদন ফরম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mopa.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করে A4 সাইজ কাগজে উভয় পৃষ্ঠায় প্রিন্ট করে স্বহস্তে পূরণ করতে হবে। এসিআর ফরম পূরণের সময় কোনো প্রকার ওভার রাইটিং, কাটাকাটি, ঘষামাজা বা ফ্লুইড ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অপরিহার্য ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অংশ একটানে কেটে অনুস্বাক্ষরসহ পুনরায় লিখতে হবে।

নির্দেশনায় অনুবেদন প্রক্রিয়ার দায়িত্ব বিভাজনও স্পষ্ট করা হয়েছে। যার কাজের মূল্যায়ন করা হয় তিনিই অনুবেদনাধীন কর্মচারী, তার সরাসরি নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা হবেন অনুবেদনকারী এবং অনুবেদনকারীর ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা হবেন প্রতিস্বাক্ষরকারী।

সময়সূচি অনুযায়ী—

  1. প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের মধ্যে অনুবেদনাধীন কর্মচারীকে পূর্ববর্তী বছরের প্রযোজ্য সকল এসিআর অনুবেদনকারীর কাছে দাখিল করতে হবে।

  2. ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অনুবেদনকারী অনুস্বাক্ষর করে তা প্রতিস্বাক্ষরকারীর দপ্তরে পাঠাবেন।

  3. মার্চ মাসের মধ্যে প্রতিস্বাক্ষরকারী প্রতিস্বাক্ষর শেষে তা ডোসিয়ার সংরক্ষণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করবেন।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসিআর দাখিল বা স্বাক্ষর সম্পন্ন না হলে তা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

বদলির ক্ষেত্রে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কর্মচারী পৃথক কর্মস্থলে বা পৃথক অনুবেদনকারীর অধীনে ন্যূনতম তিন মাস দায়িত্ব পালন করলে আংশিক এসিআর দাখিল বাধ্যতামূলক। একই প্রতিস্বাক্ষরকারীর অধীনে একাধিক অনুবেদনকারীর সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রেও প্রতিস্বাক্ষরকারীর নিকট সরাসরি এসিআর দাখিল করতে হবে।

এক বছরে একাধিক প্রতিস্বাক্ষরকারী থাকলে যাঁর অধীনে কর্মকাল বেশি, তিনিই এসিআর প্রতিস্বাক্ষর করবেন। কর্মকাল সমান হলে সর্বশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিস্বাক্ষরকারী তা সম্পন্ন করবেন।

বিরূপ মন্তব্য প্রদানের ক্ষেত্রেও কড়া নিয়ম অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিরূপ মন্তব্যের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে লিখিতভাবে সতর্ক করে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে এবং সতর্কীকরণ নোটিশসহ প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণ এসিআরের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

এছাড়া, অনুস্বাক্ষরকৃত এসিআর এক দপ্তর থেকে অন্য দপ্তরে পাঠানোর সময় সিলগালা খামে ‘গোপনীয়’ লিখে অগ্রায়নপত্রসহ পাঠাতে হবে। কোনো অবস্থাতেই এসিআর ভাঁজ করা যাবে না বা অনুবেদনাধীন কর্মচারীর মাধ্যমে ডোসিয়ার সংরক্ষণকারী দপ্তরে পাঠানো যাবে না।

এসিআর প্রযোজ্য হওয়া সত্ত্বেও তা যথাযথভাবে দাখিল বা স্বাক্ষর না করাও অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এসিআর সংক্রান্ত কোনো ব্যাখ্যা, স্পষ্টীকরণ বা অতিরিক্ত নির্দেশনার প্রয়োজন হলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে

১। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mopa.gov.bd) থেকে গোপনীয় অনুবেদন ফর্ম (PDF) A4 সাইজ কাগজে উভয় পৃষ্ঠায় প্রিন্ট করে স্বহস্তে পূরণ করতে হবে।

২। এসিআর ফর্মে কোনো প্রকার ওভার রাইটিং/কাটাকাটি/ঘষামাজা/ফ্লুইড ব্যবহার করা যাবে না। তবে অপরিহার্য হলে সংশ্লিষ্ট অংশটুকু একটানে কেটে অনুস্বাক্ষরসহ পুনরায় লিখতে হবে।

