কয়েকটি সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে খুব সহজে ইংরেজি পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলি । ইংরেজি বই পড়ার অসাধারণ কিছু উপকারিতা
Views
ইংরেজি শেখার গুরুত্ব এখন আর কারও কাছে অজানা নয়। তবে আমরা বাঙ্গালী হিসাবে ইংরেজি সাবজেক্টকে
জন্ম থেকে ভয় পেতেই শিখি। কিন্তু একটু হিসাব করে দেখবেন সাবজেক্ট হিসাবে
ইংরেজি কিন্তু খুব কঠিন নয়। আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া কিছু প্রশ্নের সমাধান
আমি ইংরেজি শেখার সহজ পদ্ধতি এই টিউন গুলোতে নিয়ে আলোচনা করবো।
সেই সাথে আজকে থাকবে ইংরেজি বই পড়ার উপকারিতা শীর্ষক প্রতিবেদন। যেখানে আপনি ইংরেজি পড়ার কিছু সহজ পদ্ধতি এবং ইংরেজি বই পড়ার কিছু সহজ টেকনিক এবং উপকারিতা দেখতে পাবেন।
অর্থাৎ আপনি যতো পড়বেন ততো শিখতে পারবেন, সাথে ততো পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় যেতে পারবেন, জানতে পারবেন!
কারণ আপনি বই পড়লেই কেবল বুঝতে পারবেন পৃথিবী কতো সুন্দর। আর পড়ার প্রতি ভালোবাসায় আপনার পড়ার প্রতি বেশি আগ্রহী করে তুলবে। তার মানে কি পড়ার বিকল্প ইংরেজিতে দক্ষ হওয়ার কোন উপায় নেই। আমি বলবো না। তবে এই টপিকসের শেষ টিউনে আমি চেষ্টা করবো কীভাবে খুব দ্রুত আপনি ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলবেন সেটা নিয়ে।
কিন্তু আপনাকে এটাও জানতে হবে ইংরেজি পড়ার আরও কিছু উপকারিতা। আশাকরি স্টেপ বাই স্টেপ-
একটা গল্প মনে পড়লো। আমি ছোট বেলা থেকেই একটু মনকে প্রশ্ন
করি বেশি। তো আমার বিশ্বাস হতো না যে আমার দেশের বাইরে অর্থাৎ বাংলা ভাষার
বাইরে কেউ কথা বলে। কিন্তু যে মুভি বা বই তখন পড়তাম তখন মনে হতো এগুলো
রুপকথা। এমনকি দেশের বাইরে যাওয়ার কোন সৌভাগ্য এখনও হয়নি। তাই মাঝে মাঝে
মনে হয় এটা কি আসলে সত্য নাকি রুপকথা। আপনাদের হয় কিনা জানি না। তবে আমার
না দেখলে অবশ্য বিশ্বাস হতে চাই না। (কিছুটা ফান করলাম)
যাইহোক আপনার নিজের সম্পর্কে আরও জানতে আপনাকে ইংরেজি সাহিত্য পড়তে হবে। কারণ বিশ্বের ভালো সাহিত্য সব সময় ইংরেজিতে।
এজন্য আপনাকে ইংরেজি বই পড়তে হবে। আর পড়লে আপনার ভুকাবোলারী বাড়বে, স্পিকিং পাওয়ার বাড়বে, জানাশুনা বাড়বে, সাথে আপনার বিভিন্ন দেশ এবং কালচার সম্পর্কে জ্ঞান বাড়বে।
সর্বোপরি আপনাকে সব সময় ইংরেজির সাথে চর্চার মধ্যে রাখবে।
আপনার মানসিক শক্তি হবে পরখ করার মতো। আপনার জীবন দর্শন মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে।
