বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ২ কোটি ১১ লাখ টাকার সহায়ক যন্ত্র বরাদ্দ অনুমোদন
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ২ কোটি ১১ লাখ টাকার সহায়ক যন্ত্র বরাদ্দ অনুমোদন
ঢাকা, ১ এপ্রিল ২০২৬: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহায়তায় এ্যাসিসটিভ ডিভাইস (Assistive Device) সরবরাহের জন্য ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মোট ২ কোটি ১১ লাখ ৪২ হাজার টাকা বরাদ্দ ও ব্যয় মঞ্জুর করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪)-এর আওতায় পরিচালিত “বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা” সাব-কম্পোনেন্টের অধীনে। 📚♿
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অর্থ) এইচ এম আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে জানানো হয়, সংযুক্ত তালিকাভুক্ত উপজেলা/থানা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুকূলে এ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ ক্রয় করা যায়।
বরাদ্দের উৎস ও খাত
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, উন্নয়ন বাজেটের মঞ্জুরি নম্বর ২১-এর আওতায় সংস্থা কোড ১২৪ এবং হিসাব খাত ২২৪২৩৭৯০০-এর অধীন ব্যবহার্য সামগ্রী খাতের অর্থনৈতিক কোড ৩২৫৬১০৩ থেকে এই ব্যয় নির্বাহ করা হবে। বরাদ্দকৃত অর্থ জিওবি ও আরপিএ (জিওবি) খাত থেকে প্রদান করা হয়েছে।
ব্যয় নির্বাহের শর্তাবলি
অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি নির্দিষ্ট শর্ত আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
মোট বিলের ৬০ শতাংশ জিওবি এবং ৪০ শতাংশ আরপিএ (জিওবি) খাত থেকে ব্যয় করতে হবে;
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগের নির্দেশনা এবং প্রচলিত আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করতে হবে;
বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত বা অগ্রিম অর্থ উত্তোলন বা ব্যয় করা যাবে না;
নির্ধারিত অর্থনৈতিক কোড ব্যতীত অন্য কোনো খাতে ব্যয় করা যাবে না;
সকল ব্যয়ের ভাউচার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে সংরক্ষণ করতে হবে এবং অডিটের জন্য প্রস্তুত রাখতে হবে;
ব্যয়ের বিবরণী অবশ্যই ৭ দিনের মধ্যে ডিপিই-এর ওয়েবভিত্তিক কম্পিউটারাইজড অ্যাকাউন্টিং সিস্টেমে এন্ট্রি দিতে হবে;
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্যাট ও আয়কর কর্তন করতে হবে;
অনিয়মিত ব্যয়ের দায় সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন। ⚖️
iBAS++ সিস্টেমে বরাদ্দ কার্যকর
চিঠিতে আরও জানানো হয়, উন্নয়ন বাজেটের আওতায় প্রধান কার্যালয়ের নির্ধারিত খাত থেকে iBAS++ সিস্টেমের মাধ্যমে DDO Authorization প্রক্রিয়ায় বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং একই খাত থেকে ব্যয় নির্বাহ করা হবে।
এ বিষয়ে চিফ একাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসারকে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠাঙ্কন শেষে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে প্রেরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, এ বরাদ্দে মহাপরিচালকের অনুমোদন রয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪)
সেকশন ২, মিরপুর, ঢাকা ১২১৬
স্মারক নং ৩৮.০১.০০০০.৫০০.০২৯.০৭৮.২০১৯-৬৭৫
তারিখ: ১৮ চৈত্র ১৪৩২ ০১ এপ্রিল ২০২৬
বিষয়: চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪)-এর সাব-কম্পোনেন্ট "বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা” কার্যক্রম এর আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য এ্যাসিসটিভ ডিভাইস-এর ব্যয় নির্বাহকল্পে বরাদ্দ, ব্যয় মঞ্জুরী প্রদান।
চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪) এর সাব-কম্পোনেন্ট "বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা" কার্যক্রম আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য এ্যাসিসটিভ ডিভাইস-এর ব্যয় নির্বাহকল্পে সংযুক্ত তালিকার থানা/উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অনুকূলে আবর্তক ব্যয় এর ব্যবহার্য সামগ্রী খাতের (অর্থনৈতিক কোড ৩২৫৬১০৩) জিওবি এবং আরপিএ (জিওবি) বরাদ্দ হতে সর্বমোট ২,১১,৪২,০০০.০০ (দুই কোটি এগারো লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার) টাকা মাত্র বরাদ্দ এবং ব্যয় করার মঞ্জুরী প্রদান করা হলো।
২। এ ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটের মঞ্জুরী নং ২১, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি৪) এর সংস্থা কোড নং ১২৪ এবং হিসাবের খাত ২২৪২৩৭৯০০ এর আওতায় সাব-কম্পোনেন্ট "বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা"-কার্যক্রমের আবর্তক ব্যয় এর ব্যবহার্য সামগ্রী খাতের ৩২৫৬১০৩ নং অর্থনৈতিক কোড-এর আওতায় বরাদ্দকৃত টাকা থেকে নির্বাহ হবে।
৩। অর্থ ব্যয়ের শর্তাবলি:
ক) প্রতিটি ব্যয় এর ক্ষেত্রে মোট বিল এর জিওবি বাবদ ৬০% এবং আরপিএ (জিওবি) বাবদ ৪০% হিসাবে ব্যয় নির্বাহ করতে হবে।
খ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি ও অপারেশন বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনাবলী এবং আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করে অর্থ ব্যয় করতে হবে।
গ) কোন অবস্থায়ই বরাদ্দকৃত অর্থের অতিরিক্ত বা অগ্রিম অর্থ উত্তোলন/ব্যয় করা যাবে না;
ঘ) এ ব্যয় কোন ক্রমেই নির্ধারিত অর্থনৈতিক কোড ব্যতীত অন্য কোন কোডে ব্যয় করা যাবে না;
ঙ) এ ব্যয়ের যাবতীয় অডিট কার্যক্রম তাঁর দপ্তরে সম্পাদিত হবে বিধায় খরচের সকল ভাউচার তাঁর অফিসে সংরক্ষণ করতে হবে যেন চাহিবা মাত্র প্রদর্শন করা যায়;
চ) বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ের বিবরণী অবশ্যই ডিপিই-এর Web-based Computerized Accounting System এ ৭ (সাত) দিনের মধ্যে এন্ট্রি দিতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হবে না।
ছ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্যাট/আইটি কর্তন করতে হবে।
ছ) কোন প্রকার অনিয়মিত ব্যয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।
৪। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেটে "১২৪-১২৪০২-২২৪২৩৭৯০০-০০০০০০ প্রধান কার্যালয়, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি" এর আওতায় সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক কোড এ iBAS++ সিস্টেমের মাধ্যমে DDO Authorization প্রক্রিয়ায় বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং উক্ত খাত হতে ব্যয় নির্বাহ করা হবে।
৫। চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার-কে পৃষ্ঠাংকনপূর্বক সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে (প্রয়োজন অনুযায়ী) প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
৬। এতে মহাপরিচালক মহোদয়ের অনুমোদন রয়েছে।
স্বাক্ষরিত
এইচ এম আবুল বাশার
উপপরিচালক (অর্থ)
প্রেরণঃ
চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
সিজিএ ভবন, ৫ম তলা, সেগুন বাগিচা, ঢাকা।
সম্পুর্ণ পিডিএফ


No comments
Your opinion here...