৩। যে কর্মচারীর কাজের মূল্যায়ন করা হয় তিনিই অনুবেদনাধীন কর্মচারী; প্রশাসনিক সোপানে অনুবেদনাধীন কর্মচারীর ঊর্ধ্বতন সরাসরি নিয়ন্ত্রণকারী বা দৈনন্দিন কর্মকান্ড যিনি সরাসরি তত্ত্বাবধান করে থাকেন তিনি অনুবেদনকারী; প্রশাসনিক সোপানে অনুবেদনকারীর উর্ধ্বতন সরাসরি নিয়ন্ত্রণকারী বা তত্ত্বাবধানকারীই প্রতিস্বাক্ষরকারী।

৪। প্রতিবছর জানুয়ারি মাসের মধ্যে অনুবেদনাধীন কর্মচারী কর্তৃক পূর্ববর্তী বছরের প্রযোজ্য (বার্ষিক/আংশিক) সকল গোপনীয় অনুবেদন সংশ্লিষ্ট অনুবেদনকারীর নিকট দাখিল আবশ্যক। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে অনুবেদনকারী কর্তৃক গোপনীয় অনুবেদন অনুস্বাক্ষর করে প্রতিস্বাক্ষরকারীর দপ্তরে প্রেরণ আবশ্যক। প্রতিবছর মার্চ মাসের মধ্যে প্রতিস্বাক্ষরকারী কর্তৃক গোপনীয় অনুবেদন প্রতিস্বাক্ষরপূর্বক ডোসিয়ার সংরক্ষণকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ আবশ্যক।

৫। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গোপনীয় অনুবেদন দাখিল, অনুস্বাক্ষর ও প্রতিস্বাক্ষরের ব্যর্থতা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর 'অসদাচরণ' হিসেবে গণ্য হবে এবং তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

৬। বদলির কারণে পৃথক কর্মস্থল/অনুবেদনকারীর অধীনে কর্মকাল ন্যূনতম ০৩ (তিন) মাস হলে প্রতিক্ষেত্রেই আংশিক গোপনীয় অনুবেদন দাখিল বাধ্যতামূলক। আংশিক গোপনীয় অনুবেদন বদলির পরে অথবা বৎসর শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও দাখিল করা যাবে।

৭। একাধিক অনুবেদনকারীর নিয়ন্ত্রণে কর্মরত থাকার কারণে কোনো অনুবেদনকারীর নিয়ন্ত্রণে কর্মকাল একটানা ০৩ (তিন) মাস না হয়ে একই কর্মস্থলে একই প্রতিস্বাক্ষরকারীর নিয়ন্ত্রণে কর্মকাল ন্যূনতম একটানা ০৩ (তিন) মাস হলে প্রতিস্বাক্ষরকারীর নিকট সরাসরি গোপনীয় অনুবেদন দাখিল করতে হবে।

৮। কোনো বৎসর/সময়ে প্রতিস্বাক্ষরকারী একাধিক হলে যাঁর অধীনে অধিকাল কর্মরত ছিলেন তাঁকে উক্ত এসিআর প্রতিস্বাক্ষর করতে হবে। প্রত্যেকের নিয়ন্ত্রণে কর্মকাল সমান হলে যিনি সর্বশেষ তাঁকে প্রতিস্বাক্ষর করতে হবে।

৯। বিরূপ মন্তব্য প্রদানের পূর্বে অনুবেদনাধীন কর্মচারীকে অবশ্যই লিখিতভাবে সতর্ক করে সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে। এসিআর সংক্রান্ত অনুশাসনমালা অনুসরণপূর্বক বিরূপ মন্তব্যের বিষয়ে সতর্কীকরণ নোটিশের কপিসহ দালিলিক তথ্যপ্রমাণ এসিআর এর সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

১০। অনুস্বাক্ষরকৃত এসিআর ফর্ম এক দপ্তর হতে অন্য দপ্তরে প্রেরণ করার সময় অবশ্যই সিলগালাযুক্ত খামে 'গোপনীয়' লিখে অগ্রায়নপত্রসহ প্রেরণ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই ভাঁজ করা যাবে না এবং অনুবেদনাধীন কর্মচারীর মাধ্যমে ডোসিয়ার সংরক্ষণকারীর দপ্তরে প্রেরণ করা যাবে না।

১১। এসিআর প্রযোজ্য হওয়া সত্ত্বেও তা যথানিয়মে যথাযথ অনুবেদনকারীর নিকট দাখিল না করা এবং যথানিয়মে অনুস্বাক্ষর/প্রতিস্বাক্ষর না করা অসদাচরণ মর্মে গণ্য হবে।

১২। সিআর বিষয়ক কোনো স্পষ্টীকরণ, ব্যাখ্যা বা নির্দেশনার প্রয়োজন হলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে।








পিডিএফ ডাউনলোড

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.