আপনার যদি ভ্রমণ ভালো লাগে তাহলে বিভিন্ন মানুষের বিশ্ব ভ্রমনের কাহিনী পড়ুন। তাদের জীবন দর্শন আপনার জীবনে কাজে লাগান।
তবে মনে রাখবেন নিজের যে বিষয় ভালো লাগবে সেটা পড়বেন বেশি। তাহলে আপনি ক্লান্ত হবেন না, আবার নিজের প্রতি ভালো লাগাও তৈরি হয়ে যাবে। এক সময় বই পড়া এবং অনলাইনে বই খোঁজা আপনার নেশা হয়ে যাবে। আপনি চাইলেও নিজেকে বিরত রাখতে পারবেন না।
আপনার ভালো লাগা, চলার পথ আরও সুন্দর হোক। বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ আরও সহজ হোক এই কামনায় আমি আজ এখানেই শেষ করছি।
সেই সাথে আজকে থাকবে ইংরেজি বই পড়ার উপকারিতা শীর্ষক প্রতিবেদন। যেখানে আপনি ইংরেজি পড়ার কিছু সহজ পদ্ধতি এবং ইংরেজি বই পড়ার কিছু সহজ টেকনিক এবং উপকারিতা দেখতে পাবেন।
ইংরেজি বই পড়ার কিছু উপকারিতাঃ
ইংরেজিতে একটা প্রবাদ মনে পড়ে গেলো, “The more that you read, the more that you’ll know. The more that you know, the more places you’ll go.” – Dr. Seuss.অর্থাৎ আপনি যতো পড়বেন ততো শিখতে পারবেন, সাথে ততো পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় যেতে পারবেন, জানতে পারবেন!
কারণ আপনি বই পড়লেই কেবল বুঝতে পারবেন পৃথিবী কতো সুন্দর। আর পড়ার প্রতি ভালোবাসায় আপনার পড়ার প্রতি বেশি আগ্রহী করে তুলবে। তার মানে কি পড়ার বিকল্প ইংরেজিতে দক্ষ হওয়ার কোন উপায় নেই। আমি বলবো না। তবে এই টপিকসের শেষ টিউনে আমি চেষ্টা করবো কীভাবে খুব দ্রুত আপনি ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলবেন সেটা নিয়ে।
কিন্তু আপনাকে এটাও জানতে হবে ইংরেজি পড়ার আরও কিছু উপকারিতা। আশাকরি স্টেপ বাই স্টেপ-
১) পড়লে আপনি নিজেকে জানবেনঃ
আপনার দেশ সম্পর্কে আপনি যেটা জানেন সেটা জন্মগতভাবে। কিন্তু আমার দেশের বাইরে যে দেশ আছে তাদের সম্পর্কে জানলে আপনার নিজের প্রতি বিশ্বাস এবং আত্মবিশ্বাস ২ টাই বেড়ে যাবে। তাছাড়া আপনি অন্য দেশের মানুষের সাথে একাত্ম হতে পারবেন আরও কাছ থেকে।যাইহোক আপনার নিজের সম্পর্কে আরও জানতে আপনাকে ইংরেজি সাহিত্য পড়তে হবে। কারণ বিশ্বের ভালো সাহিত্য সব সময় ইংরেজিতে।
২) ইংরেজি বই পড়া আপনার নিজেকে চর্চার মধ্যে রাখবেঃ
আমাদের ইংরেজি না পারার আরেকটা কারণ ইংরেজি চর্চা না করা। তার মুল কারণ সুযোগ না থাকা। আপনি বাংলাদেশে এমন পরিবেশ খুব কমই পাবেন যেখানে আপনি অনর্গল ইংরেজি বলে যাচ্ছেন। এজন্য আপনি দিন দিন ভুলতে থাকবেন। লজ্জার ভেতরে থাকবেন।এজন্য আপনাকে ইংরেজি বই পড়তে হবে। আর পড়লে আপনার ভুকাবোলারী বাড়বে, স্পিকিং পাওয়ার বাড়বে, জানাশুনা বাড়বে, সাথে আপনার বিভিন্ন দেশ এবং কালচার সম্পর্কে জ্ঞান বাড়বে।
