ad

শিক্ষাবৃত্তি আবেদন যাচাই-বাছাইয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড

Views



শিক্ষাবৃত্তি আবেদন যাচাই-বাছাইয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড

ঢাকা: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড সরকারি ও তালিকাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য প্রদেয় শিক্ষাবৃত্তির আবেদন যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত বিস্তারিত ও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নির্ধারিত শর্ত পূরণ না হলে আবেদন সরাসরি বাতিল হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাবৃত্তির জন্য দাখিলকৃত পূর্ববর্তী শ্রেণির ফলাফলের প্রমাণক হিসেবে নম্বরপত্রের ফটোকপি, মূলকপি, স্ক্যানকপি অথবা অনলাইন সিস্টেম জেনারেটেড রেজাল্ট—যে কোনোটি দাখিল করা হলেও তা অবশ্যই সত্যায়িত হতে হবে। নম্বরপত্র সত্যায়নের ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, মনোনীত কর্মরত শিক্ষক অথবা অফিস প্রধান কর্তৃক সত্যায়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অনলাইনে দাখিলকৃত আবেদন ফরমে আবেদনকারীর স্বাক্ষর, অফিস স্মারক নম্বর ও তারিখ, অফিস প্রধান বা মনোনীত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও পদবিযুক্ত সিল এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা মনোনীত শিক্ষকের স্বাক্ষর ও সিল না থাকলে আবেদনটি সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে।

সদ্য পাশকৃত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তারা ভর্তি হয়েছেন, সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধান (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধান) কর্তৃক সুপারিশপত্র দাখিল করতে হবে। যারা এখনো ভর্তি হতে পারেননি, তারা পূর্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সুপারিশ বা প্রত্যয়নপত্র গ্রহণ করবেন।

অসম্পূর্ণ, অস্পষ্ট ও ত্রুটিপূর্ণ আবেদন এবং সত্যায়নবিহীন নম্বরপত্র কোনোভাবেই বিবেচনায় আনা হবে না। এ ধরনের ক্ষেত্রে এসএমএসের মাধ্যমে আপত্তি জানানো হলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ জবাব না দিলে আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে। বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘাটতি থাকলেও আবেদন বাতিলযোগ্য হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে “Promoted” নম্বরপত্র গ্রহণযোগ্য নয়। তবে অনার্স, মাস্টার্স, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃষি ও সমমানের উচ্চশিক্ষা স্তরে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা যদি ফলাফল হিসেবে “Promoted” অপশন নির্বাচন করেন, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বা বিভাগীয় প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত থাকলে আবেদন বিবেচনাযোগ্য হবে।

অক্ষম, অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত কর্মচারীদের সন্তানদের আবেদনের ক্ষেত্রে অফিস প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে না। তবে বোর্ডের তালিকাভুক্ত ২৮টি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরাই কেবল শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। তালিকার বাইরে কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী আবেদন করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

ব্যাংক সংক্রান্ত তথ্য প্রদানেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবেদনকারীর ব্যাংকের নাম, শাখা (জেলা ও উপজেলাসহ), হিসাব নম্বর বা রাউটিং নম্বর ভুল হলে তার দায় সম্পূর্ণভাবে আবেদনকারীর ওপর বর্তাবে এবং সে ক্ষেত্রে আবেদনটি ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে বাতিল হবে; সংশোধনের কোনো সুযোগ থাকবে না।

স্বামী-স্ত্রী উভয়েই সরকারি চাকরিতে কর্মরত হলে কেবল একজনই সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। চাকরিরত, অনিয়মিত ও বিবাহিত ছাত্র-ছাত্রীরা এই শিক্ষাবৃত্তির জন্য অযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

যোগ্যতার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, মূলপদ ১৩তম থেকে ২০তম গ্রেডে কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সন্তানদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে জিপিএ ৩ অথবা গড়ে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নম্বর এবং উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে ন্যূনতম সিজিপিএ ২.৫ (৪.০০ স্কেলে) অর্জন করতে হবে। একই যোগ্যতা অক্ষম, অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত কর্মচারীর সন্তানদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া বিগত অর্থবছরের শিক্ষাবৃত্তির অব্যয়িত টাকার ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে পাঠাতে হবে। আবেদন গ্রহণের শুরু থেকে শেষ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন আবেদন যাচাই করে ত্রুটি থাকলে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনকারীকে জানানো হবে। ত্রুটিপূর্ণ আবেদনের জবাব দাখিলের শেষ সময়ও নির্ধারিত হয়েছে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত। তবে সর্বশেষ দিনে দাখিলকৃত ত্রুটিপূর্ণ আবেদনের ক্ষেত্রে আর কোনো জবাব দাখিলের সুযোগ থাকবে না।