সর্বোপরি আপনাকে সব সময় ইংরেজির সাথে চর্চার মধ্যে রাখবে।
৩) পড়লে আপনার মনের চোখ খুলে যাবেঃ
পড়লে বিশেষ করে ইংরেজি পড়লে আপনার মনের চোখ খুলে যাবে। আপনার বিশ্ব হবে অনেক বড়। আপনার চিন্তা শক্তি হবে অন্য দের থেকে অনেক বৃহৎ এবং ভিন্ন। আপনার নিজেকে জানতে এবং বুঝতে এবং পরিবেশের সাথে মিশে যেতে সুবিধা হবে। আপনার নিজের প্রতি আগ্রহ বাড়বে।৪) আপনার জীবন হবে মজারঃ
আপনার বন্ধু মহলে আপনি বিশেষ সাড়া পাবেন। আপনার মজা করার শক্তি বৃদ্ধি পাবে। আপনার চিন্তার প্রসারতা হবে সুদূর প্রসারি। আপনার জীবন হবে অন্যদের চেয়ে অর্থবহুল।তাহলে কি পড়বো?
পড়ার যে শত গুন আছে বুঝলাম কিন্তু কি পড়বো। আমি বলবো, যা চোখের সামনে পাবেন। অর্থাৎ আপনার যা ভালো লাগে যা সম্পর্কে জানতে ইচ্ছা করবে সবই পড়বেন। আপনার যদি মুভি ভালো লাগে তাহলে বিশ্বের নামকরা সব মুভির রিভিউ পড়ুন। কেন এটা অন্যদের থেকে ভিন্ন। কি ছিল এই মুভির আসল গল্প।আপনার যদি ভ্রমণ ভালো লাগে তাহলে বিভিন্ন মানুষের বিশ্ব ভ্রমনের কাহিনী পড়ুন। তাদের জীবন দর্শন আপনার জীবনে কাজে লাগান।
কোথা থেকে পড়বো?
এখন এই ডিজিটাল যুগে আপনাকে পড়ার জন্য বেশি দূরে বা বেশি টাকাও খরচ করা লাগবে না। শুধু আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল থেকে গুগলে আপনার টপিকস বা বইয়ের নাম লিখুন। হাজার টা সাদৃশ্য লেখা পাবেন। আপনার সেখান থেকে যতো লেখা ভালো লাগে এক এক করে পড়তে থাকুন। পিডিএফ বই ডাউনলোড করে পড়তে থাকুন।তবে মনে রাখবেন নিজের যে বিষয় ভালো লাগবে সেটা পড়বেন বেশি। তাহলে আপনি ক্লান্ত হবেন না, আবার নিজের প্রতি ভালো লাগাও তৈরি হয়ে যাবে। এক সময় বই পড়া এবং অনলাইনে বই খোঁজা আপনার নেশা হয়ে যাবে। আপনি চাইলেও নিজেকে বিরত রাখতে পারবেন না।
শেষ কথাঃ
যখন আপনি বিভিন্ন ব্লগ থেকে তথ্য নিবেন বা বই কালেক্ট করবেন বা তাদের কাহিনী পড়বেন তাদের সাথে নিজেকে একাত্ম করতে সেখানে অর্থবহুল টিউমেন্ট (Comment) করুন, জিজ্ঞাসা করুন বা নিজের বিভিন্ন অভিমত তুলে ধরুন। দেখবেন বিভিন্ন দেশে আপনার বন্ধু হয়ে যাবে। সাথে সাথে আপনি পড়ার প্রতি, জানার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবেন।আপনার ভালো লাগা, চলার পথ আরও সুন্দর হোক। বিশ্বকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ আরও সহজ হোক এই কামনায় আমি আজ এখানেই শেষ করছি।