নির্দেশনাটি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের সহকারী কল্যাণ অফিসার আইরিন সুলতানা, সহকারী পরিচালক (কর্মসূচি) শাহ্ বরকত আলী এবং পরিচালক (উন্নয়ন) উপসচিব মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

বিষয়: শিক্ষাবৃত্তির আবেদন যাচাই-বাছাই সংক্রান্ত নির্দেশনা:
১ পূর্ববর্তী শ্রেণীর ফলাফলের প্রমাণক হিসেবে নম্বরপত্র ফটোকপি/মূলকপি/স্ক্যানকপি/অনলাইন সিস্টেম জেনারেটেড রেজাল্ট যেটাই হোক না কেন প্রদানের ক্ষেত্রে অবশ্যই সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে;
নম্বরপত্র সত্যায়নের ক্ষেত্রে ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা/শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান অথবা মনোনিত কর্মরত শিক্ষক/অফিস প্রধান কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে;
অনলাইনে দাখিলকৃত আবেদন ফরমে আবেদনকারীর স্বাক্ষর/অফিস স্মারক নম্বর ও তারিখ/অফিস প্রধান/মনোনিত কর্মকর্তার স্বাক্ষর, নাম ও পদবিযুক্ত সিল এবং ছাত্র/ছাত্রীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান/মনোনিত শিক্ষকের স্বাক্ষর, নাম ও পদবিযুক্ত সিল থাকতে হবে অন্যথায় আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে;
8. সদ্য পাশকৃত ছাত্র/ছাত্রী যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছেন তাদের অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধান) কর্তৃক সুপারিশ নিতে হবে; যারা ভর্তি হতে পারেননি তারা পূর্বের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আবেদনের শর্ত ও দরখাস্ত করার নিয়মাবলী অনুযায়ী সুপারিশ/প্রত্যয়ন গ্রহণ করবেন:
৫. অসম্পূর্ণ, অস্পষ্ট ও ত্রুটিপূর্ণ আবেদন এবং সত্যায়নবিহীন নম্বরপত্র বিবেচনা করা হবে না। সেক্ষেত্রে এসএমএসের মাধ্যমে প্রেরিত আপত্তির যথাযথ জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না পাওয়া গেলে আবেদনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল বলে গণ্য হবে;
৬. বিজ্ঞপ্তির শর্ত ও দরখাস্ত করার নিয়মাবলী অনুযায়ী নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘাটতি সম্বলিত আবেদন সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে;
৬ষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে promoted নম্বরপত্র বাতিল বলে গন্য হবে। অনার্স/মাস্টার্স/মেডিকেল কলেজ/ইঞ্জিনিয়ারিং/কৃষি/সমমান শ্রেণির (১ম/২য়/৩য়/৪র্থ) বর্ষ অধ্যয়নের ক্ষেত্রে যদি ফলাফল Promoted অপশন সিলেক্ট করা হলে সেক্ষেত্রে আবেদনটি বিবেচনাযোগ্য হবে, তবে এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিভাগীয় প্রধান) কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র সংযুক্ত করতে হবে:
৮. অক্ষম, অবসরপ্রাপ্ত, মৃত কর্মচারীর আবেদন ফরমে অফিস প্রধান বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষরের প্রয়োজন নেই;
৯. বোর্ডের তালিকাভুক্ত ২৮টি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীগণ বিজ্ঞপ্তির শর্ত অনুযায়ী আবেদন করিতে পারিবেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ ব্যতিরেকে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী আবেদন করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১০. আবেদনকারীর ব্যাংকের নাম, শাখার নাম (জেলা ও উপজেলাসহ), হিসাব নম্বর ও রাউটিং নম্বর ভুল প্রদান করলে তার দায়-দায়িত্ব আবেদনকারীর। সেক্ষেত্রে আবেদনটি ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার কারণে কোনো প্রকার সংশোধনের আর সুযোগ থাকবে না, অর্থাৎ আবেদনটি বাতিল বলে গন্য হবে।
১১. স্বামী/স্ত্রী উভয়ই সরকারি চাকরিতে কর্মরত হলে কেবল একজনই সন্তানদের 'শিক্ষাবৃত্তি' লাভের জন্য আবেদন করতে পারবেন; সেক্ষেত্রে প্রত্যেক সন্তানের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দাখিল বাধ্যতামূলক;
১২. চাকরিরত, অনিয়মিত এবং বিবাহিত এরূপ ছাত্র/ ছাত্রীগণ এ 'শিক্ষাবৃত্তি' লাভের যোগ্য নন;
১৩, মূলপদ ১৩তম-২০তম গ্রেডে কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সন্তানদের 'শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার জন্য বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীকে পূর্ববর্তী বাৎসরিক / বোর্ড/ সেমিস্টার। টার্ম ফাইনাল পরীক্ষায় প্রত্যেক বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়ে নিম্নবর্ণিত জিপিএ/ সিজিপিএ অর্জন করতে হবে:

শ্রেণিঃ মাধ্যমিক (৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণি)
'শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার যোগ্যতাঃ জিপিএ ৩ অথবা গড়ে ৫০% নম্বর

শ্রেণিঃ উচ্চ মাধ্যমিক (একাদশ, স্বাদশ)
'শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার যোগ্যতাঃ জিপিএ ৩ অথবা গড়ে ৫০% নম্বর

শ্রেণিঃ উচ্চশিক্ষা (স্নাতক, স্নাতকোত্তর)
শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার যোগ্যতাঃ নূন্যতম সিজিপিএ ২.৫ (৪.০০)

১৪. সরকারি ও তালিকাভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার অক্ষম। অবসরপ্রাপ্ত/ মৃত কর্মচারীর সন্তানদের 'শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার জন্য বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীকে পূর্ববর্তী বাৎসরিক/বোর্ড/সেমিস্টার/ টার্ম ফাইনাল পরীক্ষায় প্রত্যেক বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়ে নিম্নবর্ণিত জিপিএ/সিজিপিএ অর্জন করতে হবে:

শ্রেণিঃ মাধ্যমিক (নবম- দশম শ্রেণি)
শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার যোগ্যতাঃ জিপিএ ৩ অথবা গড়ে ৫০% নম্বর

শ্রেণিঃ উচ্চ মাধ্যমিক (একাদশ- দ্বাদশ)
শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার যোগ্যতাঃ জিপিএ ৩ অথবা গড়ে ৫০% নম্বর

শ্রেণিঃ উচ্চশিক্ষা (স্নাতক, স্নাতকোত্তর)
শিক্ষাবৃত্তি' পাওয়ার যোগ্যতাঃ নূন্যতম সিজিপিএ ২.৫ (৪.০০)

১৫. বিগত অর্থ বছরের শিক্ষাবৃত্তির অব্যয়িত টাকার ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট ১৯/০২/২০২৬ তারিখের মধ্যে প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করতে হবে।
১৬. আবেদন প্রাপ্তির তারিখ থেকে আবেদন করার শেষ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিন প্রাপ্ত আবেদনসমূহ যাচাই বাছাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসএমএস এর মাধ্যমে ত্রুটি অবহিত করবেন। ত্রুটিপূর্ণ আবেদনের জবাব দাখিলের শেষ তারিখ হবে আবেদনের শেষ তারিখ পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত।
সর্বশেষ তারিখে প্রাপ্ত আবেদনকারী ত্রুটিপূর্ণ আবেদনের ক্ষেত্রে জবাব দাখিলের আর সুযোগ থাকবেনা।

স্বাক্ষরিত
আইরিন সুলতানা
সহকারী কল্যাণ অফিসার 
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড 
প্রধান কার্যালয়, ঢাকা।

শাহ্ বরকত আলী
সহকারী পরিচালক (কর্মসূচি) 
বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ ্বোর্ড
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

মেহেদী হাসান
(উপসচিব)
পরিচালক (উন্নয়ন)


 

No comments

Your opinion here...

Theme images by fpm. Powered by Blogger.